Pujapatrika2011

Page 1

সাবর্জনীন দুগার্ পূজা


2


Together…lets dream BIG…. (A message from Executive Committee‐ SWISSPUJA 2011)

Ladies and gentlemen,

It gives me immense pleasure to write in our Puja Patrika on behalf of Executive Committee (EC) ‐ Swisspuja 2011. I would take this opportunity to inform you that this year

  

We have been able to bring a new and bigger Ma Durga Idol from Kolkata. We have redesigned and relaunched our website (www.swisspuja.com) and have managed to open up this channel as a source of potential revenue We have tried to reach out to a wider audience

None of the above would have been possible without your overwhelming support and encouragement. Thank you all!

I will also like to put on record our deep and sincere appreciation for all those who have come forward with various sponsorships and advertisements. We are indebted to you for this gesture of yours and look forward to your continued patronage in coming years.

We believe that it is our collective responsibilty to ensure that we leave behind a dynamic and financially sound organization for our next generations. If we are all willing, we would surely find a permanent home of our own for our Ma Durga in Switzerland instead of looking for rented premises every year.

Let us all work together to achieve that dream! Happy Puja to you all!

With warm regards and best wishes;

Pradip Nandi On behalf of EC‐Swisspuja 2011

3


সাবর্জনীন দু গার্ পূ জা, সু ইত্জারলয্ান্ড পূ জা িনঘর্ণ্ট, ২০১১

Sarbajanin Durgapuja, Switzerland Puja Schedule, 2011

 মহাসপ্তমী - েসামবার, ৩রা অেক্টাবর

 মহাঅষ্টমী - মঙ্গলবার, ৪ঠা অেক্টাবর

পূ জারম্ভ

:সকাল ০৮:০০ ঘিটকা

পূ জারম্ভ

:সকাল ০৮:০০ ঘিটকা

পুষ্পাঞ্জিল

:সকাল ১১:৩০ ঘিটকা

পুষ্পাঞ্জিল

:সকাল ১১:৩০ ঘিটকা

সন্ধয্ারিত

:সন্ধয্া ০৬:৩০ ঘিটকা

সন্ধয্ারিত

:সন্ধয্া ০৬:৩০ ঘিটকা

সাংস্কৃিতক অনু ষ্ঠান :সন্ধয্া ০৭:৩০ ঘিটকা

 সিন্ধপূ জা - মঙ্গলবার, ৪ঠা অেক্টাবর

সাংস্কৃিতক অনু ষ্ঠান :সন্ধয্া ০৭:৩০ ঘিটকা রািতৰ্ ০৯:২১ ঘিটকা েথেক রািতৰ্ ১০:০৯ ঘিটকা

 মহানবমী - বু ধবার, ৫ই অেক্টাবর

 িবজয়াদশমী - বৃ হষ্পিতবার, ৬ই অেক্টাবর

পূ জারম্ভ

:সকাল ০৮:০০ ঘিটকা

পূ জারম্ভ

:সকাল ০৮:৩০ ঘিটকা

পুষ্পাঞ্জিল

:সকাল ১১:৩০ ঘিটকা

পুষ্পাঞ্জিল

:সকাল ১০:৩০ ঘিটকা

সন্ধয্ারিত

:সন্ধয্া ০৬:৩০ ঘিটকা

িবসজর্ন

:েবলা ১১:০০ ঘিটকা

সাংস্কৃিতক অনু ষ্ঠান :সন্ধয্া ০৭:৩০ ঘিটকা

 Maha Saptami ‐ Monday, 3rd Oct.

Puja Start: :08:00 hrs. Puspanjali: :11:30 hrs. Sandhyarati: :18:30 hrs. Cultural Prog. :07:30 hrs.

 Maha Astami ‐ Tuesday, 4th Oct.

Puja Start: :08:00 hrs. Puspanjali: :11:30 hrs. Sandhyarati: :18:30 hrs. Cultural Prog. :07:30 hrs.

 Sandhi Puja ‐ Tuesday, 4th Oct. from 21:21 hrs. to 22:09 hrs.  Maha Nabami ‐ Wednesday, 5th Oct.

Puja Start: :08:00 hrs. Puspanjali: :11:30 hrs. Sandhyarati: :18:30 hrs. Cultural Prog. :07:30 hrs.

 Bijoya Dashami ‐ Thursday, 6th Oct.

Puja Start: Puspanjali: Bisarjan:

:08:30 hrs. :10:30 hrs. :11:30 hrs.

SWISSPUJA Executive Committee 2011 Mr. Pradip Nandi (President)

Mr. Anindya Mukherjee (Secretary)

Mrs. Debashree Banerjee (Vice President)

Mr. Indranil Bhattacharya (Jt. Secretary)

Mr. Shomik Rakshit (Vice President)

Mrs. Chandra Chakraborty (Treasurer)

Mr. Rajshekhar Deb (Member)

Mr. Santanu Misra (Member)

Mrs. Dithi Chakrabortty (Member)

Mr. Rajib Mukherjee (Member)

Mr. Utsav Choudhury (Member)

4


প ী চ ূ স

তৰ্ - Content

1.

রিঞ্জত েসনগ‌ুপ্ত স্মরেণ

বসন্তিবহারী পািলত

2.

Mangalacarana – A Prayer

Nandadulal Nandi

3.

Sunrise

সংযু ক্তা চয্াটাজর্ী

4. 5.

Gondogol @ Gondola Featured Article from GWM

Brindarica Bose Ben Hardy

6.

দু িট কিবতা

7.

Wounded Silence

8. 9.

9

11 13

15 23

পৰ্দীপ্ত পাল

27

Aakash Bhattacharya

28

ডােয়রীর পাতা েথেক: ছড়ােনা‐িছেটােনা

শৰ্ীপণর্া বয্ানাজর্ী

31

কাঙােলর অশৰ্ুেত েয রক্ত ঝের

ডাগমার দাশগ‌ুপ্ত

34

10. Heisser Bahnhof Zürich

Usha Palit

39

11. িতনিট ছড়া

শরিদন্দু িমতৰ্

40

12. েছােটােদর পাতা

Sasmit, Shukrit, Arushi

41

13. চিকত ‐ এ অতীত

মধু বৰ্তা বয্ানাজর্ী চয্াটাজর্ী

45

14. অয্ান ফৰ্ােঙ্কর বাড়ী

দীপাঞ্জনা েঘাষ

49

15. মহারাজ

বসন্তিবহারী পািলত

54

16. েনই এক নতুন পৃ িথবীেত

পৰ্ণব কুমার রায় েচৗধু রী

17. বাবু দার ঘুিড়

শৰ্ুিত বয্ানাজর্ী

18. Mahabharata

Arabinda Roy

67

19. শরেতর শিমর্লা

মুিক্ত বেন্দয্াপাধয্ায়

75

Biplab Das

77

20. Chander Paharer Pujo

64 66

Special thanks to: Anirban Dutta Choudhury, Dagmar Dasgupta, Dipanjana Ghosh, Himadri Banerjee, Jyotiprasad Majumder, Madhubrata Banerjee Chatterjee, Rituparna Pal (Kundu) and Sanjay Kumar Mandal.

Cover Page Painting: Arindam Mukherjee The copyright of each article remains with the author. All products and trademarks are copyrighted by the respective companies. The rest of the Patrika is copyrighted by the Swisspuja EPC. The arti‐ cles reflect the views and opinions of the respective authors and not necessarily that of the Swis‐ spuja EPC. Inclusion in this Patrika does not imply endorsement by the Swisspuja EPC. Sources of other images and sketches: internet

5


6


7


শ‌ুেভচ্ছাবাতর্া

রিঞ্জত মিল্লক কলকাতা

সু দূর সু ইত্জারলয্ােন্ডর জুিরেখ পৰ্বাসী বাঙালীরা িবগত পৰ্ায় আট বছর ধের দু গর্াপূ জার আেয়াজন কের আসেছন েজেন আিম অতয্ন্ত আনিন্দত। বাঙালীর এই েশৰ্ষ্ঠ উত্সব আজ ধেমর্র গণ্ডী ছািড়েয় বহুমাতৰ্ায় েদশ িবেদেশ পৰ্সািরত। দু গার্ পূ জা আেয়াজেনর পাশাপািশ আমােদর িনজসব্ সংস্কৃিতর ধারা পিরেবশন করাও এই ধরেনর উত্সেবর অিবেচ্ছদয্ অঙ্গ। এটা খুবই গেবর্র িবষয় েয সু ইত্জারলয্ােন্ডর বাঙ্গালীরা এই ধারা বজায় রাখার অনয্তম শিরক। আিম আন্তিরক ভােব এই উত্সেবর সবর্াঙ্গীন সাফলয্ ও উত্তেরাত্তর শৰ্ীবৃ িদ্ধ কামনা কির। শ‌ুেভচ্ছা জানাই তােদর, যাঁরা িনেজেদর বয্স্ততা সেতব্ও

িনরলস ভােব পৰ্িতবছর সু ইত্জারলয্ােন্ড

দু গর্াপূ জার আেয়াজন কের চেলেছন। ধনয্বাদােন্ত,

8


রিঞ্জত েসনগ‌ুপ্ত স্মরেণ (১০.১০.১৯৩৩ - ০৫.০৭.২০১১) বসন্তিবহারী পািলত

এক ভীিতজনক দৃ শয্র কল্পনা করুন। একটা হািত একজন পথচারীর িদেক এিগেয় আসেছ। েলাকটা তখন িক করেব? িনশ্চয়ই পৰ্ােণর ভেয় েদৗেড় পালােব, কারণ হািতর েগাদা পােয়র তলায় েস িপেষ মরেত চায় না। পৰ্ায় পঞ্চাশ বছর আেগ কলকাতার এক যু বক বাঙািল িকন্তু িঠক উেল্টাটাই করল। েস মািটেত শ‌ুেয় িছল। তার বু েকর ওপর কােঠর তক্তা লাগান হল। আর েসই তক্তার ওপর িদেয় িতন টন্ (িতন হাজার িকেলাগৰ্াম) ওজেনর এক হািতেক হাঁিটেয় িনেয় যাওয়া হল। েয বিলষ্ঠ, পুষ্টেপশীিবিশষ্ট ও েযাগশিক্তধারী যু বক েসিদন হািতর ওজন বু েকর ওপর িনেয়িছল েসই পরবতর্ীকােল আমােদর আপনজন হল – আমােদর মতন বয়স্কেদর মেধয্ ‘রিঞ্জত’ আর অল্পবয়সী মেধ ‘রিঞ্জতদা’ নাম িনেয়। এর পের ঘটনাস্থল হল জুিরখ শহর। েসখােন এক মেঞ্চ রিঞ্জতেক েদহশিক্ত পৰ্দশর্ন করেত েদখলাম। একটা জলভিতর্ বালিতর হাতল েস চুেল েবঁেধ বালিতটা মািট েথেক ওপের অনায়ােস েটেন ওঠাল। হােতর ও েদেহর মাংসেপশীর শিক্ত দব্ারা েলাহার একটা লমব্া ও েমাটা ডান্ডােক েবঁিকেয় েবঁিকেয় েসটা িদেয় একটা িস্পৰ্ং কের েফলল। দাঁত িদেয় একটা েবিঞ্চর েশষ ধার কামেড় ধরল, েবিঞ্চর অনয্ ধাের রিঞ্জেতর বািলকা েমেয় মিণকা বসল। রিঞ্জত তখন দাঁেতর ও েচায়ােলর হােড়র েজার িদেয় েবিঞ্চটা েমেঝ েথেক ওপের উিঠেয় িনল। এই রকম আরও নানা রকম ভােব শারীিরক শিক্ত পৰ্দশর্ন কের রিঞ্জত দশর্কেদর ভূ য়সী পৰ্শংসা েপেয়িছল। কলকাতায় তার সব্নামধনয্ গ‌ুরু শৰ্ী িবষ্ণু েঘােষর (িবষ্টু েঘাষ নােম পৰ্খয্াত) কােছ বয্ায়াম, েযাগাসন ও পৰ্াণায়াম সমব্েন্ধ িশক্ষা গৰ্হণ করার পর িনয়িমত অভয্াসদব্রা রিঞ্জত িবেশষ কের পৰ্াণায়াম সমব্েন্ধ আরও জ্ঞানাজর্ন কের এবং িবেশষজ্ঞ হেয় ওেঠ। ২০০০ সােল পৰ্াণায়াম সমব্েন্ধ ইংেরিজ ভাষায় তার বই “Pranayama: A conscious Way of Breathing” পৰ্কািশত হয়। ভাষােতও এই বইিট পৰ্কািশত হয়।

পের জামর্ান, রািশয়ান ও েপািলশ

িবেদশ েথেকও রিঞ্জত তার েযাগজ্ঞােনর জনয্ িবেশষ সম্মান অজর্ন

কেরিছল। ২০০৩ সােল আেমিরকার লস্ এেঞ্জেলেসর শহের েযাগসাধনা সমব্েন্ধ এক আন্তজর্ািতক সেম্মলন হয়। েসই সেম্মলেন েযাগাসেনর পৰ্িতেযািগতােত িবচারক (জুির) হবার জনয্ রিঞ্জত আমন্তৰ্ণ পায়। সেম্মলন তার সব খরচ বহন কের। েপশাদারী জীবেন েশেষর কুিড় বছর েমকািনকয্াল ইিঞ্জিনয়ার রিঞ্জত বয্ােসেলর ফারমািসউিটকয্াল েকাম্পানী Ciba-Geigy েত প্লয্ান্ট্ পৰ্েজেক্টর কাজ করত। ভাল কােজর জনয্ েকাম্পানী েথেক নয্াযয্ সব্ীকৃীিতও েপেয়িছল।

9


কাজ কের রিঞ্জত আনন্দ েপত। আর সব েথেক ভাল লাগত ভারতীয় িবেশষ কের বাঙািলেদর জনয্ িকছু করা, তােদর িকছু উপকার করা অথবা তােদর েকােনা কােজ সাহাযয্ করা। এই উেদ্দশয্ িনেয় েস বয্ােসেলর Indian Association এবং িকছু কাল বােদ বাঙািল 11-er Club এ েসেকৰ্টারীর কােজর ভার েনয়। ২০০৪ সােল েযবার জুিরেখ পৰ্থম দূ গর্া পূ জা হয় েসবার রিঞ্জত Executive Committee েত েযাগদান কের দূ েগর্াত্সেব নানারকম কােজ সাহাযয্ কের। িবেশষ কের পৰ্িতমার িপছেনর িচতৰ্চালা িনমর্ান ও সিজ্জত করার জনয্ অনয্েদর সােথ েসও েখেটিছল। েরাগ ও দু বর্লতা সেত্তব্ও রিঞ্জত SwissPuja পৰ্িতষ্ঠােনর জনয্ এক নতুন সংিবধােনর খসড়া েলখার দািয়তব্ িনেয়িছল এবং কাজটা সম্পন্নও কেরিছল। পৰ্ায় পঞ্চাশ বছর বয়স পযর্ন্ত রিঞ্জেতর জীবন েবশ ভালভােবই অিতবািহত হেয়েছ। তারপর েথেক তার জীবনাকােশ কােলা েমেঘর আিবভর্াব শ‌ুরু হয় এবং তারা কৰ্মশঃ ঘন কােলা হেত থােক। তার হৃত্িপণ্ড কৰ্মাগত দু বর্ল হেয় পেড়। অবেশেষ ১৯৮৭ সােল জুিরখ কয্ান্টন্ হাসপাতােল তার অতয্ন্ত দু বল র্ হৃত্িপণ্ড বার কের িনেয় তার জায়গায় এক সু স্থ ও সবল হৃত্িপণ্ড বসান হয়। তার ফেল পৰ্কৃতপেক্ষ রিঞ্জেতর এক নব জীবন শ‌ুরু হল। অপােরশেনর পর সু স্থ হেয়ই রিঞ্জত অিফেস কাজ করেত েগল। তােত অেনেকই আশ্চযর্ হেয়িছল এই জনয্ েয এই রকম গ‌ুরুতর অপােরশেনর পর অিধকাংশ েলােকরা ডাক্তােরর সু পািরশ িনেয়ই বািড়েত েথেক যায়। পারত।

ইনিসওরয্ান্স েকাম্পানী ও কমর্স্থল েথেক পাওয়া িমিলত আয় িদেয় ভালভােবই সংসার চেল

েযেত

িকন্তু রিঞ্জেতর কােছ কমর্ই িছল তার জীবন, কােজই েপত আনন্দ। আপন েদহ যােত পরেদেহর হৃত্িপণ্ডেক পৰ্তয্াখান না কের তার জনয্ রিঞ্জতেক অপােরশেনর পর

েথেক অেনক রকেমর েজারােলা ওষু ধ েখেত হত। িনয়িমতরুেপ ওষু ধ েখেয় ও ডাক্তারেদর পরীক্ষাধীন েথেক রিঞ্জেতর অেনক বছর ভালভােবই কাটল। সব্াস্থয্সমসয্া থাকা সেত্তব্ও রিঞ্জত পাঁচবার ভারতবষর্, একবার আেমিরকা আর বহুবার জামর্ািন ও হলয্াণ্ড ভৰ্মণ করেত িগেয়িছল। েজারােলা ওষু ধগ‌ুেলা তােক বাঁিচেয় রাখল বেট িকন্তু এেদর আনু ষিঙ্গক পৰ্িতিকৰ্য়া অিত ধীের ধীের েদেহর িবিভন্ন অংেশর ক্ষিত করেত শ‌ুরু করল। ফলসব্রুপ মােঝ মােঝ েদেহর এক একটা অংেশ পালাকৰ্েম অসহয্ বয্াথা ও যন্তৰ্ণা হেত লাগল। এইসব বয্াথা ও যন্তৰ্ণার উপশেমর জনয্ পৰ্ধান ওষু েধর সেঙ্গ অনয্ ওষু ধও েখেত হত। আরও ওসু ধ খাওয়া মােন আরও আনু ষিঙ্গক পৰ্িতিকৰ্য়া। কষ্ট েপেত েপেত কখনও কখনও িনরাশ হেয় পরেলও অসীম মানিসক শিক্ত, বাঁচবার পৰ্বল ইচ্ছা এবং পরেমশব্েরর পৰ্িত আস্থা িনেয় রিঞ্জত ৈদিহক পীড়ােদর িবরুেদ্ধ সংগৰ্াম করত। যতই ভুগ‌ুক না েকন েস সু ইত্জারলয্ান্ডএর Heart Transplantation রুগীেদর মেধয্ সব েথেক েবশী িদন (২৪ বছর) েবেচঁ েরকডর্ স্থাপন কেরিছল। েশষবােরর জনয্ েস একবার েদেশ েযেত েছেয়িছল, হয়ত মেন েগাপন ইচ্ছা িছল িনেজর অিতিপৰ্য় েদশমািতৃকার েকােল েশষ িনঃশব্াস েফলার। িকন্তু শারীিরক অক্ষমতার জনয্ তার এই অিন্তম বাসনা পূ ণর্ হয় িন। েশেষ মৃ তুয্রই হল জয়। ২০১১ সােল ৫ই জুলাই রিঞ্জত আমােদর েছেড় েলাকান্তের চেল েগল। রিঞ্জেতর মত বন্ধুেক আমরা েকানিদনও ভুলেত পারব না।

চিল্লশ বছর আমার সেঙ্গ রিঞ্জেতর বন্ধুত্তব্

অটুট িছল। ভালবাসা, শৰ্দ্ধা ও কৃতজ্ঞতা সহ তার আত্মার সামেন আিম মাথা নত করিছ এবং তার ও আমােদর জনয্ শািন্ত পৰ্াথর্না করিছ। ওঁম শািন্ত শািন্ত শািন্ত।

10


Mangalacarana – A Prayer Nandadulal Nandi At the very confluence Where Energy (sakti) meets matter (jada-prakriti), Melody (raga) meets rhythm (tala), Space (vyoman) meets earth (ksiti), Beauty (rupa) meets essence (rasa), Devotion (bhakti) meets discrimination (jnana), And The Infinite (asima), the finite (sima); There I lay down My garland of obeisance. Om santih santih santih.

With best compliments from

RMC Paradise

Catering to all your need for food items from India, Sri Lanka, Bangladesh and Pakistan. Located just at Basel SBB. RMC Paradise AG Küchengasse9 4051, Basel Ph. No. 061 504 1431

11


12


Sunrise সংযু ক্তা চয্াটাজর্ী জায়গাটা েবশ সু ন্দর। এক িদেক গঙ্গা বেয় চেলেছ, অনয্ পাড় পৰ্ায় েদখাই যায় না। আর তার তীের সাির েদওয়া গাছগ‌ুেলা মৃ দু হাওয়ায় দু লেছ। অেনক েছাটেবলায় স্কুেল পড়ার সময় badminton েখলার একটা অেভয্স িছল েমধার। তারপর বহু বছর racket ও ধেরিন। আজ িতস্তার আগৰ্েহই আবার এই কেলজ িপকিনেক এেস েখলা। েমধা আর িতস্তা দু জেন খুব বন্ধু েসই কেব েথেক মেন েনই তােদরই। Durgapur এ স্কুেলর গিন্ড েপিরেয় এখন দু জেনই কলকাতায়। েমধা এক নামী কেলেজ physics িনেয় first year এ পেড়, ফলতায় আজ ওেদরই department এর িপকিনক। িতস্তা িকন্তু েবশ ভােলাই েখলেছ, ও কলকাতারই এক engineering কেলেজ computer science িনেয় পেড়। ওেদর opponent দু িট েছেল েতা েমেয় েদেখ ওেদর েবশ সহেজই হািরেয় েদেব েভেবেছল, িকন্তু ততটা সহজ হেচ্ছ না েসটা। েখলেত েখলেত িতস্তার বার বার নজর কাড়িছল েনেটর ও পৰ্ােন্ত থাকা ঋষভ। েখলােত ঋষভেক হারােনা খুব কিঠন আর হঠাত্ িতস্তা েযন িনেজই চাইল না িজতেত। একটু ফাঁক েপেয়ই িতস্তার পৰ্শ্ন েমধার কােছ ‘‘েছেলটা েক ের?” েচােখ একটা অদ্ভুত দীপ্তী আেছ েতা। “েদখেতও েবশ ভােলাই’’ দু ই বন্ধু েহেসই কূল েপেলা না, িতস্তার েছেলেদর পৰ্িত আগৰ্হ কেমিন তাহেল। ঋষভ েমধার sen‐ ior, final year এর ছাতৰ্, ভীষণ েমধাবী, েমধার ওর সােথ এর আেগ কথা বলার সাহসই হয়িন। িতস্তা খুব সহেজই বন্ধু বািনেয় িনেত পাের, কাউেক েস এখােন েচেন না তাও একটুও bored হেচ্ছ না। েমধা অেনক শান্ত সব্ভােবর গঙ্গার বু েক েনৗেকাগ‌ুেলার িদেক তােকেয়ই েযন তার সময় েকেট যািচ্ছল। ঋষভ েয এত কথা বেল হােস, আনন্দ কের েসটা েমধা কেলেজ কখনও েদেখিন। তার বন্ধু িতস্তা এর মেধয্ই িনেজর কাজ শ‌ুরু কের িদেয়েছ, ঋষেভর সােথ বেস িদিবব্ গল্প করেছ। িক বলেছ ওরা খুব জানেত ইেচ্ছ করল িকন্তু িঠক ঋষেভর কােছ েযেত েযন ভয় পায় েমধা। সেন্ধয্ হেত শ‌ুরু কেরেছ, এবার িফরেত হেব অথচ বােস ওঠার আেগ িতস্তােক েকাথাও খুঁেজ পােচ্ছ না েমধা। বন্ধুেক িনেজর দিয়েতব্ িনেয় এেসেছ এখন িক করেব েভেব পােচ্ছ না িকছু েতই । ‘‘িতস্তা বােস েতামার জনয্ wait করেছ’’। হঠাত্ েমধা চমেক েগল ঋষভেক েদেখ, আেগ কখনও কথা হেয়েছ বেল েতা মেন পেড় না। েছেলটার একটা অদ্ভুত attraction আেছ েবশ বু ঝেত পারেছ েসও। এখন েমধার এক নতুন duty হেয়েছ, পৰ্ায় েরাজই িটিফেনর সময় িতনতলায় ঋষেভর ক্লােস েযেত হয় তােক। েকানওিদন িতস্তােক েকানও particular সময় েফান করা আবার কখনও েদখা করার কখা জানােত। এই কাজটা েস েমােটই করেত চায় না িকন্তু এই এক অদ্ভুত অিছলায় তারও ঋষেভর সােথ একটু েদখা, কথা েতা হয়। েযন first period েথেক েসই আশােতই থােক েমধা। েসিদন সকােল কেলজ েবেরানর সময় িতস্তার েফান ‘‘আজ কেলেজ একটা seminar আেছ ের, চারেটর সময় ঋষভদার সােথ েদখা করার কথা িছল coffee house এ, েযেত পারেবা না তুই একটু জািনেয় িদস।’’ িক মেন হল েমধার েস িকন্তু আজ আর িটিফেন েগল না ঋষেভর ক্লােস। তার েয আজ খুব িতস্তার মত হেত ইেচ্ছ করেছ, িঠক ই কের েফলেলা ঋষভেক িকছু না জািনেয় েকান এক কারণ েবর কের চারেটেত েসই যােব

13


coffee house এ। িকন্তু ঋষভ েযন আজ েমধােক েদেখ একটুও অবাক হল না। েযন তার জনয্ অেপক্ষা করিছল। অেনক কথা হল দু ই জেনর। সামেনই ফাইনাল পরীক্ষা, তারপর ঋষভ কানপুর চেল যােচ্ছ post graduation এর জনয্। ঋষভ কানপুর চেল যাবার পর িতস্তার সােথ েমধার েযাগােযাগ অেনক কেম েগল। েমধা েযন ওেক ঈষর্া কের, কারণ ঋষভ নািক ওর boy friend। মােঝমােঝ ওেদর েকান িবেশষ খবর, ঋষেভর কলকাতায় আসা এগ‌ুেলা িকন্তু িতস্তা েফােন ওেক জানােত েভােল না। েসও মেন হয় েমধার ঈষর্াটা েবশ উপেভাগ কের। মােঝ আটটা বছর েকেট েগেছ। েমধা কলকাতারই একিট গেবষণা েকেন্দৰ্ চাকির করেছ। কাজটাও তার েবশ ভালই লাগেছ। িতস্তার সােথ ওর েশষ কথা হেযিছল েযিদন ওর চাকরী পাওযার খবরটা েজেনিছল েমধা। এতগ‌ুেলা বছের েমধার অেনক েছেলর সােথ আলাপ হেয়েছ, হয়ত কাউেক ভালও েলেগিছল, িকন্তু েকান এক অদৃ শয্ পৰ্িতেযাগীতায় সবাই ঋষেভর কােছ েহের েগেছ। এখন ঋষভ েকাথায়, িকছু ই জােন না েস। হয়েতা এতিদেন িতস্তার সােথ িবেয়ও হেয় েগেছ ওর। তাই তার আর েখাঁজ করার ইেচ্ছও কের না। তেব েসই েকান এক িবেকেল “coffee house এর েসই আড্ডাটা’’ আজও মােঝ মােঝই মেন পের যায়। কলকাতার গরম েথেক েরহাই েপেত েমধা ও তার দু ই বন্ধু কেয়কিদেনর জনয্ হুট কের Darjeeling ঘুের আসার plan করল। েসিদন খুব সকােল mall এ sunrise েদখেত এেসেছ েমধা, বািকরা এত সকােল উঠেতই পােরিন। একপৰ্ােন্ত েরিলংএর ধাের সু েযর্র অেপক্ষায় দািড়েয় তারই মত িকছু পযর্টক। তােদরই মেধয্ একজন েমধার িদেক তািকেয় েহেস েফলল। ‘‘এতিদেন তুই একটুও বদলাস িন’’। িতস্তার িবেয় হেয় েগেছ। েমধা িনেজর অজােন্তই ওর চািরিদেক ঋষভেক খুঁজেত লাগেলা। Sunrise আর েদখা হল না ঘন কুয়াশায়। হতাশ হেয় দু ই বন্ধু তােদর েহােটেলর উেদ্দেশয্ রওনা হল, েফরার পেথ অেনক কথা হল তােদর। েমথা জানেত পারেলা েয, গত মােসই িতস্তার িবেয় হেয়েছ তারই এক সহকমর্ী ধৰ্ুবর সােথ। কানপুর েথেক েবিরেয় ঋষভ জামর্ানী চেল যায় নতুন চাকরী িনেয়। তেব তার আেগই ওেদর সম্পকর্টা েভেঙ্গ যায়। িতস্তার মেত ঋষভ নািক ওেক েকানিদনই ভাল বােস িন। আর তারপরই ধৰ্ুবর সােথ আলাপ আর অেনক আনন্দ। এখনও নািক ঋষভ জামর্ানীেতই আেছ। তেব ওেদর আর েকান েযাগােযাগ েনই। আজেকর কুয়াশায় ঢাকা sunrise েমধার কােছ এক নতুন বাতর্া িনেয় এল। জীবেন অন্তত একবার েস ঋষেভর সােথ েযাগােযাগ কের িনেজর মেনর মেধয্ লু িকেয় রাখা কথাটা বলেব আর তারপর েস মুক্ত। বাবা মােয়র পছেন্দর েকােনা পাতৰ্েক িবেয় করেতও তার আর আপিত্ত থাকেব না। আজ েথেক শ‌ুরু তার নতুন অেনব্ষণ। আরও একটা বছর েকেট েগেছ। Kolkata – Frankfurt flight no LH 751, এত long flight আেগ কখনও চেড়িন েমধা। সারারাত তার আর ঘুম এল না, জানলার বাইের আকাশ লাল হেয় উেঠেছ, েমেঘর ওপের sunrise আজ ভীষণ সু ন্দর। Airport এ েয মানু ষটা তার আশায় অেপক্ষা করেছ তার কথা ছাড়া আর িকছু ই ভাবেত পারেছ না েমধা।

14


Gondogol @ Gondola Brindarica Bose The family was staying in a bed and breakfast cottage in Lido, about 5 kms away from Venice. Amrita's parents were visiting her in Zurich for the first time. So Amrita and Aranya planned a surprise trip to Venice with them. Tickets were booked, printouts from google were taken and finally they took the train from Zu‐ rich and reached Venice. This is Amrita, Aranya, Father and Mother Sen’s story on the second last day of their visit, in the romantic city of Venezia. THE FAMILY Amrita, while circling a word in a printout: “Aranya, we are leaving tomor‐ row morning. Today we have to cover Rialto Bridge and the Gondolas. Did you bring any leaflets yesterday?” Aranya, while checking his wallet: “Hmm yes, I also checked the prices. They will charge 300 Euro for a group of four. That’s quite expensive, don’t you think? We are covering the same Adriatic sea in a Vaporetto, do you want to pay five times more for a scare‐crow black boat?” Amrita, snapped back: “Of course I want a 'scare crow black Gondola‐boat'! You will remain a banker forever; romanticism cannot be valued with money! In the floating city I want to float with a Gondolier.” Amused by Aranya's frown she added in a matter of fact, “Did you know that the Gondoliers have to pass a tough exam to get a license for a Gondola? They also need to know foreign languages and the only woman Gondolier out of 425 Gondoliers is Ms. Alexandra Hai. Now, does that make the prospect of riding Gondolas a bit more interesting for you?” Amrita dipped her tone and added further, “Apart from that, I also want to record a video from the Gondola. I saw Tandra's in Facebook this summer and I want a similar, if not a better video”. Aranya with a half smile: “Okay you win. Accha tomar kache 100 Euro ache ki?” (Knock, Knock) Amrita's parents stood at the door smiling, ready to leave. Mother Sen was wearing a salwar suit and holding an umbrella with red polka dots. Father Sen looked more like ready to leave for office. Amrita’s eyes fell on his breast pocket and noticed the tucked in glasses and a small cool‐pix pocket cam‐ era. Seeing the camera, she lost track of time. Her thoughts jumped from present to past, to the wooden almirah in the hallway, back home in Haridwar where all their photo‐albums were kept ….pages with faded black and white photos of their grandparents sitting in rows with huge families, as well as her own coloured child‐ hood photos. Each photo had comments carefully written by her mother, 'Mamoni's first steps', 'Mamonir prothom school day'. Yesterday Amrita had no‐ ticed how her father was very careful about clicking shots and she had reminded 15


him that his camera worked on a chip now with endless memory. He nodded but his habit didn’t change. Amrita's camera had a 10 GB card and yet none of the pic‐ tures were really memorable. Nowadays she just clicked for Facebook. It is amazing how a human mind can process trails of thoughts, with neurons connecting and disconnecting, jumping over caches of archived memories; dissolv‐ ing the intervening decades–all within a few seconds. Finally, Aranya nudged her and she finished tying her shoes. Within few minutes they were all sitting in a taxi boat speeding towards Venice. Mother Sen kept marvelling at the skyline dotted with huge cruise ships and ferry boats transporting cars and passengers. The taxi‐boat followed a path marked by floating logs, glistening and swaying in a rhythm which only the sea could hear. Her eyes subconsciously kept noting the logs, like someone playing musical chair– eyeing every chair while running round and round. She didn’t know how to swim. Logs were like chairs to her in this speeding taxi boat. Rialto Brige was picturesque. They posed at different levels across the bridge for photos and finally asked a Bangladeshi street hawker selling red roses to click a 'family picture'. The Sun was going higher and although few black clouds shadowed them every now and then, it was still a perfectly beautiful day. A city without any cars, with canals instead of streets can be so intriguing. The family paused and enjoyed the view every now and then. From Rialto Bridge, they walked towards the old city, crossing numerous small bridges and reached San Marco's Square. A veritable phalanx of Gondolas greeted their eyes. They slowly walked towards the queue and joined the group of excited tourists who had all lined up for a Gondola ride. Like most of the tourists, they chose to go with the fleet of Gondo‐ las who were giving 'Venetian masks' as a complimentary gift to all their passen‐ gers. There was quite a bit of commotion as tourists were trying on their masks and stepping into Gondolas one by one, giggling like teenagers or shrieking in mocked terror. While the others stood waiting, Father Sen managed to buy four cones of famous Italian Gelateria. He stood with the cones dripping Vanila, Pista‐ chio, Mango and Chocolate as Aranya, Amrita and Mother Sen adjusted their masks. The effect was dramatic. Mother Sen had a white porcelain face with three blood red semicircles as lips, a dupatta covering her head and a red polka dotted umbrella adding to her aura. Father Sen wore glasses on top of his mask and Am‐ rita looked almost like a Venetian lady with her long black skirt and a golden mask sporting a golden feather. Aranya, knew he too was quite a ‘sight’, since all three suppressed a smile when he wore his mask and turned towards them. After the trial run with the masks, they finished their ice creams and put on their masks again. Meanwhile, the queue proceeded and soon they were next to the Gondo‐ liers who were dragging people gently into their Gondolas. Someone dragged him by his arm and Aranya found himself sitting in a swaying Gondola. He searched for a golden feather and a polka dotted umbrella through the narrow eye holes in his 16


mask–but found none, so within split of a second he jumped out of the Gondola in search of the family! THE INDIVIDUALS Father Sen: “Really dont understand what will offend Mamoni and what not. Why can't I remove this mask for example? Dom bondo hoye jacche ekkebare, dek‐ hteo pacchina thik kore. And how am I supposed to find Mother Sen and the chil‐ dren if I am left behind like a blinded horse?” After few seconds, he flanked the mask aside and gasped for fresh air. In a flash, he saw Aranya standing on the bank and he leapt out of the Gondola too–the Gondolier shouted something but he did‐ n’t care to reply or turn back. The family was supposed to be together. Once in the bank, he lost sight of Aranya in the crowd! His shoulders slumped as he kept searching for the family but found none. After a while he re‐ laxed again and felt like a young colt strolling the lush green pastures of Venice, free from all baggages and expectations. To loosen up a bit he did a Ram Dev Baba: Anulom‐Vilom for a minute right in the middle of the Piazza, and subsequently squared his shoulders and marched towards the Gelateria and opened his wallet for some change. Mother Sen: “This mask is a bit suffocating, maybe with my safetypin I can enlarge the nostrils. Or maybe I can tilt it a bit sideway–hmm that’s far better. I think I will keep wearing it and watch these Europeans from behind my mask. My mask has a fixed smile–they won't see if I frown or smile. Mamoni is not in this Gon‐ dola, neither is Father Sen or Aranya. They must be following in the next few Gon‐ dolas. How did we get split, I thought I was holding Father Sen's hand when I stepped in–was it the Gondolier then? Maybe it is better if I sit here; the Gondolier has started swerving the boat out of the coast anyway”. Mother Sen's Gondola drifted apart from the rest and entered a water lane lined by Byzantine styled brick buildings coated with green moss. A stark stench similar to the pond in Taratola, her baperbari, made her feel nostalgic and feel at home at once. A woman wearing an apron shooed a cat from her kitchen win‐ dow and splashed water from a pan into the canal. The Gondolier swerved the boat out of her way, looked up and playfully shouted, 'Mamma Mia, Signora attenta, adding to the tide?' Mother Sen supressed a smile behind her mask and clutched the edge of her seat tightly. The Gondolier was talking in faltering English about Gondolas while maneuvering the oar–“Gondolas are hand made using eight differ‐ ent types of wood (fir, oak, cherry, walnut, elm, mahogany, larch and lime), each boat is composed of 280 pieces and the oars are made of beech wood....” Amrita: “I just knew this. Why can’t Aranya stay with me! Ma, Babai ba kothaye gelo! Hariye na gelei holo. Why do I have to keep managing and controlling my entire family like nursery kids!” Amrita was feeling very grumpy and bumpy as the Gondola swayed and swerved into the water bylanes. The family had brought just one mobile (which was in her bag and out of charge). She craned her head 360 17


degrees for the last time to convince herself that she was the only one in this Gon‐ dola–rest of the family had indeed disappeared. Maybe she was literally fuming like a volcano, because a faint stream of fly ash was coming out of her nostrils from the mask with frequent sparks of fire. Suddenly she felt a cool breath on her shoulder. Someone whispered to her, “You have a very nice mask, do you mind if I take few pictures?” Amrita turned around and saw a man with curly hair and olive oil skin sitting almost back to back on the same bench, beaming at her charmingly. He had taken off his mask and it was hanging from his neck along with a camera with uncov‐ ered lens. He had a strong Italian accent and was somewhere in his early 30s. He tipped his cowboy straw hat and said enticingly, 'Ciao Bella, I am Enrico'. Amrita's bare fingers holding the seat must have given him ‘some’ impression. Seemingly, they were the only 'single' passengers, everyone else had clustered in pairs holding hands in the swaying Gondola. She nodded, as he was still waiting for an an‐ swer. He clicked couple of photos from various angles. Her face was still hidden behind the mask, so she didn’t mind at all–being shot with a golden feather gleaming in the misty Sun. Then she slowly lifted her mask and Enrico helped her free the golden feather entangled in her long hair and earrings. Amrita didn’t miss the look of approval in his soft brown eyes. Suddenly she felt like Vidya Balan, shooting a film with an Italian actor in a Venetian setting. After few seconds of awkward silence, Amrita looked at Enrico's camera and a thought struck her. Her hand promptly dived into her side bag and her fingers grabbed the videocamera. Enrico, beamed once again when she smiled and asked him to re‐ cord her and the Gondola ride. She gazed into his eyes through the lens and smiled for the umpteenth time. The Gondola took a U turn and slipped behind the 13th century building Fondaco dei Turchi. Aranya: “It’s almost half an hour, I need to go to the ticket counter and get my money back for unused tickets. How would I know whom to follow – and how could Amrita leave without me and not keep her mobile switched on?” Aranya's temperature slowly came down as he finished drinking a can of Budweiser and then he ordered a cappuccino after looking at his wrist watch. He lifted his hands on the table and looked around the cafetaria, in San Marco's Piazza. The Basilica was almost hidden behind bamboos (restoration work was going on). He looked at the dome and remembered that Mother Sen was saying something about Byzantine architecture the other night during dinner. Aranya looked at it and frowned and kept staring at the dome with a puzzled look. A flock of pigeons flew above the square. Few Bangladeshi men trying to sell red roses with cards for 5 Euro; thankfully spared him–maybe because he was sit‐ ting alone in his table. A distant symphony of violins drifted to his ears and he recog‐ nised the tune as the one which Amrita had saved as her ringtone in his mobile–the Venetian tune, Ronde Veneziano–Amrita's favourite! He sipped his cappuccino and sighed slowly. Ten or fifteen minutes had passed when Aranya suddenly noticed some 18


men, dressed in orange overalls and green jackets, placing long wooden benches along the Piazza. Maybe a fashion show would be staged later in the evening? Sirens were heard all over simultaneously. He asked the waiter what was happening and if a curfew had been announced? The waiter explained that ‘The Tide’ was coming— the siren just warned them of that. First he heard it as a not so significant news, scrolling at the bottom of the screen, then suddenly it became a Breaking News. He asked again, “What, what did you say? Tide? And what is the purpose of these benches? What! So that people can walk on them when the San Marco’s Square gets flooded by sea water? What, in just an hour’s time?” Why didn’t Lonely Planet write about it in this booklet and he flanked the travel guide booklet on the table. The Italian waiter laughed and touched his shoulder and said soothingly, “Allora Signor, it is just the sea and it is a regular thing, no Tsunami you know” and in one sweep he picked up the emptied cappuccino cup and the punched beer can and said 'Grazie' for the tip which Aranya had left by mistake, and vanished in‐ doors. Drops of sweat beaded Aranya’s upper lip. The waitor had just informed him about Venice's Acqua alta (high water) when the lagoon water level rises above the level of the squares and streets…..flooding them. Acqua‐ alta usually lasts a few hours and coincides with high tide. Mother Sen: She slipped her mask to her head like a cap after a while and lowered her hand and let her fingers touch the warm, green Venetian lagoon water. The Gondolier was whistling a foreign tune which was very catchy and resembled a Bollywood song. She gazed upward and saw strings of rope connecting houses on both sides of the bank, with clothes flipping in the wind. She looked at the ruined building round the corner with huge rust col‐ oured wrought iron gates–beyond which if someone stepped ‐ would land directly into the sea! She watched it with awe as it came closer. She sighed with content‐ ment and thought of her class—last month they had enacted Shakespeare's 'A comedy of errors' and won the first prize at state level. She had rehearsed with her class for three months at a stretch...how happy they all were when the prize was announced... The boat swayed a bit, as a small wave hit them and a rain drop brushed against her cheeks. Mother Sen suddenly realised that her entire hand was now wet and not just her fingers. Immediately, she pulled out her hand from the water. She hooked the red polka dotted umbrella on the edge and held on to the other end tightly–she was enjoying every moment of this Gondola ride. Infact she was already thinking of a play for the next Teachers Day competition–The Merchant of Venice! Between, was the water rising? Father Sen: After wandering for almost half an hour in the Piazza he felt tired and sat down on a bench–a nearby restaurant was selling pizza and he looked in that direction longingly. Last evening, at Mamoni’s insistence, he had ordered a Venetian specialty ‘Black Squid Risotto’. Although it was tasty, the thought of squid 19


ink floating in his stomach was enough to empty the bottle of Pudin Hara, later in his room. He now longed for some ruti‐torkari or a pizza atleast. Father Sen, wondered if an 'open theatre' would be staged that night at the Piazza–with the row of wooden benches which had suddenly appeared from no‐ where. That is when he realised that his leather shoes were wet and the sole was dripping with water. Immediately he lifted both his feet on the bench and stood up quite shocked. Almost few inches of water had seeped into the Piazza from the sea. It had not rained, so it must have come from the sea. The sea level was higher too! He looked at the vast open green sea and watched it slowly marching towards him in slow motion. Strangely–there was no commotion. Casual pedestrians walked on the benches wearing knee length rubber boots, faded from regular use–with no hint of surprise or apprehension. The Gelateria man had moved closer to the Clock Tower and was still selling ice creams. Father Sen panicked and quickened his pace to the point from where the Gondolas had left. Surely they would return any mo‐ ment now, almost an hour had passed! Images of the Tsunami in Fukushima started tormenting him gradually. Amrita: Amrita had joined the group of couples reluctantly with Enrico. The Gondolier had advised all to hold hands and not get scared–he was maneuvering the Gondola towards the bank in haste, muttering something about a wrong weather forecast–he had heard the siren, and there was no mistaking that the tide was coming. Enrico's shoulders were almost touching hers as he continued recording her and the turbulent sea, from close up. Amrita, tried to seep in the beauty despite the tension. She couldn’t. After couple of minutes she still remained tensed and perky. Whereas, Enrico, sat there with gleaming olive oil skin, almost oblivious to the whole situation. How could he? He said, that the sea didn't frighten him—that 'tide' was just the name of a washing powder and nothing else–so he kept hum‐ ming and listening to his MP3 and recording in his own pace. Some of his non‐ caring easy going attitude was slowly rubbing into her. Curiously, it made some of her fear dissipate. Amrita remembered the paper boats her mother used to make for her, so that she could float them in a plastic balti–when she was a young girl. She would often drop an ant from the kitchen wall into those paper boats and watch it strug‐ gle and sink or float. Today, she suddenly felt like one. A single tear smudged her supposedly waterproof eyeliner. Slowly she was losing all control and found it quite relaxing to just give in. She closed her eyes and floated with the Gondola. Enrico kept recording her. THE FAMILY COMES TOGETHER One by one, three long shining black Gondolas with golden edges came into view. The Gondoliers–busy chatting to each other in sing‐song Venetian dialect helped the passengers step onto the wooden benches. Aranya found Father Sen 20


standing on a wooden bench with his hands on his waist. Both were just too happy to find each other and lodged into the joint effort of finding their women. Within few minutes, they spotted a red polka dotted umbrella upside down floating in the water. There was no distinct coastline; sea and bank were the same. A woman with her arms extended was trying to fish it out. They called out to Mother Sen. 15 min‐ utes had passed when Amrita finally spotted the trio standing on benches searching other Gondolas. She waved at Enrico who disappeared in the crowd and walked towards the family with a red rose in hand and a card which said: 'Ciao Bella, your gondogole gondola guy – Enrico Bose'. Yes, the last bit of information had come as a surprise to Amrita.  To see Amrita's Venetian video click on this URL: http://youtube/2Ktj5riI‐oU

21


22


Featured Article from Guardian Wealth Management Ben Hardy Senior Manager & Financial Consultant Guardian Wealth Management Mob: 0041 (0) 786 155 847 Email: ben.hardy@gwm-intl.com Web: www.gwm-intl.com your financial consultant should be no different.

When I was approached by my client Mr Rajat Bhattacharya to become in‐ volved in the Swisspuja celebration of Durga Puja, I felt honoured to be given this opportunity. The Durga Puja festival represents the thriving Bengali community that we have here in Zurich and across Switzerland. The huge effort, time and resource contributed by Swisspuja, a voluntary, non‐ profit‐making organisation is admirable; we have a number of clients from the Bengali community, so we were more than happy to help sponsor the celebrations. We would recommend that people join as many Societies and cultural events run by their fellow countrymen as they can. This helps newcomers settle into their new surroundings and is particularly important where families are in‐ volved, and inevitably makes the ‘expat experience’ that more rewarding. As a trusted independent financial planning and advisory group with offices all over Europe and the Middle East, we have huge experience in helping interna‐ tional workers create holistic financial plans to achieve their financial aims and am‐ bitions. We are often asked for our advice on the less obvious financial issues when moving abroad as well. As a team, therefore, we have come up with our ‘Top Ten Tips’ for international workers, including how to avoid some of the mistakes com‐ monly made and incorrect perceptions held. We are pleased to be able to share them with you here. Guardian Wealth Management’s Top Ten Tips for international workers. 1. Don’t underestimate the cost of living One of the biggest mistakes made is to underestimate just how much it may cost to live in a new and unfamiliar country. The danger is that in their preparations people tend to budget for food, utilities and other essentials on a like‐for‐like basis with their home domicile. Countries such as Switzerland, for example, can be far more expensive than other countries and it is not until the bills start coming in that the differences become apparent. Our advice is to assume you will need far more than planned for in your original budget and to put some money aside for emergencies. 23


2. Don’t underestimate moving costs Putting together a budget for the move overseas is essential‐but factor in that between budgeting and moving there may be external changes, such as in foreign exchange rates and local cost‐of‐living increases. One area where people can often be caught out is in the numerous one‐off and fixed costs, such as legal services, expenses around property purchase or rental, local administration costs and peculiar taxes (more on this below), that can rapidly diminish even the most carefully calculated of budgets. 3. Don’t live the high life One of the things we have noticed is that when people first arrive in a new country, particularly if it is their first contract or posting abroad, the new and excit‐ ing surroundings often put them into ‘holiday mode’. For the first three to six months they want to absorb the culture and the bright lights of their new country of residence and they can spend money like they are on holiday. It is important to budget well and ensure you are not living beyond your means. 4. Factor in exchange rates Exchange rate fluctuations are an obvious factor but where people often come unstuck is where they have regular withdrawals for fixed payments in their home domicile, such as mortgage payments and other bills on any property they own at home. A strategy here is to look to see if a fixed rate of exchange can be obtained over a six to 12 month period so that your budgets are not wildly affected. 5. Don’t be caught out by local taxes Tax systems vary quite considerably from country to country (as do the legal systems). This can especially affect people moving to work abroad in Europe, where some countries have harsher tax systems than in a person’s home country. For in‐ stance, income in the Netherlands is subject to payroll tax as well as personal in‐ come tax, while countries like Spain have lower income tax but far higher capital gains tax. A firm with knowledge of the local tax systems around Europe or who partner other professionals in the field can give you advice. 6. Will writing While many expats will have written a Will in their home country this may not be recognisable in their new country of domicile; and so arranging a Will that is valid in your new country is essential and can easily overlooked. Guardian Wealth Management is proud to partner Irwin Mitchell, an award winning leading UK based Law firm with a wealth of experience in the delivery of high quality legal advice and a broad portfolio of services, including will Writing. 7. Having an appropriate bank account Make sure you set up bank accounts in the country in which you want to make domestic payments, such as for utilities. Not to do so could see you paying excessive and unnecessary bank charges. For regular international payments an offshore bank may offer advantages. 24


8. Inform your home tax agency A common mistake people make is forgetting to inform their home tax office of their non‐domicile status. This can easily lead to an individual being sought after for tax in both countries – a situation you definitely want to avoid! To benefit from any tax advantage from moving abroad it is important to have the right financial and accounting advice. 9. Life insurance cover Most life insurance policies written in home countries may provide limited or no cover at all outside of that country. It is important that anyone working or living in a new country reviews any insurance policies they may have in place to ensure they properly cover them both for their new domicile as well as for their individual needs. Insurances to consider are: term assurance (life cover), serious accident, critical illness, private medical insurance and financial pro‐ tection such as family income benefit. It pays to review your policies on a yearly basis in any case to account for any changes in circumstance – increased financial responsibilities, marriage, children, etc. Here insurance plans created specifically for international workers and non‐ Testimonial from Mrs. Kamalika Chakraborty & Mr. Rajat Bhattacharya “We have been utilising the investment advisory services of Guardian Wealth Management since 2009, and have found the same to be professional, beneficial and com‐ pletely focused on our long term financial goals and risk appetite. Specifically our experi‐ ence with Ben Hardy, our trusted financial consultant from Guardian Wealth Management has been most reassuring during the recent testing times of recession and economic vola‐ tility. Ben has done his utmost to successfully safeguard and grow our investments. We would highly recommend Guardian Wealth Management and Ben Hardy to any expatriate looking for professional investment advice and services.”

residents can be a boon, in particular if you know you may be moving from one country to another. Guardian Wealth Management can provide expat life insurance packages through the Life Protector Plan, in association with Global Benefits Europe. De‐ pending on your requirements, Our Life Protector Plan can offer standalone life cover, personal accident cover, or a combination of the two if you wish. 10. Review retirement options A common problem for international workers, as they move around, is that they have no core investment plan, which is internationally transferable, or a per‐ sonal strategy by which they save effectively for the long term. Instead they tend to accumulate fragmented assets, which is further compounded by the possibility that they will move again overseas. By and large, international workers can command higher salaries and it is essential that a proportion of wealth be appropriately structured for your long‐term 25


financial security. At the same time you may have pensions from old jobs it is essential that a proportion of wealth be appropriately structured for your long‐term financial security. At the same time you may have pensions from old jobs or which are privately funded that can be more efficiently consolidated into a single policy. An experi‐ enced international financial adviser can talk to you about the right strategy for your pen‐ sion and future financial security. In summary, living in a new country can prove daunting as this often means adapting to new laws, regulations and tax systems, as well as the cultural differences. Having the services of a regulated financial planning and advisory firm and a qualified financial consultant that you can trust can save you a lot of stress, inconvenience and money. The world of wealth management moves rapidly and with constant updating of products and services available, it’s easy to become confused by this complex subject. However, there are certain levels of service that you should not have to compromise on. For instance, your financial consultant should provide you with a bespoke com‐ prehensive wealth management plan to be regularly reviewed – this will allow for both yourself and your consultant to create a strong foundation and offer focus and direction for your on‐going relationship. It is reasonable to expect you’re consultant to be qualified and have up‐to‐date training to ensure that they’re able to provide relevant advice. Above all else, clear communication and transparency is the hallmark of good financial advice Your consultant should make it clear to you exactly what you’ll be paying them in fees or commission, and any other ancillary costs that may be incurred. Communication is a vital aspect of any successful relationship and the relationship with financial consultant should be no different.

GO GREEN

Every

festival generates great volumes of non-

environment friendly waste. During Durga Puja a lot of such unnecessary and avoidable waste is generated. This year our attempt is to reduce the volume of waste generated. To achieve this, we would limit the use of plastic plates and glasses. Hope you all would participate and cooperate in this cause. So, lets join together this Durga Puja with this eco-friendly mission. http://www.swisspuja.com 26


দু িট কিবতা পৰ্দীপ্ত পাল (১) যখন রািতৰ্ নােম, আকােশ একফািল চাঁদ সব্প্নগ‌ুেলা িনেয় সামেন আেস, নরম ঠান্ডা এক শরীরেক ছু ঁেয় যায়, চাঁেদর িদেক তািকেয় েদখেত েদখেত ভািব, পুরেনা েসই িদেনর কথা িক েপলাম, িক হারালাম জীবেনর িনিক্ত যখন মাপেত থােক তার িহসাব ইেচ্ছ হয় িফের যাই েসই িদনগ‌ুেলায়, যখন রেক্ত েমেশিন িবষ েধাঁয়া, জিটল পয্াঁচােলা সরু গিল িদেয় হাঁটেত হয়িন, শ‌ুধু চাঁেদর চড়কা কাটা বু িড় গল্প শ‌ুিনেয়েছ তখন....

(২) েতামার সেঙ্গ েপিরেয় যাব একলােফ ওই আকাশটােক েদখেত যাব েকমন কের সূ যর্ নােম নদীর পােট, েকমন কের ঝণর্া নােম পাহােড়র ওই গা গিড়েয় বরফ গলা জল শ‌ুধু নয় মুেক্তাও িক আেছ ওেদর মােঝ? তুিম িক েদখেত যােব নীল িদগন্ত কাশবেনর পােড়, সূ যর্ যখন এক থালা লাল, মাখেব েস রং দু 'হাত ভের েতামায় িনেয় েপিরেয় যাব এক ছু েট ওই মাঠটােক ধরেবা ফিড়ং, পৰ্জাপিত উিড়েয় েদব নীল আকােশ, আকাশ জুেড় েমঘ কেরেছ, বৃ িষ্ট এই নামল বেল েতামার সেঙ্গ িভজেবা বেল ময়ু রটােক আজ এেনিছ েডেক, েমঘ েকেটেছ, েজয্াত্স্না এখন েতামার মুেখ, গাইেব শ‌ুধু দু -এক কিল, েজয্াত্স্না নামেব মািটর বু েক।

27


Wounded Silence Aakash Bhattacharya The strange silence in the frenzy mob, the distant cries fading, looks of despair and then the morning sun. In the middle of nowhere I lie in a pool of blood and corpse. I am not sure if I am dead. I see the distant horizon kissing the blue dazzling crystal. The sapphire and ruby studded sea of death is keeping my hopes alive. Hope to live my life, hope to love my life! The only thing I remember is how much I condemned my life, my job, my sal‐ ary, my car, my home, my everything and I was never happy. I always wanted to scale the heights of success and was tricked by material happiness in its course. Now I see the blue sky and flying birds mocking me and flying high. The white pearly clouds look like a folk of sheep grazing in a blue meadow. The earth seems up‐ side down to me. I was otherwise known for my punctuality because time was money for me. But now I have learnt that time is created by us to destroy our inner self and count our grey hairs; even more, fate less people like me do not get to see the grey hairs in one life. Now I realize that this is the time I should have been with my kid playing in the backyard and waiting for my wife to show her culinary expertise instead I am fighting with eternity to see the other end of the horizon. The Omega, Gucci and i‐toys are sinking deep in the sea showing us how naive material objects are at the mercy of nature. We create these luxury items to befool us and create a devil’s lair, where we find solace in boasting our exploits and now when this bubble of fiction has been pricked by the dagger of reality I see what life means to me. I saw the man living on a footpath with his wife and two kids eating a piece of bread and some vegetables, barely cooked; now I envy him. The street dogs chasing after my car; may be they saw the devil loitering near me. The carpenter envying my big car whilst toying with his saw. The street cricket interrupted by my car and I was feeling so dejected by the unwanted delay and the foolish act of some directionless youths. The old street beggar somehow warned me by jumping in front of my car but I was “Unstoppable”. But I am not the maker of my destiny. This life is a predefined se‐ ries of acts and none can really defy this fact. Or can we? Let me go back 3 years, no 6 years. I was a happy man with a wonderful wife and a 1 month old baby boy and earn‐ ing handsome salary. Life never felt better. We had so many friends and dinner parties; a trip every 6 months to different parts of the world. What more can we ask for? And this is where things went wrong, we asked for more, rather I asked for more. I was obstinate and would go to any measures to get what I am aiming for and this quality was appreciated (exploited) by my seniors and they started sharing responsibilities, which meant frequent tours and extended working hours. 28


Suddenly in a years time I found my small baby boy growing three times more. Yes he was 3 and I barely realized it. For me it was like a single year of my career with unlimited growth and fame. I saw myself alone at times, no friends, no parties, no personal trips, no time for family. But I was too selfish to realize the effect of my act on my family with the alibi that I am earning for them. In the course of life I was warned by my good wish‐ ers to look back as what I was leaving behind to seek a better future. But no I was an aimless warrior with the dream to capture the Universe. Why I became the man I am today? Peer pressure? Exploitation? Ambition? Dreams? May be a combination of all? Is there something wrong with this system? I was moulded into a different individual from what I used to be. A selfless friend to a selfish person, caring son to a self centered businessman, loving husband to an aspiring entrepreneur and a dad to a butcher who butchered every tiny happiness of one’s child. Biologically, I am the same person, then why this transformation? Should I have been coping better with the peer pressure and became less ambitious and dreamt differently then I should not have been exploited and transformed. But why not every single individual become me? The reason is simple with ambition you need qualities and some how I was unlucky to possess the same. I have never dreaded so much in my entire life for the person I am. I was always suffering from superiority complex about my self and my capabilities. Yes that’s the reason I may have hated the life I was living and always aimed higher. Because I thought I belong there. But ‘there’ is actually a void which I do realize now. Where did it go wrong? Can I term my act of being career oriented as wrong? If I was a less successful man and was run over by a bus should I have been happier to die? Then I should have had thoughts about the material happiness I have missed in my life. What life should I have lived to give me a peaceful death? A term as a balanced life is not possible with 24 hours in a day. 8 hours sleep, 3 hours of eating, socializing and transportation time, 10 hours of work and 3 hours at home where I belong? So where is my ‘me’ time to actually evaluate my life? Now the hours mentioned are never like shown above. Either we are delayed by traffic or we have a deadline to meet so more working hours or extended hours in business lunch and dinner. So we are taking time from only one slot remaining, our family and home. Did this ever happen that your family need you for no emer‐ gency but for emotional reasons and you are shuffling the time around in a different order? I doubt not. May be we should do this, just for no reason stay and relax with your family and enjoy the magnificent bonding. 29


This does not mean that we should neglect the responsibility we have been assigned at workplace. Just that we need sometime to find who actually we are and come out from the whirlpool of the fast paced life. I believe this is where I went wrong and I kept on being sucked by the whirlpool and now I am at the end of this vortex realizing what I have lost. In Harry potter I read about Dementors sucking life and happiness and now I realize it is actually our system and our act that has nurtured the Dementors of mortal life to exist and feast on our soul. There is always an ‘I’ in all of us who wants to destroy the ‘me’. But if we just find time and do what we like the best and enjoy time with our family may be we can still live a happy life and not repent. Now I see the sun bade bye and welcome the queen of night. The eerie si‐ lence everywhere coupled with the shrieks of some unknown creatures, dizzy eyes, trembling lips, faint vision and the happy memories from the graveyard of my mind is what will give me company for the unknown journey beyond the horizon.

Lets make our footprint as an organisation by establishing a permanent place for us for conducting the Puja.

This does not happen by a click… but it does when...

together we THINK..

together we DREAM…

http://www.swisspuja.com

30


ডােয়রীর পাতা েথেক: ছড়ােনা-িছেটােনা শৰ্ীপণর্া বয্ানাজর্ী বাড়ীেত েছাটেবলা েথেকই ভাইেবােনেদর েভতর আিম-ই হলাম িগেয় সবেচেয় ওই ‘ইেয়’ টাইেপর, মােন েযখােন যত দু ষ্টুিম, সব জায়গায় এই পান্ডা! আিম আবার উত্তর কলকাতার েয ইস্কুেল পড়তাম, েসখােন িদিদমিণরা মােন ওই মাথা নয্াড়া করা সন্নয্ািসনীরা শপথ িনেয়িছেলন েমেয়েদর ‘আদশর্ বািলকা’ কের তুলেবন৷ আিম হলাম িগেয় েসইসব আদশর্ বািলকােদর েভতর একিট ‘sample’! েছাটেবলায় তারজনয্ ইস্কুেল কম আমার মা-এর ডাক পেড়িন! একবার ক্লাস ওয়ােন সারা ক্লাস েচঁচােমিচর জনয্ শািস্ত েপলাম৷ লাস্ট িপিরয়ড তাই কান ধের দাঁিড়েয় থাকেত হেব৷ আমার আবার েসিদন িকনা মািসর িবেয়৷ ইস্কুল ছু িটর পর-ই যাব৷ মা িনেত আসেবন, সােথ িবেয়বাড়ীেত পরার জনয্ নতুন জামা িনেয়৷ আমার েতা এেকবাের ফূিতর্র পৰ্াণ গেড়র মাঠ! ছু িটর ঘন্টা পড়ল৷ আমােদর শািস্তর ক্লাস-ও েশষ হল! আিম ভাবলাম, যাক্ বাবা, বাঁচা েগল! এবার তাহেল জলিদ েবেরাই! েবশ একটা লমব্া দম িনেতই বয্স্…! েকােত্থেক একজন িদিদমিণ িঠক েদখেত েপেলন আিম নািক েহেসিছ! আচ্ছা, আমার িকনা েসই েছাটেবলা েথেকই হািসহািস মুখখানা! িক িবপদ ের ভাই! হেয় েগল, সবাই েবিরেয় েগল আর আিম ভূ েতর মেতা আেরা একটা িপিরয়ড দাঁিড়েয় রইলাম! মােন েমাদ্দা কথা হেলা, একটা িপিরয়ড দাঁিড়েয় েথেকও িক েকােনা আত্মসমােলাচনা করার সিদেচ্ছ েনই েতামার মেন? পৰ্িতিদন-ই স্কুলবাস-এ যাই, েসিদন-ই িকনা মা এেসেছন! বয্স্ আর যাই েকাথায়, মােক বােগ েপেয় িদিবয্ নািলশ ঠু েক িদেলন ওই েগরুয়াধারী সন্নয্ািসনী! ইস্কুেলর বকুিনর পর তারপর মা-এর কােছ েসিদেনর quota-র বািকটা েশষ হল। এরপর যখন ইস্কুেল হাফ-ইয়ািলর্ পরীক্ষার পর এেককিদন এক-এক কের খাতা েবেরােতা, আিম েতা বাড়ী িফেরই িনিদব্র্ধায় highest marks কিমেয় বলতাম৷ আর নয়েতা অনয্ েসকশেন, আমােদর েসকশেন েতা সকেলর এরকম-ই হেয়েছ৷ মা েবচারী এখেনা েবাধহয় জােনইনা েসসব খবর! রান্নাবান্নার েতা ধার িদেয় যাইিন কখেনা! লমব্া ছু িটর পর স্কুল খুলেলই আমার কেয়কটা বন্ধু িদিবয্ স্কুেল এেস তােদর রান্নার কেয়কটা নমুনার গল্প েশানাত ! আমার অবশয্ তােত িকছু এেস েযত না, আিম তােদর বলতাম পাড়ার দাদােদর সােথ েকমন িকৰ্েকট-টা েখেলিছ এবার৷ আমার মা-এর যাও বা একটু রান্না েশখােনার ইেচ্ছ জাগেতা মেন, আিম তখিন বলতাম রান্নাঘের এবাের একটা ফয্ান লািগও! িকংবা তখিন ছু িটর পড়া গ‌ুেলা েশষ করার অদ্ভুত একটা তািগদ জন্মােতা মেন! মেন হেতা এই এক্ষুিন পড়েত না বসেল সব পড়াগ‌ুেলা বািক েথেক যােব৷ সু তরাং েসিদেনর মেতা রান্না েশখার সমািপ্ত! তাছাড়া অবশয্ এইসব বয্াপাের সবসমেয় আমার কাকা-েক পােশ েপেয় েযতাম৷ আমােক রান্নাঘের েদখেলই েভেব িনেতন, এইবু িঝ েদশলাই বা বঁিটেত আমার হাতটা েগল বেল! ঘর আেলা কের একমাতৰ্ েমেয়, েস িকনা হাত পুিড়েয় রান্না করেব? পের েতা েসই করেতই হেব! সু তরাং এ-যাতৰ্ায় ‘েমেয় জন্মটা িনছকই সু েখর!’ আমার িবেয়র িদন পযর্ন্ত আমার িপসতুেতা দাদা আমার বরেক বেলিছল, ‘এখেনা সময় আেছ, িপছন দরজা িদেয় পালাও!’ আমােক নািক িবেয়র পের বাড়ী বেয় এেন েফরত িদেয় যােব, বাড়ীেত িনেত না চাইেলও বলেব ‘কটা টাকা েবশী িদিচ্ছ িপ্লজ আপনারা এেক েফরত িনন!’

31


এেহন আিম িবেয়র পর-পরই শব্শ‌ুরবাড়ীেত েবশ নাম েকনার জনয্ বেল বসলাম, ‘িঠক আেছ, আমার েকােনা অসু িবেধ েনই, আজ নাহয় মাংসটা আিম-ই রান্না করিছ৷’ রান্নায় েয এেকবাের ‘মা লক্ষ্মী’, েসিবষেয় অবশয্ আেগই ইনফরেমশন েপেয় িগেয়িছেলন সবাই আমার মা-এর েদৗলেত ! েবশিকছু িদন হেস্টেল থাকাটা একটা িদিবয্ সিলড অজুহাত িহেসেব েদওয়া িগেয়িছল আরিক ! তবু এইরকম একটা আত্মিক্ত িক েকউ বৃ থা েযেত েদয়? তখেনা পযর্ন্ত েমােট একবার িচেকন রান্নার অিভজ্ঞতার ওপর ভরসা কের মাতিঙ্গনী হাজরা এিগেয় েগেলন৷ িকন্তু এ িক কাণ্ড! এেতা িচেকন নয়, মাটন্! এটা আবার েকমন কের রান্না কের? তারওপর এটা কত িকেলা হেব? আিম েতা বাড়ীেত দু -িতনজেনর জনয্ কেরিছ, এেতা পুেরা দশজেনর! েহ ভগবান, খাল েকেট কুমীর আনা েবাধহয় এেকই বেল! িনেজেক েতা যারপরনাই দু ষিছ তখন৷ আবার মুেখ িকছু েদখােনাও চলেব না৷ Prestige বেল েতা একটা বয্াপার আেছ নািক! সেঙ্গ সেঙ্গ িফসিফস কের েফান চেল েগল মােয়র কােছ৷ মাটন্ েয েপৰ্শারকুকাের েসদ্ধ করেত হয় েসই আইিডয়াটাই িছল না এর আেগ! যাইেহাক, েকানমেত েস যাতৰ্ায় উতের েগলাম৷ মােন distinction েয পাইিন, েসটা অবশয্ সকেলর মুখ েদেখই বু ঝেত েপেরিছলাম৷ এখেনা েশষ হয়িন আমার গেপ্পাটা৷ এই িকছু িদন আেগ, বােনর্ আমার িডপাটর্েমেন্ট আমার colleague-েদর হঠাত্-ই Indian Dessert েখেত ইেচ্ছ হল৷ এক অকালকুষ্মাণ্ড, ইিণ্ডয়ােত িগেয় নািক দারুন িমিষ্ট েখেয়েছ, তাই েস এখন িমিষ্ট খােব৷ তা ইেচ্ছই যখন কেরেছ, যাওনা বাপু, Aggarwal-এ িগেয় িকেন খাও! আমার মাথািট খাচ্ছ েকন? আিম িকনা জীবেন একখানা িমিষ্ট-ই একটু বােগ আনেত েপেরিছ, েযটা সবেচেয় ফাঁিকবািজ িদেয় চালােনা যায়! ইিণ্ডয়ান েদাকান েথেক Gits-এর পয্ােকট েকন আর বানাও ! একবার অবশয্ িশমুই-এর পােয়স টৰ্াই কেরিছলাম, িফৰ্জ েথেক েবর করিছ যখন, বাড়ীরর েগস্ট হঠাত্ উত্ফুল্ল হেয় বেল বসল, ‘দয্ােখা কাণ্ড! আবার আইসকৰ্ীম-ও কেরিছস? এতসব েকন করিল? বাচ্ছা েমেয়!’ হা হতিস্মন্! েনহাত কথার েশেষ ‘বাচ্ছা েমেয়’-টা জুড়েলা বেল মনটা একটু হাল্কা হল! তা যাই েহাক, েয কথা বলিছলাম, অগতয্া একটু িনমরািজ হেয় ঘাড় কাত্ কের হয্াঁ কের িদলাম পরিদেনর àpero-েত Indian Dessert হািজর হেব তােদর রসনা েক তৃপ্ত করার জনয্৷ এ েযন এক অদ্ভুত েদশেপৰ্ম, হালিফেলর আনা টুিপ ছাড়াই! Indian Dessert-এই আিম ইিণ্ডয়ার ফ্লয্াগটা একটু নািড়েয় েদেবা েযন ওেদর সামেন!একটা বেড়া bowl-এ যখন গ‌ুলাবজামুন গ‌ুেলা একসােথ েরেখিছ, সু ইস েলাকগ‌ুেলার েস িক উত্সাহ ! কতক্ষেণ খােব ! এরই েভতর আমার

32


বস্ িদিবয্ একিট ঘন্টা ধের আমার মাথািট েখেয় চেলেছ তার আনা িবিভন্ন রকেমর চীজ-এর ইিতবৃ ত্ত শ‌ুিনেয়৷ েকান চীজ েকান জায়গার, েকান গরুর দু ধ েথেক বানােনা, কেতা িদন ধের রাখা িছল, িকভােব রাখা িছল, ইতয্ািদ..ইতয্ািদ৷ তারপরই হঠাত্ বেল বসল ‘এই dessert টা িক েথেক ৈতরী?’ আিমও ফস্ কের বেল িদলাম, ‘দু ধ েথেক৷’ তারপেরর পৰ্শ্ন সাঁ কের ছু েট এল৷ ‘েকান দু ধ?’ আমার েতা আর চীজ-এর মেতা এেতা তথয্ জানা েনই ভাই! আিমও িনিবর্কাের বেল িদলাম, ‘এটােতা নরমাল Migros-এর দু ধ৷’ েযই না বলা, সবাই েদিখ মুখ চাওয়াচাওিয় করেছ, বু ঝলাম েয একটা তুমুল ছিড়েয়িছ, চাকিরও চেল েযেত পাের! এই িকনা বু িদ্ধ, বেল Migros-এর দু ধ! Fraction of a second এ আবার বললাম, ‘মােন হেচ্ছ.. ইেয় মােন, Migros এ েয cowmilk পাওয়া যায়, েসই দু ধ!’ একবার বাঙ্গালী একটু কলার েতালার সু েযাগ েপেয়েছ আর িক ছােড় ! Ultimately summary টা যা দাঁড়ােলা, Gits নামক েকােনা েকাম্পানী আবার ভূ ভারেত আেছ নািক? েস ওরা িকছু েতই বু ঝেতই পােরনা, েকমন কের দু ধ েথেক এইরকম েগাল-েগাল েশপ টা হেলা! েবশী বু েঝ আর কাজ েনই ভায়া, এই যিদ আমােক এখন এক গামলা দু ধ িদেয় বেল এবার বানাও, তার উত্তের আিম িক িক বলব েসগ‌ুেলা মেন মেন ছকেত শ‌ুরু কের িদেয়িছ ততক্ষেণ! েস যাতৰ্ায় েসিদন েবঁেচ েগিছলাম! তেব সু েখর িবষয় হেলা, এরপের আবার একিদন ওরা আমােক বেলিছল িডপাটর্েমন্টাল িপকিনেক ‘Milk-ball’ খােব! হায়ের েপাড়া কপাল, একদা মুঘলেদর েসই িপৰ্য় গ‌ুলাবজামুন েয অবেশেষ ‘Milk-ball’-এ এেস েঠঁেকেছ, তা যিদ তাঁরা জানেত েপেতন!

33


কাঙােলর অশৰ্ুেত েয রক্ত ঝের দাগমার দাশগ‌ুপ্ত (সব্ামী পৰ্বািস বাঙািল, িকন্তু এই জামর্ান িশল্পী (েলিখকা) বাংলার গৰ্াম আর তার মানু েষর পৰ্িত এক দায় িনেজই সৃ িষ্ট কের িনেয়েছন। েস দায় ভালবাসার। আর তাই মােঝ মােঝই িতিন আেসন এ েদেশ, দীঘর্ সময় কাটান। বাংলার গৰ্ােম, আর েদেখন।) “কাঙােলর অশৰ্ুেত েয রক্ত ঝের ভগবান, েদেখও তুিম েদেখা না।”

পৰ্থম দৃ শয্: মিণপাড়া রায়গঞ্জ েমেঝেত পেড় থাকা ছিবেক (২৬) েদখেত েদখেত আিম এই গানিটর কথা না েভেব পারলাম না। আজ রােত ও তার পঞ্চম সন্তােনর জন্ম িদেয়েছ। েমেয় হেয়েছ ওর। ছিবেক িবধব্স্ত েদখােচ্ছ। ওর মুেখ এক টুকেরা ক্লান্ত হািস ফু েট উঠল। েবাঝা েগল আমােক েদেখ ও খুিশ। ও আঙু ল িদেয় বাচ্চাটােক েদখাল। আিম একটু ঝুেঁ ক বাচ্চাটােক আদর করলাম। েছােট্টা একটা নয্াংেটা পুটঁ ু িল বড় েজার িতিরশ েসিন্টিমটার লমব্া। বারান্দার বাঁ ধাের ছিবর জনয্ েছাট্ট একটা জায়গা েঘরা হেয়েছ। েসখােন ও তার েছেলেক িনেয় থাকেব আগামী ১১ িদন। “শরীর খারাপ, পায়খানা হেচ্ছ” ও বলল দু ঃেখর সেঙ্গ, “লাল িপঁপেড়ও আেছ।” পৰ্সেবর সময় ও ওর মা ছাড়া আর কারও সাহাযয্ পায়িন। আর এখন ডাক্তার ডাকার জনয্ও টাকা েনই ওর। পের আিম ওষু েধর েদাকােন েগলাম, িকন্তু ওরা েকান ঝুিঁ ক িনেত চাইল না। ফেল আিম ওর জনয্ শ‌ুধু কাঁচকলা িনেয় এলাম। এও জানেত পারলাম েয ছিবর বু েকর দু ধও শ‌ুিকেয় আসেছ। েয েকান মােয়র পেক্ষ খারাপ সময় বইিক। েচােখর সামেন ওর দু -িতন বছেরর চতুথর্ কনয্া সন্তানিটর সারা শরীের একিজমা। “ওর িদেক েদখুন, এ-রকম আেগ কখেনা হয়িন।” চতুথর্ সন্তােনর জেন্মর পর ছিবর ইেচ্ছ িছল অপােরশন কের েনয়। িকন্তু ওর সব্ামী নেরন ওেক িনেয় যায়িন। এ-বার ও যােব। দরকার হেল একাই যােব। সু সহ হেয় ওঠার পর ছিব তার বাচ্চােক িনেয় হাসপাতােল িগেয়িছল। িকন্তু েকান কারেণ হাসপাতাল বন্ধ িছল ক’িদন। নেরন একিট েকাম্পািনেত কাজ কের। েকাম্পািনিট কুলীক নদী েথেক বািল েতােল। বু ক-জেল দাঁিড়েয় কাজ কের নেরন। কেঠার পিরশৰ্ম কের ও যা আয় কের তােত না েখেয় মরেত হয় না িঠকই, িকন্তু েবঁেচ থাকার পেক্ষ তা যেথষ্ঠ নয়। বষর্ার েশেষ এখন ও েবকার। মাছ ধরেত যাওয়া ছাড়া এখন আর েকান পথ েনই। মাছ যখন থােক না তখন েকান আয় েনই ওর। “কাঙােলর অশৰ্ুেত েয রক্ত ঝের ভগবান, েদেখও তুিম েদেখা না।”

িদব্তীয় দৃ শয্ঃ ডাকরা/বালু রঘাট এখন রাত নটা। আিম িবছানায় শ‌ুেয় আিছ েগাপাল (১২), পাগলা (৮), আশা (১৪) ও বু িড়েক (৯) িনেয়। আমার ও বাচ্চােদর মােঝ জায়গা রাখা আেছ েগািবন্দর মােয়র (৪৩) জনয্। উিন এখেনা বািড়র দু -একটা কাজ সারেত বয্স্ত। তারপর দরজা লািগেয় আসেবন। েগািবন্দ (২৩) আজ রােত টুয্ইশন েসের িফরেব না। দু বছর বয়েস ওর েপািলও হেয়িছল, তাই অন্ধকাের েবিশ দূ র হাঁটেত পাের না। ও থাকেব বন্ধুর সেঙ্গ। হয্ািরেকেনর গন্ধ আমার সহয্ হয় না, তাই আমরা সবাই িমেল েমামবািতর আেলায় আরােম রেয়িছ। বাচ্চারা ইিতমেধয্ই ঘুিমেয় পেরেছ। আিম উপুড় হেয় ওই বয়ষ্কা মিহলািটেক েদখেত থাকলাম। উিন একটা িপঁিড় েটেন এেন বসেলন। আমরা অেনক্ষণ ধের কথা বললাম। ওঁর সব্ামী যখন আর একিট েমেয়েক িবেয় করার জনয্ ওঁেক তয্াগ কেরিছেলন তখন ওঁর সময়টা খুব খারাপ িগেয়িছল। কত িদন বািড়েত এক দানা খাবার িছল না। কতিদন বািড়েত যা অল্প-সব্ল্প িছল তা বাচ্চােদর খাইেয় উিন িনেজ জল েখেয় রাত কািটেয় িদেয়েছন। ওঁর মেন আেছ কতিদন েগািবন্দ িখেদর

34


জব্ালায় কাঁদেত কাঁদেত স্কুেল িগেয়েছ। এখন েগািবন্দ িনেজও সামানয্ উপাজর্ন কের, তাই বািড়র অবস্থা একটু ভাল। তাছাড়া েগাপাল ও পাগলাও স্কুেল যাবার আেগ বাজাের ধেনপাতা ও জায়ফল িবিকৰ্ কের। “কাঙােলর অশৰ্ুেত েয রক্ত ঝের ভগবান, েদেখও তুিম েদেখা না”।

তৃতীয় দৃ শয্ঃ েহেতেডাবা/দু গার্ পুর “এেসা”, অনু নয় করল মঙ্গলা (১৭), “এেসা, বািড়েত এেসা, েদেখা”। তরুণ বন্ধুিটর অনু েরাধ আিম উেপক্ষা করেত পারলাম না। আিম উেঠ ওর সেঙ্গ ওর বািড়েত েগলাম। েদখলাম ওর বাবা শ‌ুেয় আেছন, তীবৰ্ যন্তৰ্নায় কষ্ট পােচ্ছন। পিরবােরর সবাই হতবু িদ্ধ। ডাক্তােরর কােছ িনেয় েযেত টাকা দরকার। আিম গাঁেয়র মেধয্ েখাঁজখবর িনলাম। মঙ্গলার বাবা েবশ কেয়ক বছর ধেরই কয্ান্সাের ভুগেছন। িতন বছর আেগ ডাক্তার ওেক বেলিছেলন অপােরশন করেত। আিম একটা িরক্সা েডেক ওঁেক হাসপাতােল িনেয় েযেত বললাম। পের দূ র েথেক েদিখ, িরকশা এল গ‌ুেচ্ছর আত্মীয় ও পাড়া-পৰ্িতেবশী মঙ্গলার বাবােক িনেয় েগল। পেরর িদন জানেত পারলাম, েরাগীর আলাদা খাবােরর জনয্ আিম েয টাকাটা িদেয় এেসিছলাম েসটা ওেদর চা-রসেগাল্লা খাওয়ােতই খরচ করা হেয়েছ। পৰ্িতেবশীেদর দািব েফলেত পােরনিন মঙ্গলার মা। িকছু কাল পেরই বষর্া এেলা। সবাই বয্স্ত হেয় পড়ল মােঠ। মঙ্গলার বাবােকও মােঠ েদখলাম। ডাক্তার তাঁেক ছু িট িদেয়েছন যােত িতিন তাঁর পিরবােরর জনয্ টাকা আয় করেত পােরন। চার মাস পের আিম আবার একিদন েহেতেডাবা েগলাম সাইেকেল কের। রাস্তায় েদখা হল মঙ্গলার মােয়র সেঙ্গ। উিন বলেলন, “িক দু ভাগর্য্, মঙ্গলার বাবা আজ রােতৰ্ মারা িগেয়েছন”। “কাঙােলর অশৰ্ুেত েয রক্ত ঝের ভগবান, েদেখও তুিম েদেখা না”।

চতুথর্ দৃ শয্ঃ একিট গৰ্াম বছর িতিরেশর যুবতী েমেয়িট বেস আেছ উেঠােন আমার সামেন। করুণ দৃ শয্িট েথেক েচাখ েফরােত পারিছ না। পরেণ ওর েগালািপ রেঙর শািড়। সারা শরীরটা অিসহ ও চমর্সার। আিম ওেক িজজ্ঞাসা কের িনেয়িছলাম ওর বািড়েত ঢুেক চুপচাপ আমার দু পুেরর খাবারটা েখেয় িনেত পাির িকনা। তখনও আিম ওর অবসহাটা বু ঝেত পািরিন। েকউ একজন বারান্দায় এটা মাদু র েপেত িদেয়িছল। আিম তার উপের বেসই মুিড় েখেয় িনলাম। পেরর িদন আিম যখন মােঠর িভতর িদেয় যািচ্ছ, তখন ওর সেঙ্গ আবার েদখা। লািঠেত ভর িদেয় চেলেছ শহেরর িদেক। দু জেনই ধীের ধীের েথেম েগলাম। হাত বািড়েয় ও বলল, “িরক্সার জনয্ িকছু দাও অেনক দূ ের েযেত হেব, িফরেত হেব”। ও চেলেছ ওষুধ িকনেত। আিম অবাক হেয় ভািব ও এতটা পথ েহঁেট েযত িক কের। কেয়কিদন পের খুব সকােল আিম পােশর গাঁেয়র িদেক যািচ্ছ এমন সময় িতন জন মিহলার সেঙ্গ েদখা হল। “শ‌ুেনছ, রািতৰ্েবলা েমেয়িট মারা িগেয়েছ”। “কাঙােলর অশৰ্ুেত েয রক্ত ঝের ভগবান, েদেখও তুিম েদেখা না”।

পঞ্চম দৃ শয্ঃ অনয্ একিট গৰ্াম “েতামার মা েকাথায়?” পৰ্শ্ন করলাম িতনকিড়েক। িনচু গলায় একটু ভেয় ভেয়ই। েশষবার যখন িতনকিড়র

35


মােক েদিখ তখনই ওঁর বয়স আিশ ছািড়েয়িছল। িবদােয়র সময় উিন আমােক আশীবর্াদ জািনেয়িছেলন।

ঘটনাটা আমার উপর িবরাট পৰ্ভাব েফেলিছল। “িভতের শ‌ুেয় আেছ”, জানাল িতনকিড়।

উিন ঘুিমেয় িছেলন। িতনকিড় আমােক িভতের েযেত বলল। আিম িবছানার উপের বসলাম। িতনকিড় ওর মােক ডাকেত লাগল। আিম এ-িদক ও-িদক তাকােত লাগলাম। ওর পুরেনা বািড়টা গতবােরর বনয্ায় েভেঙ িগেয়িছল। এই বািড়িট নতুন ৈতির। েমেঝর িদেক তািকেয় েদিখ, পুেরা েমেঝটাই গরু ও ছাগল এবেড়ােখবেড়া কের িদেয়েছ। ওগ‌ুিলর আশৰ্য়ও এই ঘরটাই। েজেগ উেঠ আমােক িচনেত একটু সময় লাগল িতনকিড়র মােয়র। ওঁেক েদেখ মেন ভীষণ কষ্ট হল। পৰ্ায় অন্ধ হেয় িগেয়েছন, সারা শরীের েছঁড়া েনাংরা কাপড়েচাপড় জড়ােনা। গতবার এখােন থাকার সময় আিম একািধকবার ওঁর েচােখ জল েদেখিছ। িবদােয়র সময় আমার িভতের েয কী হিচ্ছল তা ওঁেক বলেত পািরিন। শ‌ুধু বেলিছলাম “ এ বছর আমােদর আর েদখা হেব না”। উিন বেলিছেলন, “তার পেরও আর েদখা হেব না”। কথাগ‌ুিল আমার মেন িছল। “ঠাকুরমা আর েদির েকােরা না”। “কাঙােলর অশৰ্ুেত েয রক্ত ঝের ভগবান, েদেখও তুিম েদেখা না”।

ষষ্ঠ দৃ শয্ঃ বাংলার সমস্ত গৰ্াম িখেদয় কাঁদেছ একিট িশশ‌ু, একিট কাঁদেছ বয্াথায়, একিট কাঁদেছ েপাশােকর জনয্। েছেল-েমেয়, মা -বাবা, পুরুষ-মিহলা সকেলই জীবেন েবঁেচ থাকার জনয্ লড়াই কের চেলেছ। িকন্তু এ েতা েগল মুদৰ্ার একটা িপঠ। আিম একজন জামর্ান িশল্পী, িবেয় কেরিছ বাঙািলেক- েসই আিম েকন গৰ্ােম েগলাম ছিব আঁকেত? কারণ এটাই েয, েসখােন আিম এমন িকছু েদেখিছ যা আমার ভীষণ মেন ধেরেছ। শহর েথেক অেনক দূ ের; েসখােন েকান িকছু ই খুব েবিশ নীরস নয়। আিম ধান েক্ষেতর মেধয্ বেস েথেকিছ, তািকেয় েথেকিছ দূ র িদগেন্তর িদেক- সব্গর্ ও মতর্ েযখােন পরস্পরেক আিলঙ্গন করেছ। আিম িবশ‌ুদ্ধ বাতােস শব্াস িনেয়িছ, েসই বাতােস রেয়েছ িনমর্ল পৰ্শািন্ত। এক সবর্গৰ্াসী শান্ত ভাব জিড়েয় িছল সব িকছু েকই। এেকই আিম বিল আত্মসহতা। বাংলার আত্মা বলেত এটাই। গৰ্ােমর অেনক িকছু ই পিবতৰ্, মানু ষজন সরল, জীবেনর দু ঃখকষ্টেক তাঁরা েমেন িনেয়েছন, জীবেনর অেনক ভাল িজিনস েথেক তাঁরা বিঞ্চত, দািরেদৰ্ও তারা উজ্জব্ল। িকছু ই েনই, তবু যা আেছ তার সবটুকু তাঁরা ভাগ কের িনেয়েছন আমার সেঙ্গ। ছিব ও নেরন, েগািবন্দ, মঙ্গলা ও িতনকিড়- এরা সবাই আমার বন্ধু। আিম ওেদর বাড়ীেত েথেকিছ ওেদরই একজন হেয়। আিম যখনই ওেদর িদেক পা বাড়াই ওরা আমােক সাদের েডেক েনয়। আমােক ওরা েয দয়া, েয ভালবাসা েদিখেয়েছ তা িক আিম েকান িদন ভুলেত পাির? আমার েছাট্ট বন্ধু পারুলেক িক আিম েকান িদন ভুলেত পারব, েয পৰ্িতিদন জঙ্গেলর িভতর আমার জনয্ দাঁিড়েয় থাকত? ভুলেত িক পারব বু িনেক যার মুেখ েলেগ থাকত চওড়া হািস? েগাপােলর উজ্জব্ল েচাখ দু িট, িনতাইেয়র লজ্জা বা সু ভােষর বাবার দানশীলতা- েস সব িক েভালা যােব? আমার হৃদেয় েখাদাই হেয় রেয়েছ ওেদর নাম। আরও অেনেকর নাম। ওেদর কথা যখন ভািব তখন মেন হয় গিরবরাও িকন্তু আসেল খুবই ধনী। হয়েতা কাঙােলর অশৰ্ু ভগবান ওেদর কথা যখন ভািব তখন মেন হয় গিরবরাও িকন্তু আসেল খুবই ধনী। হয়েতা কাঙােলর অশৰ্ু ভগবান সিতয্ই েদেখেছন। েক জােন!

36


37


38


Heisser Bahnhof Zürich Usha Palit

Heute ist unser Reisetag. Zu sechst wollen wir nach Kolkata fliegen. Wir, das sind Nomita und ihr Mann Nobendu, ihre Tochter Maya und deren Mann Sushanta mit ihrer kleinen Tochter Amy und ich, Anandamohan, der alte Onkel der Familie. Wir sind sehr zeitig unterwegs mit Tram und Bahn zum Airport. Zwei Taxis waren uns zu teuer. Die Jungen haben eine Wohnung in der City und somit ist der Beginn der Reise nicht gar zu anstrengend. Die Eltern von Maya brauchen besondere Rücksicht, sie sind schon etwas langsam und Europa ist ihnen ungewohnt. Sehr selten sind sie zu Besuch in Europa. Sie sind voller Vertrauen in das ruhige Europa und noch mehr in die grundsolide Schweiz gereist. Was soll hier schon schiefgehen? Tochter und Schwiegersohn kümmern sich um alles und ich, der alte Onkel, bin genauso hilsbereit. Die Gepäckstücke sind schon sehr zahlreich und liegen jetzt hoch aufgetürmt auf dem Gepäckwagen der SBB. Sie schaukeln, einer Karawane gleich, durch die schöne grosse Bahnhofshalle von Zürich‐City. Die Geschäfte laden zum Verweilen ein. Der Ruf nach einem letzten Souvenir ist eindringlich und laut. Doch noch lauter ist der Aufschrei von Maya, sie hat ihren Pass in der Wohnung vergessen. Sie ist ziemlich aufgeregt. Sushanta kann sie soweit beruhigen: "Mein Schatz, wir haben noch genug Zeit, komm lass uns zurückfahren und den Pass holen." Schon eilen sie davon zum Taxistand. Der Rest der Karawane schaukelt weiter durch die Bahnhofshalle. Sie fahren geruhsam mit all den Koffern, Taschen und Geschenken und der Aktentasche Nobendus obenauf durch die Menschenmenge. Schon schreit es wieder hinter ihnen her: "Halt, hallo, Messieurs, Madame, so bleiben Sie doch stehen, Sie verlieren ja Ihr Geld!" Die Karawane stoppt und schon laufe ich als Erster zurück, auch die Kleine kommt hinterhergerannt. Wirklich, da liegen die Münzen in einer langen Reihe hinter uns und enden an unserem Gepäckwagen. Wir bücken uns und wollen alles einsammeln. Sehr enttäuscht bemerken wir, dass es sich nur um wertlose Metallstücke handelt. Wir drehen uns um und suchen den Rufer. Der ist im Passantengewimmel untergetaucht. Und zurück am Gepäckwagen sind wir alle ganz erstarrt, die Gepäckstücke sind noch da, bis auf die Aktentasche, die ist weg. Ein Komplize des Rufers muss sich dieser angenommen haben. Darin ist das Reisegeld, die Travellerchecks und leider auch die Reisepässe der Senioren und fast gleichwichtig, die Flugkarten. So endet unsere Reise erst einmal auf der Polizeistation. Danach müssen alle zurück zur Wohnung, diesmal mit dem Taxi. Ein paar tunden später werden wir von der Polizei angerufen. Ein Tramführer hat die Aktentasche gefunden. Es fehlt nichts, bis auf das Bargeld. Stunden später werden wir von der Polizei angerufen. Ein Tramführer hat die Aktentasche gefunden. Es fehlt nichts, bis auf das Bargeld. 39


িতনিট ছড়া শরিদন্দু িমতৰ্ ছড়া যিদ পড়েত চাও, িতনেট ছড়া পেড় নাও। সািহতয্ নয় এসব ছড়া, পেড় েযন েচাখ না হয় ছানাবড়া। এেসা ছড়ার েদেশ, মন যােব আনেন্দ েভেস।

ও-িড-আই কীতর্ন

িনবর্াচন পিশ্চমবঙ্গ ২০১১

অবেশেষ হ'ল েশষ, িকৰ্েকট েখলা িছল েবশ। রামরাবেনর বয্াট-বেলর েরশােরিশ, ওয়াংেখেড়র মােঠ সবাই হেলা খুশী। মেহন্দৰ্ িসং েধািন "িমষ্টার কুল", েশষ েখলায় েখলেলা িনভুর্ল । করেলা bajimat েশষ বেল মাের ছয় হঠাত্। শচীন েতন্ডুলকার, চািরিদেক তার জয় জয়কার । িসং যু বরাজ , ও-িড-আইেত েদখােলা তার বয্াট-বেলর কাজ। তারই মােঝ েগৗতম গম্ভীর , িঠক সমেয় েয েরেখিছল মাথা িস্থর । িছল সােথ সঙ্গকারা, মািলঙ্গা আর মুরলীথরণ, রথী মহারথী সব, তবুও হেলা শৰ্ীলংকার পতন। আমার েলখা এখন ফুরােলা, িকৰ্েকট গাছিট মুড়ােলা। িকৰ্েকেটর কথা অমৃ তসমান, শরিদন্দু িমতৰ্ েলেখ, পেড় পূ ণয্বান।

পিশ্চমবেঙ্গর িনবর্াচন, মন িদেয় কর সবাই শৰ্বণ। চারিদেক ঘেটেছ অঘটন, হেচ্ছ তাই ঐিতেহয্র পিরবতর্ন। বীরভূ েমর নানু র গৰ্াম, েভেঙ্গ েগল েযখােন িসিপএম -এর সব েপৰ্াগৰ্াম। নাই গ‌ুিল, নাই েবামা, নাই রক্তঝরা, খুশীমেন েভাট তাই িদন েভাটাররা। খুেন েভাট মুিশর্দাবােদর েডামকল, িসিপএেমর সব েকরামিত হেয়েছ িবকল। েডামকেলর নাম িছল "খুেন েভাট", েকােনা েভাটার েসখােন আর পায় নাই েচাট। হল নােকা িরিগং নদীয়ার গেণশপুের, তােত এবার সবার মন আনেন্দ েগেছ ভের, মুিশর্দাবােদর জঙ্গীপুের বেল িগিরয়ার বািসন্দা, এখােন এবার িছল নােকা েকােনা দাদা। আেগ িদত েভাট সব দাদারা, এবার িদল েভাট েলােক েকবল িনেজরা। এই িছল এবার দিক্ষণবেঙ্গর িনবর্াচন, েলােক তাই শািন্তেত কের জীবনযাপন। িকৰ্েকট েছেড় িদেয় এবার, শরিদন্দু িমতৰ্ েলেখ িনবর্াচেনর বাহার।

িবন পবর্ জজর্ ডবিলউ বু শ, িবন ধরেত িদল অেনক ঘুষ। আফগািনস্তােন িবনেক পারল না বু শ ধরেত, েশেষ িবন েগল পািকস্তােন মরেত। বু েশর পের এেলা বারাক ওবামা, তােত বধ হল িবন লােদন ওসামা। শ‌ুেন রাজনীিতর কথা হেব িক তােত েতামােদর মাথাবয্থা?

40


েছােটােদর পাতা

Artists Top left: Sasmit Bhattacharya (age - 6 years) Top right: Shukrit Rakshit (My home and garden)

(age - 6 years) Bottom left: Arushi Bhattacharya (age - 9 years)

41


42


43


44


চিকত - এ অতীত মধু বৰ্তা বয্ানাজর্ী চয্াটাজর্ী এখন িবেকল সােড় পাঁচটা। জানালার ধােরর েসাফাটায় েহলান িদেয় শ‌ুেয় তৃষা এক মেন 'Kite Runner' বইটা পড়িছল আর কল্পনার ডানা েমেল েপঁৗেছ িগেয়িছল কাবু ল এ। হঠাত্ কাঁচ এর জানালােয় টুং টাং আওয়াজ শ‌ুেন েচাখ তুেল দয্ােখ িশলাবৃ িষ্ট শ‌ুরু হেয়েছ। আকাশ ঘন কােলা েমেঘ েঢেক িগেয়েছ। আজ বহুিদন পর িশলাবৃ িষ্ট েদখেছ তৃষা। কাবু ল এর রাস্তা েছেড় তৃষা এখন তার েচােখর সামেনর পৃ িথবী েদখেত িবেভার। এমন বৃ িষ্টর িদেন বািড়র সামেন দাঁিড়েয় থাকা eucalyptus গাছ িতনেটেক িক সু ন্দর েয লােগ। গ‌ুনগ‌ুিনেয় ওেঠ তৃষা -

"বৃ িষ্ট বৃ িষ্ট বৃ িষ্ট , এ েকান অপরূপ সৃ িষ্ট এত িমিষ্ট িমিষ্ট িমিষ্ট আমার হািরেয় গয্ােছ দৃ িষ্ট" গাইেত গাইেত কখন েয হঠাত্ কের অনয্ রকম এর েফেল আসা অতীত এ েপঁৗেছ যায় তৃষা েস বু ঝেতও পােরনা। েসিদনও িছল এমনই বৃ িষ্টর িদন। মাতৰ্ আঠােরা বছর বেয়েস েযিদন পৃ িথবীর বু ক েথেক িচরিবদায় িনেয়িছল ফুেলর মত ফুটফুেট েমেয়টা। তনয়া। েলখাপড়ায় েকানিদনই ভােলা িছলনা েস। েকােনা িটচারই তােক পছন্দ করত না। িকভােব েযন বােজ েমেয়র স্টয্াম্প পেড় িগেয়িছল তনয়ার নােমর পােশ। িটচারেদরও ভয় িছল েয ওর সােথ িমশেল ক্লাস এর অনয্ েমেয়রা খারাপ হেয় যােব। ভয় পাওয়ার কারণও িছল। ক্লাস 'নাইন' এই িডেস্কােত নাচেত েযত তনয়া। বািলকা িবদয্ালেয়র েমেয় হওয়া সেতব্ও অজসৰ্ েছেলর সােথ ঘুের েবড়াত েস। িকন্তু েকন েযন তনয়ােক েবশ ভােলা লাগত তৃষার। মেন হত, ও েযন একটা পািখ। িনেজর মত কের িনেজর িনয়েম জীবনটা বাঁচেত চায়। তেব েস ক্লােসর তথাকিথত ভােলা েমেয় হওয়ােত, চাইেলও তনয়ার সােথ িমশেত পােরিন েকানিদন। পােছ স্কুেলর িটচাররা তার ওপের কৰ্ুদ্ধ হয়। আসেল তৃষাও চাইেতা পািখর মত িনেজর খুিশেত আকােশ উেড় েবড়ােত। িকন্তু ক্লােসর পৰ্থম সািরর েমেয় হওয়ােত েকানিদনই চায়িন িনেজর ইেমেজ আঁচড় লাগােত। এইভােবই স্কুেলর গিন্ড একিদন েপিরেয় েফলল তৃষা। তনয়াও। অনয্ বন্ধুেদর েথেক তনয়ার খবরও রাখত েস। তারপর একিদন এইরকমই এক বৃ িষ্টর িদেন হঠাত্ এেসিছল পিরনীতার েফান। কান্নােভজা গলায় েফােনর অপরপৰ্ান্ত েথেক বেলিছল "জািনস, তনয়া আর েনই। আজ িবেকেল আত্মহতয্া কেরেছ ও। আমরা সবাই যািচ্ছ ওর বািড়। তুই িক যািব?" “হয্াঁ যাব” বলেত একমুহুতর্ ও ভাবেত হয়িন তৃষােক। েভেবিছল, সকেলর কােছ খারাপ হওয়ার ভেয় ভীষণভােব চাওয়া সেতব্ও েকানিদনই তনয়ার সেঙ্গ িমশেত পােরিন েস। আজ তনয়ােক েশষবার েদখার সু েযাগটা নষ্ট করেত চায়না। িগেয়িছল তৃষা। েফরার সময় কলকাতা শহর পৰ্ায় বনয্ায় ডুেব িগেয়িছল। তৃষার মেন হেয়িছল েযন আকাশ ও ডাক েছেড় কাঁদিছল তার বু েক এক মুক্ত পািখ আর েকানিদনও উড়েব না েভেব। পের শ‌ুেনিছল তৃষা। পিরনীতারই মুেখ। তনয়ার পৃ িথবী েথেক েসব্চ্ছায় িবদায় েনওয়ার কারণ।

45


মৃ তুয্র মাতৰ্ মাস দেশক আেগই িটেটান নােম একিট েছেলর সেঙ্গ নািক পিরচয় হেয়িছল তনয়ার। তখন েস জানত না, িটেটান কয্ানসার এর সেঙ্গ যু দ্ধ করেছ। আর শ‌ুরুেত িটেটান জানায়িন ওেক। তনয়ার মেতাই পৰ্ানবন্ত িছল িটেটান। দু জেনর েসই পিরচয় নািক কেয়কমােসর মেধয্ই পৰ্গাড় ভালবাসার রূপ েনয়। িটেটান জীবেনর েশষ সমব্েলর মেতা আঁকেড় ধেরিছল তনয়ােক। আর তনয়ার মেতা েমেয় েয নািক িচরিজবনই মুক্ত িবহেঙ্গর মেতা বাঁচেত েচেয়িছেলা, েসও েসব্চ্ছায় ধরা িদেয়িছল িটেটান এর ভালবাসার বাঁধেন। িটেটান এর দু রােরাগয্ বয্ািধর কথা পের জানেত েপেরও মুখ েফরায়িন তনয়া। বরং আেরা েবিশ ভালবাসেত শ‌ুরু কেরিছল। তাই মাস আেটক পের িটেটান পৃ িথবী েথেক চেল যাওয়ার পর েথেকই পাল্টােত শ‌ুরু কের েস। িবেয় না হওয়া সব্েত্তও িবধবার েপাশাক পরেত শ‌ুরু কের। কারুর সেঙ্গ কথা বলত না। একা একা ঘের িনেজেক বন্দী কের রাখেতা। এইভােব মাস দু েয়ক কাটার পর েসই বৃ িষ্টর িদেনই িটেটান এর কােছ িচরতের চেল যাওয়ার িসদ্ধান্ত েনয় েস। েসইিদন দু পুের ওর দাদা ওেক লাঞ্চ এ িনেয় েযেত চাইেল বেলিছল, "তুই বন্ধুেদর সােথ যা। িফের এেল একটা দারুন সারপৰ্াইজ েদব। " ভাবেত ভাবেত এতিদন পেরও তৃষার েচাখ ছািপেয় কান্না গিড়েয় পড়ল । আর তখনই েশায়ার ঘেরর জানালাটাও ঝেড়র দাপেট ভীষণ েজাের শ

কের বন্ধ হেয় েগল । জমাট েবেধ থাকা একবু ক যন্তৰ্ণা

িনেয় উেঠ পড়ল তৃষা । এিগেয় েগল েশায়ার ঘেরর িদেক।

Lets

think of donating to local charities to re-

emphasize our integration with the country we made our home. Lets finally make SWISSPUJA a sponsor for any deserving student for his studies, a sponsor for a deserving sportsman for fulfilling his dream.

All these do not happen by a click… but they do when...

together we THINK...

together we DREAM…

http://www.swisspuja.com 46


47


48


অয্ান ফৰ্ােঙ্কর বাড়ী দীপাঞ্জনা েঘাষ ২০১১ সােলর েম মাস। চমত্কার েরাদ ঝলমেল িদন। দাঁিড়েয় আিছ আমষ্টারডাম শহের অয্ান ফৰ্ােঙ্কর বাড়ীর সামেনর দীঘর্ লাইেন। েযখােন দাঁিড়েয় আিছ েসখান েথেক পৰ্েবশদব্ার এখেনা এক ঘন্টা। ঐ museum এর এক কমর্ী এেস হােত হােত িকছু ধিরেয় িদেয় এই কথা বেল েগল। সামেন েদখেত পািচ্ছ কয্ানােল যাতৰ্ীবাহী েমাটরলঞ্চ মােঝ মােঝ এেস থামেছ। অসংখয্ সাইেকেল স্থানীয় বািসন্দারা চেলেছ কােজ। ইউেরােপর আর েকােনা শহের এত সাইেকল একসেঙ্গ আিম েদিখিন। অনয্মনস্কভােব হােতর কাগজগ‌ুেলায় েচাখ েবালােত েবালােত মেন হল এর সব আমার জানা। পােশর গীজর্ায় ঢং ঢং কের এগােরাটা বাজল। িবশাল গীজর্ার মাথাটা রাণীর মুকুেটর আদেল গড়া। এই গীজর্ার উেল্লখ আেছ অয্ােনর েলখায়। এই ঘিড়টা িছল ওেদর বদ্ধ জীবেন একমাতৰ্ গিতর ইিঙ্গত। ভারী িপৰ্য় িছল অয্ােনর কােছ এই ঘিড়র আওয়াজ। একসময় এই ঘিড়টাও খারাপ হেয় যায়। ঘন্টার শ

শ‌ুনেত েপতনা বেল অয্ােনর মন খারাপ হত। এইসব ভাবেত ভাবেত আিম েপঁৗেছ যাই

আমার েতেরা-েচাদ্দ বছর বেয়েসর জীবেন। ঐ বয়েস আমার হােত একটা বই আেস, "The diary of a young girl" েলিখকার নাম Anne Frank। বইটা পড়েত শ‌ুরু কের আমার খুব ভােলা েলেগ যায়। ভােলা লাগার পৰ্ধান কারণ এই েমেয়িট আমারই বেয়সী। আমারই মত অিভমানী, বই পড়েত ভােলাবােস, িবেশষ কের আত্মজীবনী। তখন িদব্তীয় িবশব্যু দ্ধ বা নাত্সীেদর অতয্াচার, সমকালীন ইউেরাপ বা অনয্ানয্ ধমর্ সমব্েন্ধ আমার খুব ভাসাভাসা ধারণা িছল। সম্ভবতঃ এই বইটা পড়ার পর েথেকই আিম িদব্তীয় িবশব্যু দ্ধ িবষেয় পড়ার েচষ্টা করেত শ‌ুরু কির। কৰ্েম আলাদা কের ইউেরােপর পৰ্িতিট েদেশ এই যু েদ্ধর পৰ্িতফলন জানার আগৰ্হ আমার েবেড়ই চেল। অেনক বই মানু েষর জীবেন পৰ্ভাব েফেল িবেশষতঃ িকেশার বয়েস। "The diary of a young girl" বইটা পেড় আমার ডাইরী েলখার আগৰ্হ জন্মায়। আিম জন্ম-েরামািন্টক। পৰ্ায় সারাক্ষনই একটা ভােবর জগেত থাকতাম। েরাজ মেন হত আজ একটা দারুণ িকছু ঘটেব। আকাশ কােলা কের েমঘ জমেল মেন হত আজ এমন বৃ িষ্ট হেব যা আেগ কখেনা হয়িন। কতিদন ঘুমেচােখ আকােশর িনঃসীম অন্ধকােরর িদেক তািকেয় েথেকিছ েরামাঞ্চকর িকছু ঘটার আশায়। এই বইটা পড়ার পর ডাইরী েলখা শ‌ুরু কেরিছলাম। পৰ্ায় বছর িতেনক েলখার পর একিদন বু ঝলাম আমার জীবেন িবেশষ েরামাঞ্চ েনই। বাড়ী েথেক স্কুল ও স্কুল েথেক বাড়ীর মত ৈদনিন্দন একেঘেয় জীবেন একমাতৰ্ উত্সেবর িদনগ‌ুেলাই িছল একটু অনয্রকম। আর িছল িবেয়র েনমন্তন্ন। িনেজর বড় বড় দাদা িদিদ (তুেতা) েদর িবেয় েতা িছলই। তাছাড়াও মামীমার েবান, কাকীমার ভাই, মাসীর ননদ, িপিসর েদওর আর পাড়া পৰ্িতেবশী িমেল িবেয়র মাসগ‌ুেলােত পৰ্ায় পৰ্িতিদনই েনমন্তন্ন েলেগই থাকেতা। তখন িবেয়গ‌ুেলা খুব গ‌ুরুগম্ভীর িছল। আজকাল বাঙালীরা অবাঙালীেদর েদখা েদিখ েমেহন্দী, বা সঙ্গীত অনু ষ্ঠান আেয়াজন কের েবশ একটা উত্সেবর ভাব এেন িদেয়েছ। িবেয়র কেণর সােথ মা ও নাচেছ "শীলা িক জবানী" গােনর সােথ এ আমার িনেজর েচােখ েদখা। আমােদর সময় এটা অভাবনীয় িছল। তেব েসই গ‌ুরুগম্ভীর িবেয় বাড়ীগ‌ুেলােত খাওয়া দাওয়া িছল দারুণ। েবশীরভাগই ঠাকুর এেন রান্না ও িভেয়ন বিসেয়

49


িমিষ্ট ৈতরী করা হত। পাড়ার েছেলরা দীঘর্শব্াস েগাপন কের ঝটপট েনেম পড়ত পিরেবশেন। িবেয়র িপঁিড়ও ধরত বয্থর্ েপৰ্িমেকর েকউ েকউ।

আমার িতন বছেরর ডাইরী জুেড় শ‌ুধু এইিদনগ‌ুেলার িবস্তািরত িববরণ

আেছ। আর আেছ ভাইেবােনেদর সেঙ্গ ঝগড়া ও ভােবর িকছু মুহুতর্। তখন মেন হত অয্ান ফৰ্ােঙ্কর সােথ আমার জীবেনর খুব িমল আেছ। ও েক েকউ েবােঝনা, সবাই খািল ওর ভুলগ‌ুেলাই লক্ষয্ কের। েলখাটা এত চমত্কার েয বইটা আমার সবব্র্ক্ষেণর সঙ্গী িছল একসময়। তারপর অনবধােন েকাথাও হািরেয় যায়। এখন েয কিপটা আমার আেছ েসটা ১৯৯২ সােল তুষােরর েদওয়া উপহার। অথর্াত্ দীঘর্ িদন বােদ আবার আিম বইটা হােত পাই ও পিড়। অয্ান িছল ইহুদী পিরবােরর েমেয়। বাবা অেটা ফৰ্ােঙ্কর মশলার বয্বসা িছল। আমষ্টারডােম বািনজয্র েকন্দৰ্স্থল েজেন এরা জামর্ানী েথেক েনদারলয্ােন্ড চেল আেস একসময়। িহটলার ও নাত্সীবািহনী একসময় েনদারলয্ান্ড অিধকার কের। এরপরই ইহুদীেদর জীবেন কােলা ছায়া েনেম আেস। অয্ােনর বণর্নায় জানেত পাির এেদর ওপর নানা ধরেনর িনেষধাজ্ঞা চািপেয় েদওয়া হিচ্ছল। িনিদ্দর্ষ্ট সমেয়র পর রাস্তায় ঘুের েবড়ােনা বারণ, টৰ্ােম চড়া বারণ, িবেশষ িবেশষ েদাকােনর আইসকৰ্ীম খাওয়া বারণ। হােত হলু দ তারা লািগেয় রাখেত হত ইহুদীেদর। এছাড়া যখন তখন ডাক আসত পুিলশ িবভাগ েথেক। আর এেকর পর এক পিরবার উধাও হেয় েযত। েকউ েকউ লু িকেয় অনয্ েদেশ পািলেয় যাবার েচষ্টা করত। েবশীরভাগই ধরা পেড় Concentration Camp-এ চালান হেয় েযত। িবপদ বাড়েছ বু ঝেত েপের অয্ােনর বাবা ওেদরই অিফসবাড়ী সংলগ্ন (annex) েপছেনর অংেশ চেল আসার পিরকল্পনা কেরন। এই অসম্ভব কােজ তােক সাহাযয্ কের ঐ অিফেসর েসেকৰ্টারী ডাচ্ দু ’িট েমেয় ও কেয়কজন অিফসার। হলয্ান্ডবাসীেদর সব্াভািবক ভােবই নাত্সীেদর ওপর রাগ ও ইহুদীেদর পৰ্িত সমেবদনা িছল। শ‌ুভবু িদ্ধ সম্পন্ন মানু েষর সংখয্া েকােনা যু েগই পৃ িথবীেত কম নয়। তবু আশ্চযর্ লােগ ভাবেত েয জামর্ানজািতর েবশীরভাগই িছল িহটলার বািহনীর আজ্ঞাবহ। Concentration Camp-এর বাইের েয জামর্ান পুরুষ ও মিহলা অিফসারেক picnic এর মুেড ছিব তুলেত েদিখ বা িহটলােরর সােথ েছেলেমেয়সহ েয অিফসারেদর আত্মহতয্ার িববরণ পাই তােদর মেনাবৃ িত্ত ধারণা করেত পাির না। অয্ােনরা দু ই েবান, বাবা ও মা েকােনা এক িঝরিঝের বৃিষ্ট েভজা সকােল িনিদর্ষ্ট িদেনর আেগই চেল আেস েসই সংলগ্ন অিফস বািড়েত। ওেদর সােথ আেস এক ঘিনষ্ঠ বন্ধুর পিরবােরর িতনজন ও একজন দাঁেতর ডাক্তার। এই আটজন পৰ্ায় দু ’বছর ধের এই annex-এ লু িকেয় িছেলন। কেয়কজন হলয্ান্ডবাসী িনেজেদর জীবন িবপন্ন কের এেদর জীবনধারেণর সব রকম িজিনস সরবরাহ কের বাঁিচেয় েরেখেছন। বাইেরর জগেতর খবর, বইখাতা েথেক শ‌ুরু কের েবঁেচ থাকার যাবতীয় উপকরণ িদেয় ভিরেয় েরেখিছেলন এেদর বন্দী জীবন। অয্ান ও েসই পিরবােরর েছেল িপটােরর কষ্ট-ই িছল সবেচেয় েবশী। নবীন বেয়স অথচ সমাজ সংসার এবং সমস্ত জগত্ েথেক িবিচ্ছন্ন। সবেচেয় খারাপ লাগত এেদর িনেজেদর বাবা মােয়র হীন আচরণ। িপটােরর ঘরটা ছােদর কাছাকািছ। বািক সমস্ত বাড়ী ভারী কােলা পদর্ায় ঢাকা, িপটােরর জানলার পাশাপািশ দাঁিড়েয় থাকেত ভােলালােগ অয্ােনর। িকছু টা হেলও পৰ্কৃিত ধরা েদয় এখােন। এইভােবই একসময় িপটােরর সেঙ্গ ভালবাসায় জিড়েয় পেড় অয্ান। তখন শ‌ুরু হয় একসােথ সব্প্ন েদখা। যু দ্ধ েশেষর সব্প্ন, মুিক্তর সব্প্ন। তখন পৰ্কৃিতর এই আেলা বাতােস আমােদরও সমান অিধকার থাকেব। েলােক আমােদর শ‌ুধু ইহুদী নয় মানু ষ িহেসেব গণয্ করেব। এই ভাবনা জুেড় থােক এেদর মেন।

50


তারপর একসময় এই সব্প্নও েশষ হয়। এেদর সন্ধান েপেয় যায় নাত্সীবািহনী। আগষ্ট মােসর েকান এক েরাদ ঝলমেল সকােল িজপগাড়ী েথেক সশস্তৰ্বািহনী েনেম এেস এেদর ধের িনেয় যায়। মািটেত ছিড়েয় পেড় অয্ােনর ডাইরী। অথচ সব্াধীনতা তখন দব্ারপৰ্ােন্ত েপঁৗেছ েগেছ পৰ্ায়। হলয্ান্ড েথেক েপালয্ান্ড চালান হেয় যাওয়া এরাই িছল েশষ দল। একমাতৰ্ অেটা ফৰ্াঙ্ক ছাড়া েকউই আর যুদ্ধ পরবতর্ী জীবন েদেখিন। অয্ান ও তার িদিদ ভয়াবহ টাইফেয়ড েরােগ concentration camp-এ কাছাকািছ সমেয় মারা যায়। িপটােরর বাবা মারা যান gas chamber এ। বাকীরাও অনাহার, ক্লািন্ত, অিতিরক্ত পিরশৰ্েমর িশকার হেয় কাছাকািছ সমেয় মারা যান। পরবতর্ী কােল অয্ােনর ডাইরী হােত েপেয় তা পাবিলশ করার িসদ্ধান্ত েনন অেটা ফৰ্াঙ্ক। ডাইরী পেড় েযন এক নতুন অয্ানেক আিবষ্কার কেরন িতিন। ধীের ধীের লাইন এেগােচ্ছ। নানা েদেশর নানা টুিরষ্ট আেছন এই লাইেন। একসময় আিমও েপঁৗেছ যাই ঐ বাড়ীর সামেন। যারা হলয্ান্ড েগেছন তারা এেদর বাড়ীগ‌ুেলার সােথ পিরিচত। েছাট্ট বাচ্চা িকেশার বেয়েস েপঁৗেছ হঠাত্ লমব্া হেয় েগেছ অথচ শরীের মাংস লােগিন, এই বাড়ীগ‌ুেলা িঠক েসইরকম শীণর্কায়। েবশীরভাগ বাড়ীর দরজা িদেয় বা িসঁিড় িদেয় িজিনসপতৰ্ েঢাকােনা যায় না বেল বাড়ীর ওপেরর িদেক চাকা ও দিড় লাগােনা, িজিনসগ‌ুেলা েটেন েতালা হয়। িসঁিড় এত সরু, এত অন্ধকার েয হঠাত্ আেলার েথেক এই বাড়ীেত ঢুেক একটু িদশাহারা লােগ। ঘুের ঘুের সমস্ত ঘরগ‌ুেলা েদখলাম। অেটা ফৰ্ােঙ্কর ইচ্ছায় সব িজিনসপতৰ্ পৰ্ায় একইরকম আেছ। অয্ােনর ঘেরর েদওয়ােল েস যুেগর িফল্মষ্টার ও হলয্ােন্ডর রানীর পুেরােনা হেয় যাওয়া কালেচ ছিব। েদখেত েদখেত একটা েঘােরর মত লােগ। অয্ােনর সমেয় িফের যাই, অয্ােনর কথাগ‌ুেলা কােন ভােস। েকােনা একমুহুেতর্ েকমন েযন েঘার লােগ, আতঙ্ক হয়। েযন অয্ানেক নয়, আমােক ধরেত আসেছ নাত্সী দল। একমুহুতর্

মাতৰ্।

তারপর েঘার েভেঙ্গ

িনেজেক আিবষ্কার কির। উজ্জব্ল েপাষাক পরা আধু িনক জগেতর মােঝ আিম দাঁিড়েয় আিছ। বাইের হলুদ েরাদ, ঝলমেল পৃিথবী। েবলা দু ’েটায় বােস কের িটউিলেপর বাগান েদখেত যােবা, ভয্ান গেগর আঁকা হলু দ সূযম র্ ুখী েদখব, েরমবৰ্ােন্টর বাড়ী েদখব। সেন্ধয্েবলা এখানকার িবখয্াত পয্ানেকক েখেত যাব। আিম েতা অয্ান নই। যত গরীব েদেশই জন্মাই, রাষ্টৰ্ আমােক বিন্দ কেরিন। আমার সমাজ আমােক কখেনাই পৃিথবীর আেলা বাতাস েথেক বিঞ্চত কেরিন। অয্ােনর সেঙ্গ আমার েযটুকু িমল তা ঐ বেয়েসর অনু ভূিতগ‌ুেলাই শ‌ুধু। দীঘর্শব্াস েচেপ েবিড়েয় আিস। নতুন ইউেরােপ, নতুন পৃিথবীেত এখন নতুন সমসয্া। শিক্তশালীর অতয্াচাের দু বল র্ িচরিদনই জজর্িরত। আেরা বড় শিক্তশালী েসই যন্তৰ্ণা লাঘব করার নােম আেরা বড় অতয্াচার কের। তবু েকােনা এক ভােব মানু ষ পৰ্িতবােদর ভাষাটা িশেখেছ। অয্ােনর সময় েসটুকুও িছলনা। অয্ান ফৰ্াঙ্ক তার েলখার মেধয্ িদেয় অমরতব্ লাভ কেরেছ। কােলর ইিতহােস অয্ান ফৰ্াঙ্ক একটা কােলা িবন্দু হেয় েথেক যােব মানু েষর মেন, আমার মেন।

51


52


53


মহারাজ বসন্তিবহারী পািলত জামর্ানীর এক বড় শহের িনম্নিলিখত ঘটনািটর সু তৰ্পাত হয়। এই শহেরর অিধবাসী পয্ািটৰ্ক নু সবাওমােরর সু ন্দরী পত্নী আেন্দৰ্য়া একিট আন্তজর্ািতক েকাম্পানীর িডেরক্টর মারেসল বাদােরর েসেকৰ্টারী। কাজকেমর্ েস তীক্ষ্ণধী, চট্ পেট ও দক্ষ। েসজনয্ মারেসল বাদার আেন্দৰ্য়ার কােজ খুব সন্তুষ্ট। পয্ািটৰ্ক সেন্দহ করত মারেসল আর আেন্দৰ্য়ার মেধয্ কােজর সম্পকর্ ছাড়াও অনয্ সম্পকর্ আেছ। সেন্দহ করেলও ঈষর্ািনব্ত পয্ািটৰ্েকর হােত আেন্দৰ্য়ার িবরুেদ্ধ েকান পৰ্মাণ িছল না। তবু ও িকছু টা িতক্ততা, অসহায়েবাধ এবং ৈনরাশয্ আসােত পয্ািটৰ্ক এক বান্ধবী খুঁেজ িনেয়িছল যার সেঙ্গ েস লু িকেয় েপৰ্ম করত। আেন্দৰ্য়ার মেতা সু দশর্না না হেলও বান্ধবী মিণকা েশােয়েনর মুখ িছল ভারী িমিষ্ট। তাছাড়া তার পৰ্ফুল্লতা, মধু র বয্বহার এবং সরলতা পয্ািটৰ্কেক মুগ্ধ করত। তেব আেবগময়ী মিণকার েমজাজ ও অিভমান িনেয় দু জেনর মেধয্ কদািচত্ ঝগড়াও হত। িকন্তু েসই ঝগড়ার কােলা েমঘ অল্পক্ষণ বােদই উেড় চেল েযত। দু জন দু জনেক খুব ভােলাবাসেলও পয্ািটৰ্ক িববািহত িছল বেল মিণকােক িবেয় করেত পারিছল না। এইভােব কেয়ক বছর েকেট েগল। এতিদন বন্ধুেতব্র পর মিণকার সব্াভািবক বাসনা িছল, পয্ািটৰ্ক েযন তােক অিবলেমব্ িবেয় কের। পয্ািটৰ্ক মিণকােক ৈধযর্ ধরেত অনু েরাধ করত আর আশব্াস িদত একিদন না একিদন েস তার মিণেক িবেয় করেবই। একবার আেন্দৰ্য়ার বস্ মারেসল বাদারেক েকাম্পািনর কােজ পাঁচ িদেনর জনয্ আেমিরকায় েযেত হয়। িমিটংেয়র কাগজপতৰ্ েগাছান, েস্টেনাগৰ্ািফ করা, িচিঠ েলখা, অনু বাদ করা, েদাভাষীর কাজ করা, েটিলেফান েনওয়া ইতয্ািদ যাবতীয় েসেকৰ্টািরর কােজর জনয্ েস আেন্দৰ্য়ােক এই পৰ্থমবার আেমিরকায় িনেয় যায়। স্তৰ্ীর আেমিরকা যাবার বয্াপাের পয্ািটৰ্েকর িকছু বলার িছল না। দািয়তব্পূ ণর্ কােজর জনয্ আেন্দৰ্য়া ভাল মাইেন েপত। কােজর জনয্ তােক তার বেসর সেঙ্গ আেমিরকায় েযেত হেচ্ছ তা পয্ািটৰ্েকর েমেন েনওয়া ছাড়া আর েকান উপায় িছল না। আেন্দৰ্য়ার অনু পিসহিতর সু েযাগ িনেয় পয্ািটৰ্ক মিণকােক পৰ্থমবার তার বাড়ীেত িনমন্তৰ্ন করল। একটা ভাল েরেস্তারাঁেত সান্ধয্েভাজন েশষ করার পর তারা একিট নাচঘের নাচেত েগল। ভাল েখেয় েদেয় ও ভাল মদ পান কের খুশ েমজােজ তারা রািতৰ্ একটার সময় পয্ািটৰ্েকর বাড়ীেত েপঁৗছাল। েদাতলায় পয্ািটৰ্েকর পড়ার ঘের তারা আেরা এক ঘন্টা শয্ামেপেন চুমুক িদেত িদেত এবং গল্প করেত করেত কািটেয় িদল। এরপের যখন পয্ািটৰ্ক একসেঙ্গ েশায়ার ঘের যাওয়ার পৰ্স্তাব করল তখন মিণকা েবঁেক বসল। েস বলল, “পয্াট্, আিম েতামােদর েশায়ার ঘের ঢুকেত চাই না। েতামােদর দাম্পতয্ শযয্ায় শ‌ুেয় েতামার সেঙ্গ েযৗন সহবাস করার ইচ্ছা আমার েনই। আর এরকম লু িকেয় লু িকেয় েতামার সেঙ্গ েপৰ্ম করেত আমার েমােটই ভােলা লােগ না। তুিম আমােক িবেয় করছ না েকন?” “মিণ, আিম সিতয্ দু ঃিখত েয আিম েতামােক অিবলেমব্ িবেয় করেত পারিছ না। তেব আিম পৰ্িতজ্ঞা করিছ েয েতামােক একিদন না একিদন িবেয় করবই। লক্ষীিট, এস আজ রািতৰ্টা এখােন আমার সেঙ্গ কাটাও”। “না, না েতামার পৰ্িতজ্ঞা আিম অেনকিদন ধেরই শ‌ুেন আসিছ। আজেক েতামােক স্পষ্টভােব বলেত

54


হেব তুিম আমােক কেব িবেয় করেব। নইেল আিম এক্ষুিন বাড়ী চল্লাম”। “রাগ কেরা না মিণ। আেন্দৰ্য়ার সােথ আমার এখনও িববাহ িবেচ্ছদ হয়িন। তাই আজেক েতামােক েকান িনিদর্ষ্ট তািরখ জানােত পারিছ না। আিম েতামােক ভােলাবািস। আিম েতামােক িচরকালই ভােলােবেস যােবা। লক্ষীিট, আজেক তুিম এত রািতৰ্েত বাড়ী িফের েযও না”। “আিম যাবই”। এই বেল মিণকা িসঁিড়র িদেক যাবার জনয্ পড়ার ঘর েথেক েবিড়েয় পড়ল। তার মাথায় মেদর পৰ্িতিকৰ্য়া শ‌ুরু হেয় িগেয়িছল। “আছছা, িঠক আেছ মিণ, একটু দাঁড়াও। আিম েতামােক গািড় কের বাড়ী েপঁৗেছ িদিচ্ছ”। এই বেল পয্ািটৰ্ক মিণকােক অনু সরণ কের এেগাল। “না না েতামােক আসেত হেব না। আিম রাস্তা েথেক টয্ািক্স িনেয় েনব”। েজেদর সেঙ্গ এই কথা বেল মিণকা পদেক্ষেপর গিত বািড়েয় িদল। তাড়াতািড় নীেচ েপঁৗছােনার জনয্ েস েভেব িছল এক একটা িসঁিড় বাদ িদেয় লাফ িদেত িদেত নীেচ েনেম যােব। পৰ্থমবাের েযই লাফ িদেত েগল তক্ষুিণ েস ভারসাময্ হািরেয় েফেল পেড় েগল আর বাকী িসঁিড়গ‌ুিলর ওপর িদেয় িনেচর িদেক গড়ােত লাগল। মাথায় পৰ্চন্ড আঘাত লাগায় জ্ঞান হািরেয় তার েদহ একতলায় েপঁৗেছ অসাড়ভােব পেড় রইল। পয্ািটৰ্ক এমিনেতই একটু ভীরু পৰ্কৃিতর েলাক। তাছাড়া িবপদ আপেদর সময় েস সহেজই িবচিলত এবং উেত্তিজত হেয় পেড়। মিণকা জ্ঞানহীন হেয় পেড় থাকােত তার স্নায়িবক দু বর্লতা আেরা েবেড় েগল। েস মিণকার মুেখর কােছ এেস তার নাম ধের অেনকবার ডাকল। িকন্তু েকােনা সাড়া েপল না। এরপর মিণকার দু ই গােল কৰ্মাগত চড় েমের এবং তার েদহ দু ই হাত িদেয় ধের সেজােড় ঝাঁকািন িদেয়ও তােক জাগােত পারল না এবং তার কাছ েথেক েকান ধরেণর পৰ্িতিকৰ্য়া েপল না। মিণকার শব্াস পৰ্শব্াস পয্ািটৰ্ক েমােটই অনু ভব করেত পারল না। মিণকার পৰ্াণহীন েদেহর িদেক তািকেয় পয্ািটৰ্ক একটু ক্ষু

হেয় মেন মেন বলল, ‘েতামােক

যিদ মরেতই হয় তাহেল আমার বাড়ীেত মরেল েকন? তুিম আমােক এখন মহাঝঞ্ঝােট েফেলছ’। এখন েস মিণকার মৃ তেদহ িনেয় িক করেব? িকছু ক্ষণ িকংকতর্বয্িবমূ ঢ় হেয় থাকার পর েস বাস্তব অবসহা সমব্েন্ধ সেচতন হেয় উঠল। পয্ািটৰ্ক জানত িনয়মমািফকভােব তার উিচত্ ডাক্তার েডেক মিণকার েদহ পরীক্ষা করান। েযেহতু মিণকা সব্াভািবকভােব েরােগ ভুেগ মেরিন েসেক্ষেতৰ্ ডাক্তার মিণকার েদহ পুক্ষানু পুঙ্খরুেপ পরীক্ষা না হওয়া পযর্ন্ত মৃ ত-পৰ্মাণপতৰ্ িলখেত পাের না। অবসহা বু েঝ ডাক্তার মৃ তেদহ হয় হাসপাতােল পাঠােনার বয্বসহা করেব নয় লাশ পুিলেশর হােত তুেল েদেব। েস খবরও তার জানা িছল। পয্ািটৰ্ক িনিশ্চত িছল, মিণকার মৃ তুয্র জনয্ পুিলস তােকই দায়ী করেব এবং েফৗজদারী মামলায় েহের িগেয় তােক েজেল েযেত হেব। তাছাড়া ঘটনািট পৰ্কাশ হেল আেন্দৰ্য়া, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়সব্জন, পৰ্িতেবশীরা এবং সহকমর্ীরা তার সব্ভাব সমব্েন্ধ িক ভাবেব? সবাই বলেব, স্তৰ্ীর অনু পিসহিতর সু েযাগ িনেয় বাইের েথেক েমেয়মানু ষ বাড়ীেত িনেয় এেসেছ। এসব েকেলঙ্কাির এড়ােনা যােব যিদ েস মিণকার লাশেক েসই রািতৰ্েতই েগাপেন এবং অিবলেমব্ সিরেয় েফলেত পাের। িক করেত হেব েস সমব্েন্ধ ক্ষিণক িচন্তা কের পয্ািটৰ্ক িনস্পন্দ েদহ কাঁেধ তুেল িনেয় গয্ােরেজ েগল। বাড়ীর একতলার িভতর িদেয় গয্ারােজ েঢাকা েযত বেল পৰ্িতেবশীেদর পেক্ষ গয্ােরেজর িভতের িক হেচ্ছ তা েবাঝার েকান সম্ভাবনা িছল না। েস মিণকার েদহ ডৰ্াইভােরর পােশর িসেট বিসেয় তার েদহ েসফিট েবল্ট িদেয় েবঁেধ রাখল আর মাথার েপছেন একটা বািলশ গ‌ুঁেজ িদল। পয্ািটৰ্ক কল্পনা কের িনল তার গািড় চালাবার সময় যিদ রাস্তার েকান েলাক অথবা পুিলস তােদর েদেখ তাহেল ভাবেব সহযািতৰ্ণী ঘুিমেয় পেড়েছ।

55


গয্ােরজ েথেক েবিরেয় পয্ািটৰ্ক পৰ্থেম উেদ্দশয্হীনভােব এই রাস্তা ওই রাস্তা িদেয় গািড় চালােত লাগল। তার মনটা উদাস হেয় িগেয়িছল। িক িঠক িক ভুল তা িবচার করার ক্ষমতা তার িছল না। ক্ষিণক বােদ সজাগ হেয় উেঠ িসহর করল েয তােক লাশ এমন েকাথাও লু িকেয় রাখেত হেব যােত েলােকরা তােক খুেঁ জ না পায়। েস জানত শহেরর পৰ্ােন্ত একটা বড় বন আেছ। েসখােন লাশ লু িকেয় রাখা েযেত পাের এমন েকােনা উপযু ক্ত জায়গা তােক খুঁজেত হেব। শহর েথেক েবিরেয় িগেয় েস বেনর রাস্তা িদেয় গািড় চালােত লাগল। ইিতমেধয্ পৰ্সৰ্ােবর চাপ আসােত েস বেনর রাস্তা েথেক একটু দূ ের সেড় িগেয় গাছপালার আড়ােল গািড় থামাল। গািড় েথেক েনেম েস গািড়র দরজা খুেলই রাখল কারণ বন্ধ করেত েগেল রািতৰ্র িনঃস্ত তায় অবািঞ্ছত আওয়াজ হেব। েস ভাবল, নামেতই যখন হল তখন েসই সু েযােগ লাশ েলাকাবার জনয্ একটা জায়গা তােক খুেঁ জ েদখেত হেব। এই েভেব চািরিদেক নজর রাখেত রাখেত পয্ািটৰ্ক গািড় েথেক কৰ্মশঃ দূ ের েযেত থাকল। েবশ িকছু দূ র িগেয় একটা ঝনর্ার আওয়াজ শ‌ুনেত েপল। খুঁজেত খুঁজেত একটা েছােটাখােটা ঝণর্া তার েচােখ পড়ল। আেরা কােছ যাওয়ােত েস ঝণর্ার েপছেন চাঁেদর আেলােত একটা গতর্ েদখেত েপল। েসখােনই মিণকার লাশ েঠেসঠু েস ঢুিকেয় মািট, গােছর ডালপালা ও গােছর পাতা িদেয় েঢেক রাখা যােব এইরূপ িসদ্ধান্ত িনেয় েস গািড়র িদেক িফের েযেত লাগল। এিদেক বেনর ঠান্ডা ও িবশ‌ুদ্ধ হাওয়ায় মিণকার জ্ঞান িফের এল। েস েজেগ উেঠ চািরিদক একবার অনু সন্ধানী েচাখ িদেয় েদখল েয েস পয্ািটৰ্েকর গািড়েত েবল্ট িদেয় বাঁধা অবস্থায় বেস আেছ আর তার মাথার েপছেন একটা বািলশ েগাঁজা আেছ। তার মাথায় অতয্ন্ত যন্তৰ্ণা হিচ্ছল। একটু েচষ্টা করােত তার স্মরণ হল পয্ািটৰ্েকর সেঙ্গ তার ঝগড়া হওয়ার পর েস েদাতলা েথেক তাড়াতািড় িসঁিড় িদেয় িনেচ নামিছল। তারপর সব অন্ধকার হেয় েগল। তেব িক েস পেড় িগেয়িছল? আর িসঁিড়েত মাথা ঠু কেত ঠু কেত এবং জ্ঞান হািরেয় েদাতলা েথেক একতলায় গিড়েয় েপঁৗেছিছল? িসঁিড়েত েচাট্ লাগার দরুনই েবাধয় মাথায় যন্তৰ্ণা হিচ্ছল। িকন্তু েস বািড়র িবছানায় অথবা হাসপাতােল না েথেক গভীর বেনর মেধয্ আেছ েকন? চিকেত মিনকা বু েঝ িনল েয েস মের েগেছ েভেব পয্ািটৰ্ক তােক সমািধ িদেত বেন িনেয় এেসেছ। েস আঁতেক উেঠ ভাবল, উফ্, জ্ঞান না িফের এেল তার েয আজ জীবন্ত সমািধ হেয় েযত! েস যিদ পয্ািটৰ্েকর হাত েথেক বাঁচেত চায় তাহেল তােক তক্ষুিণ পালােত হেব। মিণকা ভাবল যিদ েস না পািলেয় গািড়েত বেস থােক তাহেলও পয্ািটৰ্ক তােক েমের েফলেব কারণ পয্ািটৰ্েকর ভয় আেছ েয মুক্ত মিণকা পুিলেশর কােছ িগেয় তার জঘনয্ মতলেবর কথা জানােত পাের। অতএব িশিগ্গির না পালােল তার িবপদ আসন্ন। মিণকা পয্ািটৰ্েকর গািড় আেগ েথেকই িচনত। তাই েস পালাবার আেগ হােতর দস্তানা রাখার তাকটা খুেল েসখােন রাখা পয্ািটৰ্েকর িপস্তলিট েবর কের িনেয় তাকটা আবার বন্ধ কের িদল আর বেনর মেধয্ িদেয় পৰ্াণপেণ েদৗড়ােত লাগল। এিদেক গািড়র কােছ িফের এেস পয্ািটৰ্ক েদখল মিণকা েনই। তক্ষুিন েস বু ঝেত পারল মিণকা পািলেয়েছ। মিণকা পুিলেশর কােছ িগেয় তার সব কুকীিতর্ খুেল বলেল তােক িনশ্চই েজেল েযেত হেব, যা েস কখনই চায় না। অতএব মিণকােক ধরেতই হেব। তারপর তার সােথ একটা েবাঝাপড়ার েচষ্টা করা েযেত পাের। এই িসদ্ধান্ত েনওয়ার পর েস মািটেত কান রাখােত িকছু শ শ‌ুনেত েপল। শ শ‌ুেন মেন হল দূ ের েকউ েযন বেনর মেধয্ িদেয় ডালপালা, শ‌ুকেনা পাতা, গ‌ুল্ম ইতয্ািদ মাড়ােত মাড়ােত যােচ্ছ। েস বু ঝেলা মিণকার েদৗড়ানর ফেল ওই সব শ আসেছ। আর েদরী নয় েভেব েস েযিদক েথেক শ

আসিছল েসিদেক সতব্র েদৗড়ােত লাগল। িকছু দূর িগেয়

পলাতকা মিণকার েদহ অস্পষ্টভােব েদখেত েপল। পয্ািটৰ্ক পােয়র গিত বািড়েয় িদল। মিণকাও পৰ্ােনর ভেয়

56


হাঁপােত হাঁপােত পালািচ্ছল। কেয়কবার েহাঁচট েখেয় েস বেনর মেধয্ পেড় েগল। আবার উেঠ দাঁিড়েয় েদৗড়ােত লাগল িকন্তু েদৗড়ানেত েস পয্ািটৰ্েকর সেঙ্গ পারেব িক কের? যখন পয্ািটৰ্ক কৰ্মশঃ মিণকার কােছ এেস পড়ল তখন মিণকা ঘুের দাঁিড়েয় িপস্তল উিঠেয় পয্ািটৰ্কেক তাক করল। িকন্তু িপস্তল বয্বহার করা ত দূ েরর কথা েস েকানিদন হােত েকান অস্তৰ্ েনয় িন। ভেয় এবং উেত্তজনায় তার হাত কাঁপিছল। তবু ও েস িনেজর জীবন বাঁচােনার জনয্ পয্ািটৰ্কেক িনশানা কের িপস্তেলর েঘাড়া েটেন িদল। গ‌ুিলর ভীষণ আওয়াজ বেনর িনঃস্ত তােক চুরমার কের েভেঙ্গ িদল আর পয্ািটৰ্ক ধপাস কের মািটেত পেড় েগল। িকছু ক্ষণ ধের পয্ািটৰ্েকর িনশ্চল েদেহর িদেক তািকেয় থাকার পর মিণকা আবার েদৗড়ােত লাগল। েস চাইিছল যত শীঘৰ্ সম্ভব বন েথেক েবিরেয় পড়েত। এপযর্ন্ত ভয় িছল পয্ািটৰ্েকর হােত ধারা পড়ার। িকন্তু এখন পুিলেশর ভয় এেস েগল এবং মেনর মেধয্ অেনক িচন্তা ঘুরপাক িদেত লাগল। আত্মরক্ষার জনয্ হেলও েস েয পৰ্কৃতপেক্ষ পয্ািটৰ্কেক হতয্া কেরেছ! েকউ না েকউ পয্ািটৰ্েকর লাশ েদখেত েপেয় পুিলশেক খবর েদেব। তখন পুিলেশর অনু সন্ধান সু রু হেব। মিণকােক ধরেত পুিলেশর েবশী সময় লাগেব না। ভিবষয্েতর কথা েভেব তার কান্না এেস েগল। কাঁদেত কাঁদেত েস েদৗড়ােত লাগল। পৰ্ায় েভার হেয় এল যখন েস একটা বড় রাস্তায় এেস পড়ল। তার আেগই েস বেনর একটা জলাশেয় িপস্তলটা ছু ঁেড় েফেল িদেয়িছল। মিণকার বািড় িফরেত িফরেত সকাল হেয় েগল। বািড়েত এেস মিণকা িবছানায় পেড় বািলেশ মুখ গ‌ুঁেজ খুব কাঁদল। েস েয িনেজর বন্ধুেক খুন কেরেছ েস কথাটা িচন্তায় সদা িবদয্মান থাকায় কষ্ট পািচ্ছল। যিদও আত্মরক্ষার জনয্ তােক অতদূ র এেগােত হেয়িছল তবু ও মানু ষেক হতয্া করা েয এক িবরাট অপরাধ েস সমেন্ধ মিণকা সম্পূ ণর্ সেচতন িছল। ফলসব্রূপ তােক েজেলর এক ক্ষুদৰ্ ও অন্ধকার কেক্ষ হয়ত যাবজ্জীবন কাটােত হেব। এইধরেনর িবষন্নতাপূ ণর্ ভিবষয্েতর ছিব েস কল্পনা কের িনল। িকন্তু েস যখন েজেল েযেত চায় না তখন েস িবকল্পরূেপ িক করেত পাের? অন্তর েথেক েক েযন বলল, েদশতয্াগ কের যত িশিগ্গির সম্ভব পালাও! িকন্তু েকাথায় পালােনা যায়? পৃ িথবীটা েয িবশাল! েযখােন েসখােন পালােলই েতা হেব না। েযখােনই েস যাক না েকন েসখােন তােক েখেয় পের েবঁেচ থাকেত হেব। যা টাকা পয়সা সেঙ্গ িনেয় যােব তা িদেয় েতা সারাজীবন চালােনা যােব না। েকান না েকান কাজ কের িকছু েরাজগার করেত হেব। রািশ রািশ িচন্তার মােঝ সহসা তার বান্ধবী সািবৰ্ণার কথা মেন পেড় েগল। পৰ্ায় সাত বছর আেগ সািবৰ্ণা ও তার সব্ামী েডািমিনক হুবার জামর্ািন তয্াগ কের ভারতবেষর্র েগায়ােত চেল যায়। েসখােন ভাল লাগিছল বেল তারা েগায়ােত স্থায়ীভােব বসবাস শ‌ুরু কের। উত্তর েগায়ার কালানগ‌ুেট বীেচর সংলগ্ন এক টুিরস্ট্ এলাকায় তারা দু জেন িমেল একটা েরেস্তারাঁ েখােল। েডািমিনক রাঁধত আর সািবৰ্ণা একিট স্থানীয় মিহলার সহায়তায় খেদ্দরেদর খাবার পিরেবশন করত। তােদর পৰ্স্তুত খােদয্র তািলকায় িবিবধ রকেমর ইতালীয়ান খাবার িছল। েসজনয্ েরেস্তারাঁর নাম Italian Speciality Restaurant েদওয়া হেয়িছল। দেল দেল টুিরস্ট্ সান্ধয্েভাজন করেত তােদর েরেস্তারাঁেত আসত বেল সািবৰ্ণার বয্বসা ভােলা চলিছল। িতন বছর আেগ সািবৰ্ণা মিণকােক আমন্তৰ্ণ কের িলেখিছল তােদর কােছ আসেত ও তােদর বয্বসায় সাহাযয্ করেত। িকন্তু মিণকা েসসময় পয্ািটৰ্েকর সেঙ্গ েযাগােযাগ সম্পূ ণর্ভােব েকেট িদেয় দীঘর্কােলর জনয্ েগায়ােত েযেত চায় িন। েস আশা কের যািচ্ছল পয্ািটৰ্ক আেন্দৰ্য়ার সেঙ্গ িববাহবন্ধন েছদ কের তােক িবেয় করেব। তার েস আশা গত িতন বছের পূ ণর্ েতা হয়ই িন, তার ওপর আজেকর এই মারাত্মক ঘটনা ! মিণকা িসদ্ধান্ত িনল েস সািবৰ্ণার কােছ চেল যােব আর েসখােন এক নতুন জীবন শ‌ুরু করেব। েস সািবৰ্ণােক তক্ষুিণ েফান কের িজজ্ঞাসা করল েস িক েগায়ােত তােদর কােছ আসেত পাের? সািবৰ্ণা জািনেয় িদল তারা মিণকােক সবর্দা সাদের অভয্থর্না জানােব। েকন েগায়ােত েযেত চায় তার কারণ সমব্েন্ধ সম্পূ ণর্ সতয্ কথা না বেল মিণকা সিবৰ্ণােক জানাল েয, পয্ািটৰ্েকর সেঙ্গ ভয়ানক

57


মেনামািলনয্ হওয়ায় মিণকা তার সেঙ্গ েকান সম্পকর্ রাখেত চায় না। এও বলল েয েস িকছু কােলর জনয্ নতুন পিরেবেশ থাকেত এবং তার ভিবষয্ত জীবন সমব্েন্ধ গভীরভােব িচন্তা করেত চায়। উপরন্তু েস মানিসক শািন্ত খুঁজেছ এবং আশা করেছ ভারতবেষর্ তা েপেত পাের। মিণকা জানাল সািবৰ্ণার িনমন্তৰ্ণ েপেল েস যার–পর–নাই খুিশ হেব। সািবৰ্ণা সেঙ্গ সেঙ্গ মিণকােক েগায়ােত আসার জনয্ আন্তিরকভােব িনমন্তৰ্ণ করল। তােত দু িশ্চন্তায় ভারাকৰ্ান্ত মিণকার মনটা একটু হালকা হল। সািবৰ্ণােক ধনয্বাদ জািনেয় েস েটিলেফানটা রাখল। েপাশাক, টাকাপয়সা, পাসেপাটর্ ইতয্ািদ গ‌ুিছেয় িনেয় মিণকা েসই িদনই সন্ধয্ার েটৰ্েন েরােম চেল েগল। েসখােন িতন িদন থাকার পর এয়ার ইিণ্ডয়ার িবমােন কের েসখান েথেক অন্তেদ্দর্শীয় িবমােন কের েগায়ােত েপৗছাল। নতুন পিরেবেশ মিণকার ভালই লাগিছল। েস েরেস্তারাঁর িবিভন্নয্ কােজ সািবৰ্ণােক সাহাযয্ করত। েয সমস্ত টুিরস্ট্ িনেজেদর েহােটেল সান্ধয্েভাজন করত তােদর মেধয্ অেনেকই িবেকলেবলায় সািবৰ্ণােদর েরেস্তারাঁয় চা বা কিফ েখেত আসত। িবেশষ কের ইউেরাপীয়ান টুিরস্টরা চা বা কিফর সেঙ্গ েকক েখেত চাইত। শ‌ুধু িমিষ্ট অথবা েনানতা িবস্কুট েখেয় তারা সন্তুষ্ট িছল না। মিণকা জানত েস ভাল েকক ৈতরী করেত পাের। জামর্ািনেত তার সহকমর্ী, সহকিমর্ণীরা এবং পয্ািটৰ্ক বহুবার তার ৈতরী েকেকর পৰ্শংসা কেরেছ। েগায়ােত েকেকর চািহদা আেছ েদেখ মিণকা সািবৰ্ণা ও ডিমিনেকর কােছ একটা েকেকর েদাকান েখালার পৰ্স্তাব করল। তারা খুব উত্সােহর সেঙ্গই রাজী হেয় েগল এবং মূ লধন েযাগানর ভার িনল। েরেস্তারাঁর সংলগ্ন জিমেত েকেকর েদাকান িনমর্ান করা হল। েগায়ার রাজধানী পানািজেত

িগেয় েকক ৈতরী করার পৰ্েয়াজনীয় সব

সরঞ্জাম মিণকা ও ডিমিনক একসেঙ্গ িমেল িকেন িনল। German Cake Shop নাম িদেয় েকেকর েদাকান েখালা হল। েকেকর েদাকান েথেক মিণকার েবশ ভাল আয় হত। সািবৰ্ণােদর খেদ্দরাও দেল দেল তােদর েরেস্তারাঁেত িবেকেল েকেকর সেঙ্গ চা বা কিফ েখেত আসত বেল সািবৰ্ণােদর ও মুনাফা েবেড় েগল। একটা সব্াধীন কমর্েক্ষতৰ্ েপেয় যাওয়ােত মিণকা েযমন সািবৰ্ণা ও তার সব্ামীর পৰ্িত কৃতজ্ঞ িছল েতমনই েশেষাক্তরা বয্াবসাবৃ িদ্ধ র জনয্ মিণকােক ধনয্বাদ িদত। িনেজর েদাকােনর কােজ সারািদন কমর্বয্স্ত থাকায় মিণকার অনয্ িকছু িবষয় সমব্েন্ধ িচন্তা করার অবসর িছল না। িকন্তু রািতৰ্েত যখন েস একলা শ‌ুেয় থাকত তখন মেন Interpol এর ভয় জাগত। েস ধের িনেয়িছল জামর্ানীর সরকার খুনী মিণকােক েগৰ্প্তার করার জনয্ িনশ্চয়ই

আন্তজর্ািতক পুিলেসর সাহাযয্ েচেয়েছ। এই ভেয়র

সেঙ্গ িমিশেয় িছল অনু েশাচনা এবং তার িনেজর পৰ্িত িধক্কার। মাতৰ্ একরািতৰ্র ঘটনার ফেল তার জীবেন এত অিচন্তনীয় পিরবতর্ন এেস েগল। পয্ািটৰ্ক পৰ্িতজ্ঞা কেরিছল একিদন না একিদন েস মিণকােক িবেয় করেবই। মৃ ত পয্ািটৰ্ক েসই পৰ্িতজ্ঞা রাখেত পারল না। তারজনয্ মিণকাই দায়ী। ভারাকৰ্ান্ত মেন মিণকা আর েবশী িচন্তা করেত পারত না। পুিলেসর ভয়, িনেজর ভত্র্সনা আর অনু তাপ তার মেন পৰ্বল অশািন্ত ও চরম দু ঃখ এেন িদেয়িছল। মিণকা শ‌ুেয় শ‌ুেয় কাঁদত আর তার েচােখর জল টপটপ কের গিড়েয় পেড় বািলশ েভজাত। তার দু ঃখ হত এই জনয্ েয এই িবশাল পৃ িথবীেত তার িনেজর বেল েকান েলাক িছল না যার কােধঁ মাথা েরেখ েস কাদঁেত আর েলাকিটর কাছ েথেক িকছু সান্তব্নাদায়ক কথা আশা করেত পারত। িক চরম দু ভর্াগয্ তার! দু ঃখ, অশািন্ত ও অপরাধেবাধ িনেয়ই মিণকার িতন বছর েগায়ােত েকেট েগল। মেন শািন্ত পাও য়ার জনয্ এক িদন মিণকা িস্থর করল েস তার অপরাধ েকান ধমর্পরায়ণ বয্িক্তর কােছ িগেয় সব্ীকার করেব। কয্াথিলক ধমর্াবলমব্ীরা তােদর পৰ্চিলত রীিত অনু ্যায়ী িগজর্ায় িগেয় পাদরীর কােছ েগাপেন িনেজেদর অপরাধ সব্ীকার কের। তােত নািক মেন শািন্ত পাওয়া যায় এমনই মিণকা শ‌ুেন এেসেছ।

58

েসও েতা কয্াথিলক


ধমর্াবলিমব্ণী। েস পানািজেত িগেয় েসখানকার িগজর্া Church of our Lady‐র ধমর্যাজেকর কােছ তার অপরাধ সব্ীকার করেত পাের। িকন্তু মিণকা আেদৗ িগজর্ায় েযেত চায় না িবেশষ কের েগায়ার েকান িগজর্ায়। েস েযেত চায় তার বাসস্থান েথেক বহুদূ ের েযখানকার েলােকরা তােক একদম েচেন না। পাদরীর কােছ না িগেয় েস েযেত চায় েকান সন্নয্াসীর কােছ। েলােকেদর কােছ শ‌ুেনেছ িহমালেয় বহু েযাগী ও সন্নয্াসী বসবাস কের। বহু িবেদশী েলােকরা ঋিষেকেশ যান এখবর েস েপেয়েছ। েসখােন নািক অেনক আশৰ্ম আেছ েযখােন বহু ঈশব্রিনষ্ঠ সন্নয্াসীরা জীবনযাপন কেরন। তাঁরা ভক্তেদর ধমর্িশক্ষা এবং দীক্ষা েদন। মিণকার অিভপৰ্ায় েয েসই রকম এক সন্নয্াসীর কােছ িগেয় েস তার অপরাধ সব্ীকার করেব। তার আশা আেছ, সন্নয্াসী তার মেন শািন্ত এেন িদেত পাের। মিণকার অিভপৰ্ায় জানার পর সািবৰ্ণা িঠক বু েঝ উঠেত পারিছল না মিণকা িহমালেয়র িদেক েযেত চায় েকন। ওর এত অশািন্তই বা িকেসর? বন্ধু বা সব্ামীর সেঙ্গ েতা অেনক পিরবােরই ঝগড়া হয়। িকছু কােলর মেধয্ই মানু ষরা আবার তােদর ঝগড়া ভুেল যায়। িনেজেদর মেধয্ িমটমাট কের েফেল। মিণকা তখনও পযর্ন্ত সািবৰ্ণােক তার জীবেনর সব কথা খুেল বেল িন। কারণ তার আশঙ্কা িছল সিতয্ কথা বলেল সািবৰ্ণা তার মতন এক হতয্াকািরণীেক িনশ্চয়ই আশৰ্য় িদত না। যাইেহাক মিণকা যত িদন েগায়ায় আবার িফের না আেস ততিদেনর জনয্ েকেকর েদাকান চালাবার দািয়তব্ িনল সািবৰ্ণা ও মিণকার এক সাহাযয্কািরণী। সািবৰ্ণা ও ডিমিনকেক আন্তিরক ধনয্বাদ জািনেয় মিণকা উত্তরাঞ্চেলর িদেক রওনা হেয় েগল। মিণকা হিরদব্ার হেয় ঋিষেকেশ এেস েপঁৗছাল। েদখল েসখােন অেনক আশৰ্ম আেছ েযখােন বহু সন্নয্াসী, েযাগী ও ধমর্িশক্ষকরা বাস কেরন। মিণকা জানত পাশ্চাতয্ েদশ েথেক সতয্ানু সন্ধানী েলােকরা উত্তরাঞ্চেলর পিবতৰ্ জায়গাগ‌ুিলেত আসত আধয্ািত্মক জীবনযাপেনর পৰ্ণালী িশখেত, েযাগ, পৰ্াণায়াম ও ধয্ােনর অনু শীলন করেত, দীক্ষা িনেত এবং মেন শািন্ত পাবার পদ্ধিত জানেত। শািন্ত পাওয়া েতা মিণকারও বাসনা। অপরাধেবাধ ও অনু তােপ এবং িনেজেক িধক্কার িদেত িদেত েস মেনর শািন্ত হািরেয় েফেলেছ যা েস পুনরায় িফের েপেত চায়। িকন্তু িকভােব েস শািন্ত েপেত পাের? েকান্ পুণয্াত্মা তােক শািন্ত িদেত পােরন? েস েতা ঋিষেকেশ কাউেকই েচেন না। েস পৰ্থেম ঘুের ঘুের ঋিষেকশ েদেখ িনল। েগরুয়া বসন পিরিহত সব্ামীজীেদর ভাবগম্ভীর মুখ েদেখ তার সাহস হিচ্ছল না েকান সব্ামীজীর কােছ তার দু দর্শা সমব্েন্ধ কথা বলেত এবং তার অপরাধ সব্ীকার করেত। িদব্ধাগৰ্স্ত হেয় মিণকা কেয়কিদন গঙ্গার তীরভূ িম িদেয় একবার জলেসৰ্ােতর িদেক এবং তারপেরর বার উেল্টা িদেক পায়চাির করেত লাগল। পৰ্েতয্ক িদনই েস লক্ষয্ করল, পীতবণর্ বসেন এক সাধু িবেকল চারেটর সময় গঙ্গার তীরভূ িমর কােছ এেস একটা পাথেরর ওপর বসেতন এবং সান্ধয্ আরিতর সময় উেঠ চেল েযেতন। সাধু র মুেখ চাপচাপ েগাঁফদািড়। েচােখ কােলা গগলস্। অনু েময় েয হয় সাধু িট তাঁর েচাখ কাউেক েদখােত চান না অথবা তাঁর েচাখ সূ েযর্র আেলা সহয্ করেত পাের না। িতিন পৰ্ায়ই আকােশর িদেক তািকেয় থাকেতন। মেন হত িতিন ভগবােনর কােছ িকছু পৰ্াথর্না করেতন। দূ র েথেক তাঁর মুখমণ্ডল ভাল কের েচনা েযত না, কারণ তার েবশী অংশই েগাঁফদািড় িদেয় ঢাকা িছল। ঐ সাধু সম্পেকর্ মিণকার েকৗতূ হল জাগল। ওনার সমব্েন্ধ িকছু সংবাদ েজাগাড় করার জনয্ েস একটা সু েভিনয়ােরর েদাকােন িকছু ধূ পকািঠ িকনেত েগল যােত েসই সু েযােগ েদাকানদােরর কাছ েথেক িকছু খবর বার করেত পাের। মিণকা েদাকানদারেক অনু েরাধ করল, “গঙ্গাতীের হলেদ বসন পরা সাধু বাবা সমব্েন্ধ আপিন িক িকছু জােনন?” উত্তের েদাকানদার বলল, ঐ “সাধু বাবা কেয়কবছর ধের ঋিষেকেশর এক আশৰ্েম থােকন। আশৰ্েমর কাজ েসের িবেকল চারেট েথেক গঙ্গার ধােরর পাথেরর ওপর উিন বেস থােকন।

59


সন্ধয্ারিতর সময় হেল উিন আরিত েদখেত যান। সাধু মহারাজ কারও সােথ িবেশষ কথা বেলন না। িকন্তু েকউ যিদ িকছু পৰ্শ্ন কের তখন উিন সাগৰ্েহ উত্তর েদন। উিন পরামশর্ িদেয় েলােকেদর সাহাযয্ করারও েচষ্টা কেরন। েলােকরা বেল সাধু বাবা সব্ল্পভাষী হেলও অমািয়ক ও বু িদ্ধমান। ওনার কথাগ‌ুিল খুব যু িক্তসঙ্গত। িকন্তু ওনার মুেখ েকান হািস েনই। মেন হয় উিন খুবই দু ঃখী। উিন সবসময় কােলা কাঁেচর চশমা পের থােকন বেল িকছু েলাক ভােব ওনােক িঘের েকান রহসয্ আেছ। তাই তারা ঠাট্টা কের ওনােক উপনাম িদেয়েছ ‘রহসয্ময় বাবা’।” েদাকানদােরর কথা শ‌ুেন মিণকার আেরা িকছু জানার ইচ্ছা হল। েস পৰ্শ্ন করল, “সাধু বাবা েকান েদেশর েলাক?” “সিঠক খবর েকউ জােন না। ওনার েচহারা েদেখ েলােক অনু মান কের উিন পাঞ্জাব অথবা জম্মু অথবা দািক্ষণােতয্র েকান বৰ্াহ্মণ পিরবােরর েলাক।” েদাকান েথেক েবিরেয় মিণকা িস্থর করল েস তথাকিথত রহসয্ময় বাবার কােছ িগেয় িনেজর দু ঃেখর কথা বলেব। মিণকার িবশব্াস উিন তার দু ঃখদু দর্শা সমবয্থা িনেয় বু ঝেত েচষ্টা করেবন। হয়ত উিন শািন্ত পাওয়ার উপায়ও েদিখেয়ও িদেত পারেবন। পেরর িদন মিণকা সাহস সঞ্চয় কের রহসয্ময় বাবার কােছ েগল। মহারােজর িনকেট এেস মিণকা তার িদেক তািকেয় িকছু ক্ষন দাঁিড়েয় রইল। করেজােড় পৰ্ণাম করার পর েস সমস্ত িদব্ধা িবসজর্ন িদেয় অনু চ্চসব্ের বলেত আরম্ভ করল, “মহারাজ, আিম ভীষণ মেনাদু ঃেখ কষ্ট পািচ্ছ। যিদ অনু মিত েদন তাহেল আিম আপনার সেঙ্গ িকছু কথা বেল শািন্ত েপেত চাই। “এই বেল মিণকা উত্তেরর পৰ্তয্াশায় মহারােজর িদেক তািকেয় রইল। মহারাজ তাঁর দৃ িষ্ট আকােশর িদক েথেক িফিরেয় িনেয় মিণকার িদেক িকছু ক্ষেনর জনয্ িনবন্ধ করেলন। তারপর শান্ত গলায় বলেলন, “মা, আিম েদখেত পািচ্ছ তুিম মমর্েবদনায় ভুগছ। েতামার দু ঃেখর কথা বলােত যিদ েতামার মনঃকষ্ট লাঘব হয় তাহেল আিম িনশচয়ই শ‌ুনব। “ওনার সামেনর একটা পাথর েদিখেয় উিন বলেলন, “বস মা।” বসেত বসেত মিণকা বলল, “ধনয্বাদ মহারাজ।” “িক হেয়েছ েয তুিম এত কষ্ট পাচ্ছ?”, মহারাজ পৰ্শ্ন করেলন। “আিম পাপ কেরিছ।” “িক পাপ কেরছ মা?” মিণকা মাথা ঘুিরেয় সতকর্ দৃ িষ্ট িদেয় চারপাশ েদেখ িনেয় িনচু গলায় বলল, “আিম একটা মানু ষেক খুন কেরিছ।” “কােক খুন কেরছ?” “আমার বন্ধুেক।” “েকন তুিম েতামার বন্ধুেক খুন কেরছ, েস ঘটনাটা একটু খুেল বল।” তখন িতন বছর আেগ েসই অশ‌ুভ রািতৰ্েত যা যা ঘেটিছল েস সব মিণকা িবশদভােব বণর্না করল। মিণকার কথা মেনােযাগ িদেয় শ‌ুেন মহারাজ িজজ্ঞাসা করেলন, “মা, তুিম িক কের এেতা সু িনিশ্চত েয তুিম খুন কেরছ?” “আিম েয গ‌ুিল কেরিছ।” “গ‌ুিল ছু ঁড়েলই েয েলােক খুন হেব তার েকান িনশ্চয়তা েনই। মা, তুিম িক কের জানেল েয েতামার গ‌ুিলেত েতামার বন্ধুর মৃ তুয্ হেয়েছ?”

60


“মহারাজ, আিম গ‌ুিল করােত আমার বন্ধু ধপ কের মািটেত পেড় েগল আর েসখােন সম্পূ ণর্ িনশ্চল হেয় পেড় রইল। তার কাছ েথেক েকান সাড়াশ

না আসায় আিম ধের িনেয়িছ েয আমার বন্ধু মারা েগেছ।’’

“মা, িকছু মেন কর না, আমার মেত তুিম ও েতামার বন্ধু একই ভুল কেরছ। তুিম েতামার বন্ধুর বাড়ীেত িসঁিড় িদেয় গিড়েয় পড়ার পর িনস্পন্দ হেয় পেড়িছেল। তাই েদেখ েতামার বন্ধু অনু মান কেরিছল েয তুিম মাথায় আঘাত েপেয় মারা েগছ। িঠক েসই রকমভােব গ‌ুিল করার পর েতামার বন্ধু মািটেত িনস্পন্দ হেয় পেড় রইল েদেখ তুিম অনু মান কেরছ েয েস মারা েগেছ এবং তুিমই তােক েমেরছ। মা, তুিম েতা ঐ ঘটনার আেগ েকানিদন িপস্তল হােত নাও িন। উেত্তজনায় তুিম িঠক মতন তাক করেত েপেরিছেল িকনা তা তুিম িনিশ্চতভােব জান না। তাছাড়া েতামার বন্ধু েয মৃ েতর ভান কের মািটেত পেড় রেয়িছল িকনা তাও তুিম জান না।’’ “মহারাজ, ঘটনাগ‌ুিল আিম আপনার মেতা পুঙ্খানু পুঙ্খরূেপ িবচার কের েদিখিন। আপনার কথা শ‌ুেন িকছু টা সব্াচ্ছন্দয্ েবাধ করিছ।’’ “মা, িকছু মেন কর না, েতামার নাম িক আমায় বলেব?” “িনশ্চয়ই মহারাজ, আমার নাম মিণকা েশােয়েন।’’ “তুিম েকান্ েদেশর েলাক ?’’ “আিম জামর্ািন েথেক আসিছ।’’ “জামর্ািনর েকান্ অঞ্চল েথেক ?’’ “আিম ডুইেসলডফ্র্ শহের থাকতাম েযখােন দু ঃেখর ঘটনাগ‌ুিল ঘেটেছ। ঘটনার পর আিম েসখান েথেক পািলেয় এেস েগায়ােত িতনবছর আত্মেগাপন কের আিছ।’’ “মা, েতামার বন্ধুর নাম িক?’’ “পয্ািটৰ্ক নু সবাওমার।’’ “মা, পয্ািটৰ্ক যিদ েবঁেচ থােক তাহেল তুিম িক ওেক ক্ষমা করেত পারেব?’’ “মহারাজ, আপনার আশাপৰ্দ কথা শ‌ুেন আিম আনন্দেবাধ করিছ। পয্ািটৰ্কেক আিম এখনও ভালবািস। অন্তের তােক আিম আেগই ক্ষমা কের িদেয়িছ। িকন্তু েস িক আমােক ক্ষমা করেব? দরকার পড়েল আিম হাঁটু েগেড় তােক অনু েরাধ করব আমায় ক্ষমা করেত। মহারাজ, পয্ািটৰ্ক িক সিতয্ েবঁেচ আেছ?’’ “হয্াঁ মা, েতামার পয্ািটৰ্ক সিতয্ েবঁেচ আেছ এবং ঋিষেকেশই আত্মেগাপন কের আেছ। েতামােদর সমস্ত ঘটনা েস আমােক িবশদভােব বণর্না কেরেছ। েসও অনু তপ্ত এবং চরম অসু খী। েসও িঠক েতামার মতন একইভােব িচন্তা করেছ। েস জােন না তুিম তার অপরাধ আেদৗ ক্ষমা করেব িক না। েস িকন্তু সব েদাষ িনেজর ওপর িনেয়েছ। েস বেলেছ েতামােদর বয্াপাের তুিম সম্পূ ণর্ভােব িনেদর্াষ। সমস্ত ভুল েবাঝাবু িঝ তার মূ খর্তার জনয্ই শ‌ুরু হেয়িছল। মা, েদখছ েতা, েতামােক আেদৗ ক্ষমা চাইেত হেবনা।’’ “আচ্ছা, পয্ািটৰ্ক িক আপনােক বেলেছ েসই রািতৰ্েত আমার গ‌ুিল েছাঁড়ার পর িক হল?’’ “েস যখন বেনর মেধয্ েতামােক অনু সরণ করিছল তখন েস জানতই না েয তুিম তার িপস্তল হােত িনেয় েদৗড়াচ্ছ। ভাগয্বশতঃ গ‌ুিল তার বাহু েঘঁেষ চেল িগেয়িছল। তুিম যােত তােক আবার গ‌ুিল না কর েসজনয্ েস মের যাওয়ার ভান কের মািটেত ধপ কের পেড় চুপ কের শ‌ুেয় রইল। তুিম অেনক দূ ের চেল যাওয়ার পর েস উেঠ গাড়ীেত িফের আেস। তার মেন সবর্দাই ভয় িছল েয তুিম হয়ত একিদন পুিলেসর কােছ িগেয় সমস্ত

61


ঘটনাটা বেল েদেব এবং পুিলেসর সেঙ্গ বেন িগেয় ঘটনাস্থলগ‌ুিল েদিখেয় েদেব। পুিলেসর ও সামািজক েকেলঙ্কািরর ভেয় েস তার পেরর িদন িভেয়নায় চেল যায়। বািড় তয্াগ করার আেগ আেন্দৰ্য়ার জনয্ একটা েছাট্ট িচিঠ িলেখ যায় ‘িপৰ্য়তমা, একটা েগালেমেল বয্াপাের জিড়ত হেয় পড়ার দরুন আিম েদশতয্াগ করেত বাধয্ হিচ্ছ। এখােন থাকেল আমােক েজেল েযেত হেব যা আিম চাই না। এই বয্াপাের েতামার েকান েদাষ েনই। দয়া কের তুিম আমােক েখাঁজার েচষ্টা কর না। আমার জনয্ েশাক বা দু ঃখ বা অেপক্ষা কের িনেজর জীবন নষ্ট কর না। িচিঠর মাধয্েম িবদায় িনিচ্ছ বেল আমায় ক্ষমা কর। পড়ার পর এই িচিঠ পুিড়েয় েফল। আমার ভালবাসা িনও। েতামার পয্ািটৰ্ক।’ িভেয়না েথেক পয্ািটৰ্ক িদল্লী হেয় আত্মেগাপন কের থাকবার জনয্ ঋিষেকেশ আেস। কেয়ক বছর আেগ েস একবার টুিরষ্ট্ হেয় গেঙ্গাতৰ্ী যাবার পেথ ঋিষেকেশ এেসিছল এবং কেয়কিদন এখােন কািটেয়িছল। ঋিষেকশ তার আেগ েথেকই জানা িছল বেল েস েসাজাসু িজ এখােন এেস আত্মেগাপন কের রেয়েছ।’’ “আপনার কথা শ‌ুেন আিম সু দীঘর্ িতনবছর বােদ এই পৰ্থম িনেজেক িনরপরাধ েবাধ করিছ। মহারাজ, পয্ািটৰ্ক িক আমােক েদখেত চাইেব?’’ “পয্ািটৰ্ক েতামায় এখনও ভালবােস। তুিম এখােন আছ শ‌ুনেল েস েযমন িবিস্মত েতমনই আনিন্দত হেব। েতামার সেঙ্গ েকান না েকানিদন পুনিমর্লন হেব এই আশা িনেয়ই েতা পয্ািটৰ্ক েবঁেচ আেছ। মা, তুিম েকান্ েহােটেল উেঠছ?’’ পয্ািটৰ্েকর সেঙ্গ পুনিমর্লেনর সম্ভাবনা িনকটবতর্ী হওয়ায় মিণকার েচাখ িদেয় জল েবিরেয় এল। আনন্দাশৰ্ু মুছেত মুছেত বলল, “আমার েহােটেলর নাম Trident।’’ “িঠক আেছ, আিম পয্ািটৰ্কেক বলব কাল সন্ধয্ারিতর পর আটটার সময় েহােটেল েতামার সেঙ্গ েদখা করেত। তুিম রাজী েতা?’’ আেবগময় কেণ্ঠ মিণকা বলল, “মহারাজ, আিম আপনার পৰ্স্তােব খুব আনিন্দত এবং আিম আপনার পৰ্িত িচরকৃতজ্ঞ। পরমাত্মার দয়ায় আপনার সেঙ্গ েদখা হল। আপিন পয্ািটৰ্কেক বলেবন আিম তার সেঙ্গ িমিলত হবার জনয্ আকুল আকাঙক্ষা িনেয় অেপক্ষা করব।’’ কথাগ‌ুিল বেলই মিণকা মহারােজর পা ছু েঁ য় পৰ্ণাম করল। মহারােজর সেঙ্গ কথা বলােত সু দীঘর্ িতনবছর বােদ এই পৰ্থম মিণকার েদেহ, মেন ও পৰ্ােণ আনেন্দর লহরী েখেল েগল। গদগদকেণ্ঠ েস বলল, “মহারাজ, যিদ সম্ভব হয় তাহেল আপিন আগামী কাল পয্ািটৰ্েকর সেঙ্গ েহােটেল আসেবন। আপিন এেল আিম অতয্ন্ত আনিন্দত হব।’’ মিণকার কথা েশষ হেত না হেতই সন্ধয্ারিতর ঘন্টা েবেজ উঠল। তখন মহারাজ বলেলন, “মা, চল সন্ধয্ারিত েদখেত যাই।’’ “চলু ন।’’ এই বেল মিণকা পীতবণর্ বসনধারী সাধু মহারােজর েপছেন েপছেন মিন্দেরর িদেক হাঁটেত লাগল। পেরর িদন সন্ধয্ায় মিণকা সু ন্দরভােব েসেজগ‌ুেজ েহােটল লিবেত একটা েসাফায় বেস পয্ািটৰ্েকর জনয্ অেপক্ষা করিছল। িঠক আটটার সময় িফটফাট পয্ািটৰ্ক েহােটেলর পৰ্েবশ-কেক্ষ ঢুেক পড়ল। দূ র েথেক মিণকােক েদখেত েপেয় তার িদেক এেগাল। কােছ িগেয় বলল, “হয্ােলা।’’ মিণকাও বলল, “হয্ােলা।’’ পরস্পেরর িতক্ত অিভজ্ঞতা এবং িতনবছর েদখা না হওয়ায় দু জেনর মেধয্ দূ রেতব্র সৃিষ্ট হেয়িছল। তাই তারা শ‌ুধু করমদর্নই করল। আিলঙ্গন করেত বা চুমব্ন িদেত তারা ইতস্ততঃ করিছল। কথাবাতর্া শ‌ুরু করার জনয্ পয্ািটৰ্ক বলল, “মিণ, েতামােক সু ন্দর েদখােচ্ছ।’’ “পয্াট, তুিম একটু েরাগা হেয়ছ। তাহেলও েতামােক েবশ ভাল েদখােচ্ছ। এই কথা বলার পরই মিণকা পৰ্শ্ন করল, “মহারাজ এেলন না েকন?’’

62


পৰ্তুয্ত্তের পয্ািটৰ্ক বলল, “মহারাজ আসেত পারেলন না। উিন ঋিষেকশ েছেড় চেল যােচ্ছন। েকন যােচ্ছন িজজ্ঞাসা করােত উিন বলেলন, ‘আমার ধমর্জীবেনর সাধনা েশষ হেয় েগল। অতীেতর একটা পৰ্িতজ্ঞা রাখেত আমােক এখন সাংসািরক জীবেন পৰ্েবশ করেত হেব।’ িকেসর পৰ্িতজ্ঞা পৰ্শ্ন করায় িতিন বলেলন, ‘এককােল আিম একিট েমেয়েক খুব ভালবাসতাম। তােক কথা িদেয়িছলাম, একিদন না একিদন তােক িবেয় করবই। সম্পৰ্িত সময় হেয়েছ ঐ পৰ্িতজ্ঞা রাখার, অবশয্ যিদ েমেয়িট এতিদন পেরও আমােক িবেয় করেত চায়।’ এই কথা শ‌ুেন মিণকা পয্ািটৰ্েকর কােনর কােছ মুখ এেন মৃদু সব্ের বলল, “েমেয়িট মহারাজেক এই মুহূেতর্ই িবেয় করেত রাজী।’’ এই কথা শ‌ুেন পয্ািটৰ্েকর সব সেঙ্কাচ দূ র হল। েপৰ্মানু রােগ েস মিণকােক িনেজর বু েকর কােছ েটেন িনল। তখন মিণকা েবশ িকছু ক্ষণ পয্ািটৰ্েকর েচােখর িদেক তািকেয় েথেক অনু ভব করল পয্ািটৰ্ক এখনও তােক ভালবােস এবং তােক িনরবিচ্ছন্নভােব েপেত চায়। তখন েস েকান িদব্ধা না কের পয্ািটৰ্কেক জিড়েয় ধের তার বু েক মাথা রাখল। পয্ািটৰ্কও মিণকােক দু হাত িদেয় শক্ত কের জিড়েয় ধের তার মাথার ওপর িনেজর গাল রাখল আর বলল, “মিণ, আমার বাহুবন্ধন েকানিদনও খুলবনা।’’ উত্তের মিণকা বলল, “েতামােক আিম এত ভালবািস। বল েতা, েতামােক েছেড় আিম যাব েকাথায় ? আিম েয েতামারই। িপৰ্য়তম, আর কখনও আমােক একলা থাকেত িদওনা।’’ এরপর দু জেনর মেধয্ েথেক গত িতনবছের পুঞ্জীভূ ত সমস্ত েক্লশ, অনু তাপ, িধক্কার, অশািন্ত, ভয়, দু ঃখ, িতক্ততা সব এক িনেমেষ েবিরেয় েগল। পুরােনা কােলর মেতা তারা িনিবড়ভােব আিলঙ্গনবদ্ধ হেয় রইল।

63


64


েনই এক নতুন পৃিথবীেত (সু ইজারলয্ান্ড) পৰ্ণব কুমার রায় েচৗধু রী েনই শ

েনই জ

েনই েকােনা টৰ্ােমর ঘড়ঘড়ািনর শ । েনই বাতােস েধাঁয়ামাখা বু েকর জব্ালা েনই আবজর্নার দু গর্ন্ধ। েনই িবকট হেনর্র আওয়াজ েনই ধু েলার বায়ু মন্ডল। েনই সবু জ িমিছেলর জিঙ্গ িচত্কার েনই েকান লােলর রণ হুঙ্কার। েনই মৃ তুয্র িমিছল। েনই িভখারীর আনােগানা েনই পেথর অনয্ দাবীদার। েনই হকােরর ককর্ষ আওয়াজ। েনই বারুেদর গন্ধ েনই পুিলেশর বু েটর শ । েনই ধমর্ঘট আর ঘটেনই েকান জয্ামজট। েনই েকান েলাডেশিডং েনই েকান মহািমিছেলর ডাক। েনই েকান সাদাকােলার দব্ন্দব্ এটাই বড় ধন্দ। েনই দু নর্ীিত আেছ নীিত শ‌ুধু আেছ বাঁচার সব্াদওরা বাঁচার জনয্ বাঁেচ এ এক নতুন পৃ িথবীর বাতর্া।

65


বাবুদার ঘুিড় শৰ্ুিত বয্ানাজর্ী একিদন বাবু দা এেল বিবর ঘের , িজেজ্ঞস করেল,এই মেন আেছ েতার ঘুিড় ওড়ােত বািব বেল আিম ! কই তা-েতা পেড়না মেন !! এত িদন পের েতামার শখ েজেগেছ, ঘুিড় ওড়ােত! বাের বিলস িক! পুেজা এেসেছ, ঘুিড় ওড়াবনা! যাবনা েমলায় না হয় একটু বড়ই হেয়িছ, তাবেল েছাটেবলার কথা েভালা যায়! যা যাহ ! সময় নষ্ট না কের, ঘুিড়টা েদিখত েপেড় িনেয় আয় মােন! েকাথা েথেক! েতােদর গােছর ডােল েযটা আটেকেছ তুিম েদখিছ সবই ভুেলছ, সমেয়র সােথ আিমওত হেয়িছ বড় এখন আমার গােছর ডােল ওঠা, েশাভা পায় বলত! পারত িগেয় েপেড় নাও, নয়ত বরং কাল এেসা হােত আমার বড্ড অল্প সময় েবেরােত হেব জানত! তাই বু িঝ, েকাথায়! পুেজা মন্ডেপ! চল তাহেল একসেঙ্গ েবেরােবা নােগা এখেনা েয পাইিন ছু িট পের আবার গল্প করেবা তুই েদখিছস খুব িহেসিব হেয়িছস! এই েতার হেলা িকের! আের তানা ! এই সেব পৰ্েফসর হেয় ঢুেকিছ এক কেলজ এ হােত েতার সময় েনই, বড্ড সময় এর মুলয্ িদস, তাই- নাের, বল! আের যাহ! এমিন-ই বলিছলাম, েতার 'বাবু দা' জািনসই-েতা পাগল সমেয়র সেঙ্গ যিদও সব এেগােয় ,স্মৃিতর পরেত থােক সবই সিঞ্চত বাবু দা হেলা Aeronotic ইিঞ্জনীয়ার, আর িনজ পাড়ার এক মস্ত িহেরা সাত িদেনর ছু িট বািড়েয়, 'বাবু দা' েথেক যায় হয়ত ভােব অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জিল িদেত আসেবই অবথর্ েদেখ পৰ্িতমা ভাষােনর িদন,এক েকােণ দািড়েয় !! আের ও েয !! এেক্কবাের সাদামাটা ভােব! িকের তুই ! কই েদিখত, একবার মুখ েতাল!! বািবর আর কথা সেরনা, দু েচাখ ভিতর্ জল ...... আজেকরই িদেন এক বছর আেগ, বািব েয হারায়, তার একমাতৰ্ িদিদেক পৰ্িত বার এর মেতা এবােরও বাবু দা, বািবর পােশ দাঁিড়েয় ~ িকের বািব ! আজ, অনয্ েকাথাও যািব! হােত েতার সময় হেবেতা! চেলানা বাবু দা েতামার েযখােন মন কের ! আজ আিম যাবই যােবা ওই েয বাবু দার ঘুিড়, আবার আকােশ ওেড়! এবার রইেলা লাটাই, বিবর হােত ~ আজ অেনকিদন পর আবার আনেন্দ েমেত ওেঠ,বাবু দা আর বািড়র সক্কেল !!

66


Mahabharata - Indiens grösstes Epos Arabinda Roy Fortsetzung von Puja Patrika 2009 und 2010 Bisher erschienen in Puja Ptrika: Die Anfangsgeschichte des Mahabharata und das 1. Kapitel, die „Adi Parba“, 2. Kapitel „Sabha Parba“, 3. Kapitel „Vana Parba“ und 4. Kapitel "Virat Parba". 5. Kapitel „Udzog Parba“ d.h. die Kriegsvorbereitung 1. Nach der Hochzeit von Abhimanyu und Uttara diskutierten Shri Krishna, Balarama und die anderen Berater der Pandavas, wie man Pandavas Königreich wieder zurückerhalten könne. 2. Zu der Versammlung der Kauravas wurde der Mönch Dhaumya gesandt um das Königreich der Pandavas zurückzuerhalten. Aber Duryodhana sagte: „Ohne Krieg will ich den Pandavas nichts geben.“ 3. Edelmann Bidur, König Dhritarashtra, Bhishma und Drona machten alle Duryod‐ hana auf die schlechten Seiten des Kriegs aufmerksam, aber Duryodhana ant‐ wortete nur mit einem Wort: Krieg, Krieg und nochmals Krieg . 4. Weil kein anderer Weg gefunden wurde, baten die Pandavas alle Könige Indiens um ihre Hilfe. Duryodhana seinerseits aber fragte die Könige ebenfalls um ihre Hilfe an. 5. Duryodhana und Arjuna gingen beide zu Shri Krishna nach Dwaraka. Dieser war im Bett und schlief. Neben seinem Kopf stand ein königlicher Stuhl, dorthin setzte sich Duryodhana, und Arjuna liess sich in der Nähe seiner Füsse nieder . 6. Als Shri Krishna erwachte, sah er zuerst Arjuna, somit entschied er sich für den Krieg an der Seite der Pandavas. Da er auch Duryodhana nicht enttäuschen wollte, bekam dieser seine besten Krieger, die Narayani. 7. „In wenigen Tagen fängt die Schlacht an, welcher der indischen Bevölkerung viel Leid bringen wird.“ Solche Gedanken betrübten Shri Krishna und Yudhisthira sehr. Shri Krishna unternahm einen letzten Versuch und ging selbst zu den Kau‐ ravas. 8. Shri Krishna ging mit einemVerwandten von Arjuna, dem grossen Krieger Sat‐ yaki, zu den Kouravas und erbat für die Pandavas nur fünf Dörfer.Duryodhana antwortete, er würde ohne Krieg nicht einmal ein nadelspitzengrosses Stück Land zurückgeben. Bei dieser Gelegenheit planten Anhänger Duryodhanas, Shri Krishna gefangen zu nehmen. 9. Aber sie fanden niemanden, der den Mut dazu aufbrachte. Shri Krishna kam unzufrieden zurück. Auf dem Rückweg nahm er Karna in seinem Wagen mit und sagte: „Du bist nicht Kutscher Adhirathas des Wagenführers Sohn!, Kunti ist deine Mutter, du bist der ältere Bruder von Yudhisthira. Wenn du mit den Panda 67


Vas kämpfst, dann wirst du König werden.“ Aber Karna wollte Duryodhana keinesfalls im Stich lassen. 10. Auf dem Schlachtfeld Kurukshetra richteten beide Heere ihre Zeltplätze ein. Riesige Mengen von Kriegern, 109350 Männer, Pferde, Elefanten und 21870 Streitwagen wurden bereit gestellt. Kommandant der Kouravas war Bhishma. 11. Heerführer der Pandavas war Bhimarjuna. Shri Krishna versprach, in diesem Krieg wolle er keine Waffen in die Hand nehmen. Er werde nur als Arjunas Wagenlenker fungieren. 12. Bhishma sagte zu Duryodhana: „ Kauravas und Pandavas sind mir beide gleich. Ich kann die fünf Pandavas nicht töten. Aber so lange ich General bleibe, töte ich täglich zehntausend Soldaten der Pandavas .“ 6. Kapitel „Bhishma Parba“ d.h. die Geschichte von Bhishma dem Starken. 1. Beide Heere nahmen ihre Aufstellung ein und kämpften zehn Tage lang, jede Seite hatte ihre eigene Taktik. 2. Vor Beginm der Schlacht stieg Yudhisthira aus dem Streitwagen und begab sich zu Bhishma, Drona und Kripacharya, um sie um ihren Segen zu bitten. Alle drei segneten ihn herzlich. 3. Shri Krishna fuhr Arjuna vor Beginn des Krieges zwischen beide aufgestellten Parteien, und Arjuna sah alle seine Verwandten und. Freunde auf dem Schlachtfeld. Sofort legte er seine Waffen ab und sagte: „Nur um ein Stück Land zu besitzen, kann ich meine Verwandten nicht töten.“ 4. Da Begann Shri Krishna, ihm umfangreiche Erzählungen zu schildern. Diese Lebensweisheiten wird am Schluss in der Shrimod Bhagavad Gita aufgeschrie‐ ben. 5. Nach den Ratschlägen von Shri Krishna bereitete sich Arjuna auf die Schlacht vor. Dann fing er den Krieg gegen Bhishmas Truppen an, und es wurde so in‐ tensiv gekämpft, dass der Himmel sich verdunkelte. 6. Dronacharya kämpfte gegen Draupadis Bruder Dhristadumma. Bhima tötete an diesem Tag den König von Kalinga, sowie Shatrudeva, Bhanuman und Sat‐ yadeva. 7. Nakula und Sahadevas Onkel Salya, der König von Madra, kämpften auf der Seite der Kauravas.Sie besiegten Abhimanyu, der fliehen musste. Der Dämon Alambusha verlor den Kampf gegen Satyaki und musste ebenfalls fliehen 8. Duryodhana griff nun mit einer grossen Schar Soldaten Yudhisthira an, denn Arjuna war diesem zu Hilfe gekommen. Kouravas Krieger waren daraufhin de‐ moralisiert und flohen in alle Richtungen. Bhima tötete an einem einzigen Tag vierhzehn Brüder von Duryodhanas. 68


9. Duryodhana war über den Verlust seiner Streitmächte besorgt und sprach zu Bhishma: Mein Bruder, bitte greife stärker in das Kampfgeschehen ein , sonst töten uns die Pandavas in zwei Tagen.“ Bhishma antwortete: „Wegen Krishnas Zusammenarbeit mit den Pandavas ist es nicht möglich gegen sie zu gewin‐ nen.“ 10. Am nächsten Tag fing Bhishma an, so stark zu kämpfen, dass niemand ihm standhalten konnte. Als Arjuna ermüdet war, nahm Shri Krishna selbst ein Wagenrad in die Hand und wollte Bhishma töten. Arjuna hielt ihn auf und sagte: „Sie haben doch geschworen, dass Sie in diesem Krieg keine Waffen in die Hand nehmen wollen.“ 11. Shikhandi, ein Sohn von Drupada war ein Eunuche. Als Bhishma ihn sah, hörte er auf zu kämpfen. Arjuna wusste dies, darum setzte er Shikhandi vor sich den Streitwagen und attakierte Bhishma aus der Wagen heraus. 12. Nach zehnTagen Krieg war Bhishma stark verwundet und fiel von seinem Wagen. Aber sein Körper fiel nicht ganz zu Boden, sondern blieb auf den vielen Pfeilen aufgespiesst in geringer Höhe über dem Boden liegen. Er riet dann den Kuru‐Pandavas, den Krieg zu beenden. Aber Duryodhana befolgte seinen Rat nicht. Auf einer Seite des Schlachtfeldes wurde auf einer Seite ein Zelt auf‐ gestellt und dorthinein bettet man Bhishma. Weil er von seinem Vater Santanu die Gnade erhalten hatte, seinenTod nur selbst herbeizuführen, konnte er nur auf eigenen Wunsch sterben. 7. Kapitel „Drona Parba“ d.h. die Geschichte vom Lehrer Drona 1. Nach Bhishma wurde der Priester Drona Kommandant. Duryodhana sagte zu ihm: „Bitte holen Sie Yudhisthira hierher, ich werde ihn im Würfelspiel be‐ siegen und wieder in den Wald schicken.“ 2. Drona sagte: „Solange Krishna und Arjuna hier bleiben, ist das unmöglich, aber nur wenn andere sie auf dem Schlachtfeld beschäftigen, könnte man es tun. Daraufhin schworen der König von Trigartas mit seinen fünf Brüdern den furchbaren Schwur Samsaptaka, entweder Arjuna zu töten oder selbst den Tod zu finden. Zu diesem Kampf sammelten sie 50 starke Männer und fünfzigtausend Krieger um sich. 3. Am nächsten Tag zog Arjuna gegen sie in den Krieg. Die anderen Kämpfer, welche bei Yudhisthira geblieben waren, verloren aber in der Schlacht gegen Drona alle ihr Leben. Als Arjuna das hörte, tötete er alle Krieger Trigartas und begann gegen Drona zu kämpfen. 4. Der König von Kamrupa, Bhagadutta, war mit vielen Elefanten in den Krieg gezogen. Bhima, Satyaki und Dhristadumma konnten ihn alle nicht besiegen. Schliesslich tötete Arjuna den König und seinen Riesenelefanten mit einer 69


halbmondförmigen Waffe. 5. Am nächsten Tag entwickelte Drona eine neue Kriegstaktik mit kreisförmiger Aufstellung. Narayani Krieger brachten Arjuna auf die andere Seite des Schlachtfeldes. Auf der Seite der Pandavas war es nur dem Sohn Arjunas, dem Jüngling Abhimanyu möglich, in die geschlossene Front des Kreises einzudringen. 6. Abhimanyu durchdrang alleine die Kreisformation. Jayadratha, der Schwager von Duryodhana, bewachte den Eingang. An diesem Tag schlug Abhimanyu mit dem Segen von Shiva viele Kauravas. Bhima griff mehrmals an, konnte aber nicht in den geschlossenen Kreis eindringen. 7. Abhimanyu kämpfte so heftig auf dem Schlachtfeld, dass Dronacharya, Kripacharya, Karna und der Sohn von Drona, der starke Ashvatthama, etc. ihm gar nicht standhalten konnten. Erst nach einer Beratung mit Shokuni konnten ihn die sieben Wagenlenker gemeinsam töten. . 8. Als Arjuna aufs Schlachtfeld zurückkehrte, hörte er alles. Er trauerte sehr um seinen Sohn und schwur, dass er morgen noch vor Sonnenuntergang Jayadratha töten werde. Mit Hilfe von Krishna konnte er dieses Vorhaben durchführen. 9. Zu Bhishmas Gefolge gehörte eine Dämonin namens Hirimba. Ghatotkacha, ein sehr guter Kämpfer, war ihr Sohn. In der Magie war er sehr gewandt. Nachdem er den Dämon Alayadh von der Seite der Kauravas getötet hatte, begann er ein schweres Gefecht gegen Karna. 10. Der grosse Kämpfer Karna brach beim Widerstand gegen Ghatotkacha fast zusammen. Er sah keinen anderen Ausweg und tötete den Gegner mit einer von Indra erhaltenen, sehr starken Waffe namens „Ein‐Mann‐Zerstörer“. Noch während er starb, wurde Ghatotkachas Körper so gross, dass viele Kauravakrieger, Pferde und Elefanten unter ihm begraben wurden und starben. 11. Bhima tötete einen Elefanten namens Ashvatthama und schrie: „Ashvatthama ist tot!“ Drona erschrak und wollte von Yudhishthira wissen, was tatsächlich passiert war. Yudhishthira sagte sehr laut: „Ashvatthama ist tot“, aber nur sehr leise „Der Elefant.“ Drona hörte die Worte „Der Elefant“ nicht und dachte, sein gleichnamiger Sohn sei gestorben. Sofort legte er alle Waffen ab und blieb in seinem Streitwagen sitzen. Dhrishtadyumna schlug ihm daraufhin den Kopf ab. 12. Nach dem Tod seines Vaters wurde Ashvatthama vom Zorn ergriffen und wollte die Pandavas vernichten. Er spannte den Bogen „Narayana“. In diesem Moment bebte die Erde und die Sonne verfinsterte sich. Krishna schrie: „Alle Kämpfer auf der Seite der Pandavas, egal wo sie sind, sollen ihre Waffen ablegen und stehen bleiben.“ Dann fing er mit seiner Brust den Pfeil ab, der sich in eine Girlande um seinen Hals verwandelte. 70


8. Kapitel ,Karna Parba" d.h. die Geschichte von General Karna 1. Nach dem Tod von Dronacharya wurde Karna Kommandant. Er sagte: „Salya soll nun bitte mein Kutscher sein.“ Von diesem Angebot fühlte sich Salya beleidigt und wollte abreisen. Doch Duryodhana beruhigte ihn. 2. Karna attackierte Yudhishthira um ihn einzufangen. Karnas Pfeile konnten Yudhishthira jedoch lange nichts anhaben, aber am Schluss konnte er sich nicht mehr zur Wehr setzen.. Die Söhne von Dhritarastra wollten ihn gefangen nehmen und setzten ihm nach. 3. Als Bhima sich näherte und Dhritarashtras Söhne ihn sahen, rannten diese in alle Richtungen davon. Im Kampf gegen Bhima verloren an diesem Tag viele ihr Leben. 4. Nach dem Tod seiner Brüder kam Dushasana mit seinem Streitwagen zu Bhima. Als Bhima ihn sah, erinnerte er sich an die Beleidigung Draupadis, sprang von seinem Wagen und tötete ihn. 5. Karna konnte diese Überlegenheit von Bhima nicht akzeptieren. Er begann mit Pfeil und Bogen einen sehr kraftvollen Angriff gegen Bhima. Dieser war nach dem harten Kampf gegen Karna sehr ermüdet. Dhristadumma und Satyaki kamen ihm zu Hilfe ‐ was sonst mit Bhima geschehen wäre, weiss man nicht. 6. Gleichzeitig fing Ashvatthama mit Arjuna zu kämpfen an. Ashvatthama hatte starke Waffen, mit denen er Arjuna sehr schwächen konnte. Am Schluss schlug Arjuna den Gegner mit der tödlichen Waffe „Oindrastra“. 7. Der Sohn von Karna, Brishasen, führte nach dem Sieg über Nakula das Gefecht gegen Arjuna fort. Arjuna sagte zu Karna: „ Sie haben Abhimanyu getötet, jetzt werde ich Brishasen umbringen. Wenn jemand dies verhindern will, soll er es versuchen.“ Sogleich tötete er ihn mit 10 Pfeilen. 8. Voll Zorn attackierte Karna seinen Widersacher Arjuna. Es war ein wundervoller Kampf. Beide waren gute Krieger, bestens trainiert mit den Kampfwaffen. Als sie sich gegenseitig angriffen, begann die Erde sich zu bewegen. Der Wind stand still. 9. Karna hatte sehr lange einen Pfeil aufbewahrt, um Arjuna zu töten. Jetzt spannte er diesen Pfeil in seinen Bogen. Sofort fiel eine Art Feuerregen vom Himmel. Um Arjuna zu helfen, drückte Krishna Arjunas Streitwagen mit dem Fuss in den Boden. Somit landete Karnas Pfeil nicht in Arjunas Brust, sondern in seinem Helm, Arjuna war gerettet. 10. Parashurama, der geistige Lehrer von Karna, hatte einen Fluch auf Karna gelegt, dass während dessen Todes sein Streitwagen im Boden versinken solle.“ Nun versank Karnas Streitwagen im Boden und er konnte ihn nicht mehr herausholen. 71


11. Karna sagte zu Arjuna: „ Arjuna, Sie sind religiös und die Religion schreibt vor, dass man nicht gegen einen hilflosen Feind kämpft. Ich bitte Sie also dringend, geben Sie mir etwas Zeit, meinen Wagen aus der Erde herauszuziehen. 12. Krishna sagte: „Karna, als du Abhimanyu getötet hast, wo war da diese religiöse Vorschrift?“ Er sagte zu Arjuna: „Töte Karna bei dieser Gelegenheit.“ Also enthauptete Arjuna Karna mit einer starken Waffe namens „Anjalik“. 9. Kapitel „Salya Parba“ d.h. die Geschichte von General Salya 1. Nach dem Tod von Karna brach Duryodhana zusammen. Trotzdem traf er weitere Kriegsvorbereitungen und berief Salya als Kommandanten. 2. Shakuni und Sahadeva kämpften beide lange Zeit. Am Schluss trennte Sahadeva mit der „Bhalla‐Waffe“ dem Unruhestifter Shakuni das Haupt vom Körper. 3. Salya war ein grosser Streitkolbenkämpfer. Er focht gegen Bhima und schlug ihn mit dem Streitkolben bewusstlos. Als Yudhisthira dies sah, begann auch er gegen Salya zu kämpfen. Nach langem Krieg warf Yudhisthira die brennende Waffe „Stark“ nach Salya. Diese durchdrang den Körper von Salya und schlug in den Boden ein. 4. Nach Salyas Tod flüchteten die Getreuen Duryodhanas in alle Richtungen, und seine restlichen Brüder wurden einer nach dem anderen von Bhima getötet. Die Kurzversion der restlichen Kapitel möchte ich später bringen.

Sketch by K.K. Hebbar

72


73


74


শরেতর শিমর্লা মুিক্ত বেন্দয্াপাধয্ায় সব্ল্পভাষী মানু ষিট েয এত কথা বলেত পাের তা েযন তার অিত িনকটজনরাও িবশব্াস করেত পারেছ না। আর নবাগত আত্মীয়রা েযমন এই এক বছর িবেয় হেয়েছ অিনিন্দতার, অিনিন্দতার ভাইেপা বউ, আর ভােগ্ন বউ েপৗলমীর মাতৰ্ ছয় মাস, েস েতা এই ছয় মােস ন’মামার মুখ েথেক ছটা কথা শ‌ুেনেছ িকনা সেন্দহ। অিনিন্দতা অবশয্ একটু েবশী শ‌ুেনেছ কারণ একই বাড়ীেত থাকেতা। সকেল যখন এই িবস্মেয়র েঘাের ঘুরপাক খােচ্ছ তখন শরত্বাবু র মুেখ েযন কথার ফুলঝুির ফুটেছ। েমজ েবৗিদ একটু বড় কের িসন্দুর িটপটা পরাও, েতামরা েদখিন ও সব সময় বড় বড় িটপ পরেত ভােলাবাসেতা। এই েছাড়িদ চওড়া কের আলতা পরা। সরু আলতা ওেক কখেনা পরেত েদেখিছস? বড় েবৗমা েকাথায় েগল, নতুন কাপড় আনেত? না, না ওেক ওর লাল পাড় কিরয়ালটা দাও। েছাট েবৗমা তুিম তাড়াতািড় শিমর্র েডৰ্িসং েটিবল েথেক েসেন্টর িশিশটা আেনা েতা! হয্াঁ, েযটা ভিতর্ আেছ েসটাই এেন পুেরা িশিশটা গােয় েঢেল িদও। িসন্দুর, আলতা আর েসন্ট- এই িতনেট িজিনসই েতা শিমর্ পছন্দ করেতা। েকােনািদন েতামরা িক েকউ েদেখেছা শিমর্ উগৰ্ িকছু েসেজেছ? এক ডাল কােলা চুল িছল, নারেকাল েতল ছাড়া েকােনািদন িকছু মােখিন। সােবিকয়ানা িনেয়ই শিমর্ েবঁেচ থাকেত চাইেতা। আের েগাকুেলর মা দাঁিড়েয় আছ িক? যাও যাও ছােদর টব েথেক তাড়াতািড় েবল, জুঁই যা ফুেটেছ সব তুেল িনেয় এস। ওর পােশ আিম িনেজর হােত রাখব। েদখিন একটা ফুল ফুটেল সারািদন আনেন্দ থাকেতা। শরত্বাবু র বড়িদিদ েসৗদািমনীেদবী অেনকক্ষণ েছাটভাইেয়র অিস্থরতা েদখিছেলন। িতিন শরত্-এর েথেক পেনেরা বছেরর বড়, কােজই শরত্-এর জন্মক্ষেণর েথেক আজ পযর্ন্ত যা ঘেটেছ সবই ধারাবািহকভােব সািজেয় িদেত পােরন। তাঁরও অেনক বেয়স হেয়েছ, উঠেত বসেত কষ্ট, তবু কষ্ট কের উেঠ এেস শরত্বাবু র কােছ এেলন, এেস মৃ দু সব্ের বলেলন, "শরত্ সব বয্বস্থা হেয় যােব, েতােক বয্স্ত হেত হেব না। তুই আমার কােছ আয় বসিব চল", শরত্বাবু র হাতখািন েসৗদািমনীেদবী ধরেলন। শরত্বাবু িদিদর হাত েথেক িনেজর হাতখািন ছািড়েয় িনেত েচষ্টা করেলন, িকন্তু পারেলন না, িদিদ েবশ শক্ত কেরই হাতখািন ধেরেছন। তখন অসহায় মুেখ িদিদর কােছ পৰ্শ্ন রাখেলন, "িদিদ, শিমর্র েশষ যাতৰ্ায় ওর সব পছন্দগ‌ুেলা যিদ না বেল িদই তাহেল সবাই জানেব িক কের? আর মেন অসেন্তাষ িনেয় েশষ যাতৰ্া িক ভােলা িদিদ, মেন েনই মা িক বলেতন- যার েশষ ভােলা তার সব ভােলা।" েসৗদািমনীেদবী আর িনেজেক ধের রাখেত পারেলন না। েছাট ভাইেয়র মাথাখািন িনেজর বু েকর ওপর েচেপ হু, হু কের েকঁেদ েফলেলন। না, না, িদিদ েকঁদ না; শিমর্ কান্না একদম পছন্দ করত না। বলত আনন্দ কের জীবন কাটাও। খুব িমিষ্ট সব্ের েছাট ভাইেয়র কাঁেধ হাতখািন েরেখ েসৗদািমনীেদবী বলেলন, "েকন শরত্? শিমর্লার েশষ ভােলা েতা হেয়েছই। এমন দু ই উপযু ক্ত েছেল, েতার মত সব্ামী, মেনর মতন দু ই েবৗমা, নাতী, নাতনী সব েরেখই েতা ডয্াং ডয্াং কের চেল েগল। কথা েনই, বাতর্া েনই, হুট কের। সারা সকাল ধের কাজ কের, সবাইেক খাইেয় দাইেয়, শ‌ুেত েগল, শ‌ুেয়ই বেল শরীরটা ভােলা লাগেছ না, এক গ্লাস জল দাওেতা, সব্ামীর হােত েশষ জলটুকু েখল, তারপরই বািলেশ মাথা েরেখ মহািনদৰ্ায় ঘুিমেয় পড়ল। েযন গেল্পর বই পড়িছ। এ

75


েয সতয্ িনেজর েছাট ভাইেয়র বউ-এর ঘটনা তা মেনই হেচ্ছ না। এরপর-ও তুই বলিব, "েশষ ভােলা যার, সব ভােলা তার।" আর এই আমােক েদখ, কতিদন েতার দাদাবাবু চেল েগেছন। েছেল-েমেয়রা তােদর মত আেছ। আর আিম যেক্ষর মত েযন বেস আিছ সবিকছু আগিলেয়। মন শান্ত কর ভাই, আয় েদিখ আমার কােছ শান্ত হেয় বস।" না, না িদিদ, তুিম আমার কথাটা বু ঝেত পারছ না। আচ্ছা েগাকুল েকাথায় েগল, ওেক েয রজনীগন্ধার মালা আনেত পাঠালাম, এখেনা েতা এেলা না। এতক্ষণ েমজেবৗ চুপ কেরিছল, মেন মেন ভাবেলা ন-ঠাকুরেপা েক েতা ফুলশযয্ার িদেনও এত বয্স্ত হেত েদিখিন, িক হেলা শরীর িঠক আেছ েতা ? শিমর্লার কপােল খুব বড় কের িসন্দুেরর িটপ পিরেয়, িসন্দুর েকৗেটা েথেক িনেজর িসঁিথেত িদেয় বেল ভািগয্মানী কেব েতার মত যাব। তারপর ধীর পােয় িনেজর েছেলর বউ-এর কােছ িগেয় বলল েবৗমা েতামার শব্শ‌ুরমশাই েকাথায়? শ‌ুভ েকাথায়? ওেক এেস ন-ঠাকুরেপােক একটু েচক করেত বেলা। অিনিন্দতা বেল, মা বাবা ঘের, িকন্তু আপনার েছেলেতা হসিপটাল েথেক এেস েপঁৗছয়িন। আজেতা ওর অপােরশন েকস িছল। "ও, তাহেল েতামার শব্শ‌ুরমশাইেক ডােকা। ন-ঠাকুরেপােক একটু সামাল িদক। ও এত কথা েকন বলেছ, সারা জীবনেতা েদখলাম। ওেক কখেনা এত কথা বলেত, এত বয্স্ত হেত কখেনা েদিখিন। আমার খুব ভয় করেছ। শিমর্লা কত বলত, েতামার েদওর এত কম কথা বেল িক কের থােক বেলােতা ? আিম হেল েতা মের েযতাম। েদখ শিমর্লা , েদখ, েতার বর কত কথা বলেছ শ‌ুধু েতার জনয্, এখন তুই কথা বন্ধ কের শ‌ুেয় আিছস। আচ্ছা িদিদ েতামার মেন আেছ, েছাড়িদ কত বলত, শরত্ আর শিমর্লা, শিমর্লা আর শরত্ িক িমল। এেক েযন অপরেক ছাড়া থাকেত পাের না। আজ েদেখা শিমর্লা চেল যােচ্ছ আর আিম যািচ্ছ না। িক আশ্চযর্য্ তাই না ? আর আমােদর িমল েনই তাই না? েসৗদািমনীেদবী আরও একবার হু হু কের েকঁেদ েফলেলন। িক হেলা েছাট ভাইটার। এখেনা সব আত্মীয়সব্জনরা এেস েপঁৗছয়িন, হঠাত্ অঘটন েতা, মেন মেন ভাবেছন শিমর্লার েদহ িনেয় যাবার পর একটা ঘুেমর ইনেজকশন িদেয় িদেত বলেবন শ‌ুভেক, যােত শরত্ একটু ঘুিমেয় পেড়। েছাটেবান িনভা এেস বেল িদিদ শরত্ এমন করেছ েকন বলেতা ? আমার ভােলা লাগেছ না ভয় করেছ, ওেক তু ই িনেয় ওপের যা, ঠাকু র ঘের িনেয় যা, বলিব শিমর্ লার জনয্ ঠাকু েরর কােছ তার আত্মার শািন্ত পৰ্াথর্না করেত। এত দু ঃেখর মেধয্ েছাটেবােনর কথা শ‌ুেন েহেস েফলেলন েসৗদািমনীেদবী। বলেলন "শাশ‌ুিড় হেয় েগিল, তবু েতার বু িদ্ধ হেলা না, ভািগয্স েপৗলমী এখােন েনই। নইেল শাশ‌ুিড়র বু িদ্ধ েদেখ 'থ' হেয় েযত। দাঁড়া েদিখ িক কের শরত্েক ঠান্ডা করা যায় "। েসৗদািমনীেদবীেক ঠান্ডা করেত হেলা না, শরত্বাবু িনেজই খুব শান্তভােব শিমর্লার মৃ তেদেহর কােছ িগেয় বেস তািকেয় েথেক বলেলন, "নাহ্, েতামােক খুব সু ন্দর লাগেছ শিমর্লা। পৰ্থম েযিদন েতামােক েদখেত িগেয়িছলাম মা-বাবার সেঙ্গ েসিদন েচাখ েফরােত পারিছলাম না, আজও পারিছ না। িকন্তু শিমর্লা, েসিদন আর আজেকর িদেনর েয পাথর্কয্ আেছ, েসিদন েতামােক সেঙ্গ কের িনেয় আসার বয্বস্থা কেরিছলাম আর আজ েতামার একা যাবার বয্বস্থা করিছ। খুব সু ন্দর কের েতামােক সাজােত বলিছ। েসিদন তুিম িনেজ েসেজিছেল, আজ আিম েতামােক সাজাবার বয্বস্থা করিছ। যিদ েকােনাটা বাদ হেয় যায় তাই বয্স্ত হেয় পড়িছ। না, না, তুিম ভােলা কের ঘুেমাও। এই ঘুেমর জনয্ই েতা মােঝ মােঝ অিস্থর হেত, আমােক ঘুেমর ওষু ধ আনেত বলেত।" িনভাননীেদবী শরত্বাবু র েছাড়িদ। কাঁদেত কাঁদেত এেস েছাটভাইেয়র হাত ধের েজার কের উিঠেয়

76


িনেয় েগেলন। অদ্ভুতভােব শরত্বাবু শান্ত হেব েগেলন, আর েযন েকােনা বয্বস্থা েনই, চুপচাপ একিট েচয়াের এেস বেস পড়েলন। সবাই একটু সব্িস্তর িনঃশব্াস েফলল। যাক্ বাবা িনেজর সব্ভােব িফের এেসেছ মানু ষটা। আত্মীয়সব্জন সবাই এেস েগেছ, সব বয্বস্থাও হেয় েগেছ, েদরী কের লাভ েনই, এবার যাতৰ্া শ‌ুরু করেলই হয়। দু ই েছেল এেস দু ই পােশ বসল। শিমর্লার বু েক মাথা েরেখ দু ই ভাই নীরেব অশৰ্ুপাত করল। তারপেরই উেঠ দাঁড়াল। তখনই বড় েছেলর িতন বছেরর েছেল বাবােক পৰ্শ্ন করল, "দাদীমা এত েসেজ েকাথায় যােচ্ছ বাবা ?" "আকােশর তারা হেত বাবা” কাঁদেত কাঁদেত উত্তর েদয় সিরত্। সবাই বয্স্ত, এক্ষুিণ েবেরােনা হেব। শরত্বাবু আেস্ত আেস্ত এেস দাঁড়ােলন, শিমর্লার হাতখািন ধের বলেলন, " তুিম যাচ্ছ, আিমও যাব েতামার কােছ", " সব্ামী-স্তৰ্ীর কান্নাকািটর মেধয্ হিরেবাল শ িনঃশ

বন্ধন সাত জেন্মর মা বলেতন।"

তুেল কাঁেচর গািড়েত কের শিমর্লার েদহ েকওড়াতলার পেথ যাতৰ্া করল।

বািড়, পাথেরর মানু েষর মত সবাই চলা েফরা করেছ। িফসফাস কের কথা বলেছ। সকলেক আশ্চযর্য্

কের শরত্বাবু বলেলন, বড়েবৗমা আমােক এক কাপ খুব সু ন্দর কের চা দাও েতা। েছাটেবৗমা, তার আেগ তুিম আমােক বড় এক গ্লােসর এক গ্লাস জল দাও। দু ই বউ তিড়ঘিড় কের শব্শ‌ুেরর কথা মেতা কাজ করল। সবাইেক আরও অবাক কের িদেয় শরত্বাবু বলেলন, সব েতা বয্বস্থা ভােলা ভােবই হেলা। এবার আিম একটু ঘুেমােত যাই। বািড়েত যারা যারা িছল সবাই হাঁফ েছেড় সব্িস্তর িনঃশব্াস েফেল হয্াঁ হয্াঁ করল। শরত্বাবু ধীরপােয় িনেজর ঘেরর িদেক পা বাড়ােলন. ঘের পা িদেতই েসই েচনা গন্ধ, শিমর্লার েসেন্টর গন্ধ, পাউডােরর গন্ধ, মাথার েতেলর গন্ধ সব িমেল িমেশ এক মাদকতার গন্ধ শরত্বাবু েক আচ্ছন্ন কের েফলল। িতিন গভীর মমতায় ঘেরর চািরিদেক দৃ িষ্ট বু েলােত লাগেলন। েদখেলন আলনায় সু ন্দর কের সাজােনা শিমর্র কাপড়, সায়া, ব্লাউজ, তার িনেজর পায়জামা, েগিঞ্জ, শাটর্ সব গ‌ুেছােনা আেছ। েডৰ্িসং েটিবেল পরম যেত্নর সেঙ্গ েযিট েগাছােনা আেছ েসিট শিমর্র িসন্দুর েকৗটা। িক জািন অিত তার আলাদা যেত্নর িছল। অনয্ পৰ্সাধেনর সেঙ্গ িতিন িসন্দুর েকৗটা রাখেতন না। বলেতন- এটা আমার েসৗভােগয্র েকৗেটা, এর মযর্াদা আলাদা। সামানয্ পৰ্সাধেনর সেঙ্গ এক আসেন িক কের থাকেব। মেন মেন ভাবেলন আজ সকােলও শিমর্ এই ঘের চলােফরা কেরেছ, তাই শিমর্র গন্ধ এখেনা আেছ ভরপুর ভােব। ধীের ধীের গন্ধটা িফেক হেব যােব। তারপর আর গন্ধটাই থাকেব না। বু েকর েভতরটা েমাচড় িদেয় উঠেলা। িনেজর অজােন্তই েচাখ েথেক টপ্ টপ্ কের জল ঝের পড়ল। ঝাপসা দৃ িষ্টেত িতিন েদখেলন তােদর খােটর পােশ েটিবেলর উপর শিমর্র আলমািরর চািব, ডাইির, েপন, আর ঘুেমর ওষু েধর েকৗেটা সব সু ন্দর কের েগাছােনা। ধীর পােয় এেস পরম মমতায় িতিন িজিনসগ‌ুেলার ওপর হাত েবালােত লাগেলন। তারপর চািব িনেয় আলমাির খুেল গরেদর পাঞ্জাবীটা েবর কের পরেলন। শিমর্র পছন্দ কের িকেন েদওয়া এই পাঞ্জাবীর সেঙ্গ শািন্তপুেরর ধাক্কাপাড় ধু িতিটও পরেলন। শিমর্র েকৗেটােত যতগ‌ুিল বিড় িছল সবগ‌ুিল এক গ্লাস জল িদেয় েখেয় েফলেলন। তারপর খােট বেস ডাইিরিট িনেয় িলখেত বসেলন। আত্মহতয্া মহাপাপ জািন। িকন্তু এছাড়া আমার েকােনা পথ িছল না। এর জনয্ আিম সবার কােছ ক্ষমাপৰ্াথর্ী। শিমর্ আমার িশরায় িশরায় জিড়েয় আেছ। ও আমার শব্াস, পৰ্শব্াস। ওর েদহ পুেড় যাবার আেগই ওর কােছ েযেত চাই। হাত আর নাড়ােত পারেছ না , বড় ঘুম পােচ্ছ শরত্বাবু র। বহু কষ্ট কের েটেন েটেন িলখেলন "আিম শিমর্লার শরত্"। িলখেলন "আিম শিমর্লার শরত্"।

77


Chander Paharer Pujo Biplab Das Unlike Bibhutibhushan Bandopadhaya, who – as you may know – never set foot outside of India, I have had the unique opportunity to live and work in the land where – as one can easily imagine from some of his works, and his long walks through the woods – this giant of a Bengali novelist, the author of Pather Panchali, would have loved to behold with his own eyes. I, obviously, am referring to Uganda – the East African nation bordering much of the coast of Lake Victoria, and the backdrop for another of Bibhutibhusan’s great works, the Chander Pahar. His description of this region, the details of its flora and fauna – narrated via his ever‐adventurous lead character, Sankar – was based entirely on books and magazines he managed to get his hands on. What’s more, even though Chander Pahar was written in the 1930s, his por‐ trayal of African grasslands and forests, his vivid depiction of the nature, appear so realistic even today, even after all the havoc caused during Idi Amin’s regime, and the destruction – however unavoidable – owing to the uprising that toppled that evil dictator. Unlike Sankar, I did not get to experience this beautiful country from the single railroad that snakes through the hills and forests of this nation in the poverty‐ stricken heart of sub‐Saharan Africa. Nor have I been able to step into any train station – be it in its largest cities, nor in any of the remotest possible corners of the region that I visited. (Sankar’s initial assignment in Uganda, as you may recall from Chander Pahar, was laying the rail tracks, from where he ultimately moved up the “corporate ladder” to the “coveted” position of a Station Master – however inconsequential that station was. The railroad that Sankar built, which used to traverse from the north of Uganda to the south, and then on to to‐ day’s Tanzania, collapsed a number of years ago, leaving both countries without any functioning railway network. A lack of foresight, coupled with financial mismanage‐ ment – I was told – is the root cause of its demise. Unlike Sankar, my “station” was in the heart of Uganda’s capital that is Kam‐ pala complete with all the conveniences and all the bustle of a business district – and, to be sure – devoid of any wild creatures, save an intriguing species of avian, 78


the Marabou Storks. A relatively large, but seemingly docile and not too unattrac‐ tive in their grey‐and‐white, these are actually a genre of vultures, and as much a part of this city as the noisy crows of Kolkata, or its street‐dogs. Before digressing further into the four‐legged and the winged world, or the tribal stratification of societies in that continent, let us come back to the tribe that Sankar and I belong to – the Probasi Bangalis, and a trait that must have been hard coded into our genes. You see, wherever there are at least twenty Probasi Bangali families – for that is how many there are in all of Uganda today – we shall defy all odds to organize a Barwari Durga Puja. Uganda, not unlike Switzerland, is no exception. We have transmuted that tradition to the Alps and to the Equator, and – unsurprisingly, I must add – similarities abound. As it is with SwissPuja, the idols – Ma Durga, Her siblings, Asura, and their carriers – are made of fiber‐ glass, and imported from Kumartuli. Kampala’s ek‐chala, though, cannot be folded or taken apart – they store and restore the whole set as a single piece. And yes, they have also been using the same piece ever since the very first time, some five years ago. The Purohit, too, is “imported” – a highly progressive, charming, and absolutely open‐minded Mr. Govinda Chandra Satepaty, originally from Orissa, is one of the resi‐ dent priests of a major temple in Delhi. The Kampala Puja follows a strict ritual calendar – no short cuts, no stones unturned not to deviate from the scriptures. The Pujo, espe‐ cially the Jagna, too, was very solemn, performed with significant awe and devotion, albeit a bit too long on occasion. There, however, was very little emphasis on Prasad (a highly prudent aversion to fruits cut, and left in the open, especially in a tropical region). Uganda being land‐locked, and Kampala flanking the shores of Lake Victo‐ ria, the symbolic dip in the “holy water”, as well as the finality of “immersion”, how‐ ever emblematic, is also performed in the lake. These, however, are done from atop a small boat, in order not to harm the shores of the largest sweet water lake in the world, and the primary source of the Nile. Given the long history – however interrupted – of Indian immigrants in East Africa, Kampala is blessed with a well run Indian Association that owns and oper‐ ates a vast clubhouse on a sprawling expanse midway up the Nakasero Hill (the 79


entire city is built on top of some twenty such hills, adding to the overall beauty of the city) overlooking the downtown area. The Puja and all associated festivities are held in this compound– ated and guarded, and complete with ample parking spaces within. The clubhouse amenities include a game room, a bar, and a functioning res‐ taurant– with indoor and outdoor seating facilities– catering primarily to the Indian pal‐ ette. The Puja festivities, though, are held in an elaborate, purpose built, and themed “pandal” (tent) within the compound – just like in Kolkata and most elsewhere in India. Last year’s theme, for example, was Swami Vivekananda’s Belur Math, north of Kolkata. The ground inside the pandal was covered with raised metal platforms – to protect from the dampness caused by unpredictable sea‐ sonal rains. The platform for the deity was raised even higher, akin to a stage, and was large enough for cultural performances. Food, both lunch and dinner, was served – buffet style – on all five days of the Puja (and on Lakshmi Puja as well), inside a separate tent – relatively large, and adjacent to the Puja pandal. There were ample number of chairs and lounge style tables to sit and relish the crisp Papad and Bhajas; Khichuri, Luchi or Parota; at least two different Tarkaris; Dal or Ghugni; Chatni and Papad; and two types of Misti and ice cream. Taps jutting out of the industrial size coffee or tea vats, and chilled, fil‐ tered water were open at all times. While the buffet was attended to and often served on large Styrofoam plates by a handful of volunteers, virtually all other strenuous tasks – cooking, cleaning, lifting, transporting, as well as non‐stop picture/video imaging were outsourced, making it possible for the organizers to participate in the festivities just like all other visitors. The most ardent participants, obviously, were the Probasi Bangali tribe. However, the festivities being within the compounds of a pan‐Indian association, and the coincidence of Navratri, the Probasis were vastly outnumbered by some of the other “tribes” of Indian origin. Up to 500 people, for example, lined up for the Bhog on both Asthmi and Nabami evenings. Children of all ages – the sons and daughters of all the Probasis – seemed to have been there every evening, pleas‐ antly reminiscent of a large family gathering. The core logistics is taken care of by a small, harmonious, group of men, while every single woman – caste, creed and age aside – take care of all aspects surrounding the deity. The fellowship and cordiality among all the Probasis in both the groups was noticeable. This, perhaps, is owed to the fact that there is no ambi‐ guity as to the leadership of the pack. This fiftyish Bhadralok – an affluent business‐ 80


man and a respected member of the pan‐Indian community – takes care of many of the logistics (transportation, storage, etc.), as well as most of the tasks one could group under “public relations”. In addition to being a successful businessman, the defining characteris‐ tics of this individual are his full time presence at the rupee smile – a good leader, indeed. Donations, the primary source of funding, have been standardized across all participating Bengali adults – no special mentions, no family discounts, and children do not pay a paisa. All other tribes pay as they wish – depositing their contributions in a transparent plastic box – large, and secured with a lock. These are purely on a voluntary, no name, no receipt basis, and as such, there was no need for any, so to speak, “gate keepers.” In addition to corporate sponsorships (primarily from Indian‐owned enterprises), additional funds are raised by renting out open spaces on the grounds for corporate ad‐ vertisement. Their colorful festoons, flyers, pennants and other promotional materials – strictly outside the Puja pandal – added a decent, mela‐like ambiance to the festivities. For the Bisarjan as well, practically all the families took a ride – in separate cars and jeeps – to the lakeside in Munyunyo, some 20 km from the Puja venue. Leaving their women behind on terra firma, the Probasis witnessed – from their boat – the disap‐ pearance of Kalabou into the azure under the sky above Lake Victoria … The Probasis ended their evening with a lavish dinner – grilled meat, wine, and the works – under the star‐studded skies of Kampala, at a posh, rooftop restaurant. All in all, the five days of Pujo in Chander Pahare was a very well organized, well executed, and most importantly, an exceedingly enjoyable event. Fond memories will linger.

Wishing Durga Puja Celebrations in Switzerland a Grand Success

Birla AG Zug Tüchengasse9 Telephone: 041 727 1717 TeleFax: 041 727 1727 4051, Basel Ph. No. 061 504 1431

81


82


83


84